Monday, December 1, 2025

প্রতিদিন ১১টি হত্যা—পুলিশের মিথ্যার আড়ালে মৃত্যুর রাজত্ব চলছে

বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন ১১টি হত্যাকাণ্ড ঘটছে এটাই সরকারি পরিসংখ্যান। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই হত্যা মামলা হয়েছে ২ হাজার ৯১১টি। এই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরও পুলিশের মুখে আত্মতুষ্টির হাসি—তাদের দাবি, “হত্যা বাড়েনি, মামলা বেড়েছে।” এই বক্তব্য শুনে মনে হয়, আমরা যেন এমন এক দেশে বাস করছি, যেখানে মানুষ মরছে প্রতিদিন, অথচ সরকারের চোখে সব ঠিক আছে!

মৃত্যুর শহরে পুলিশের মেকি শান্তি
পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যানের কাগজে দেখা যায় ২০২৪ সালে খুনের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪৩২টি, আর এই বছর সেই সংখ্যা ইতোমধ্যেই ছুঁয়েছে তিন হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি “নিয়ন্ত্রণে”। প্রশ্ন হলো, যখন প্রতিদিন ১১টি লাশ পড়ছে, তখন কোন মুখে তারা “নিরাপদ বাংলাদেশ”-এর গল্প বলে? এ যেন মৃতের সংখ্যা গণনা করে শান্তির জয়গান গাওয়ার এক ভয়াবহ প্রহসন।

খুন, রাজনীতি আর মিথ্যার জোট
২৫ মে, ঢাকার বাড্ডায় প্রকাশ্যে এক বিএনপি নেতাকে হত্যা করা হয়। শত মানুষ দেখল, কেউ এগিয়ে এলো না। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের বিবৃতি “রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, ব্যক্তিগত বিরোধ।”

সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদপুরে দুই যুবককে ছিনতাইকারী বলে পেটানো হয়; মারা যায় একজন। পরে প্রকাশ পায়, সেটি ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রতিটি হত্যাই যেন এক নাটক, যেখানে পুলিশের ভূমিকা—চিত্রনাট্য ঢেকে রাখা।

নিরাপত্তাহীনতার দেশে পরিসংখ্যানের ভেলকি

আজ যারা পুলিশ সদর দপ্তরের বিবৃতি পড়ে “অপরাধ কমেছে” বলে প্রচার চালায়, তারা জানুক এই সংখ্যাগুলো জীবনের নয়, মৃত্যু লুকানোর কৌশল। বাংলাদেশে এখন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত মানে ফাইল গায়েব, সাক্ষী উধাও, আর প্রভাবশালীদের ফোন কল। যেখানে খুনি ধরা পড়ে না, সেখানে পুলিশ ব্যস্ত “গ্রাফ নিচে নামানোর” খেলায়।

মানুষ মরছে, রাষ্ট্র চুপ
একটি দেশে যখন প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মানুষ খুন হয়, তখন সেটি আর সমাজ নয়, অরাজকতার রাজত্ব। কিন্তু বাংলাদেশে আজ হত্যাকাণ্ড হয়ে উঠেছে সংবাদপত্রের সাধারণ খবর। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, জমি দখল, নারী নির্যাতন, গ্যাং কালচার—সবকিছুর শেষে শুধু একটাই ফলাফল: মৃত্যু। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর আজ অসাড়; পুলিশ পরিসংখ্যান সাজায়, প্রশাসন মুখ বন্ধ রাখে, আর বিচার ব্যবস্থা দেখে “কাদের নাম আছে মামলায়”।

পুলিশের মুখে শান্তি, রাস্তায় লাশ
পুলিশ যদি সত্যিই বিশ্বাস করে যে “হত্যা কমেছে”, তবে তারা বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত আজ নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে মহামারির মতো। একদিকে লাশের সারি বাড়ছে, অন্যদিকে পুলিশের ভাষ্য যেন কোনো কৌতুক—“সব ঠিক আছে, জনগণ নিরাপদ।” এই ভণ্ডামি কেবল অবহেলা নয়, এটি রাষ্ট্রীয় অপরাধ।

বাংলাদেশ আজ এক পরিসংখ্যানের খাঁচায় বন্দি দেশ যেখানে প্রতিদিন ১১টি পরিবার শোকের আগুনে পুড়ছে, আর রাষ্ট্র গুনছে কাগজের সংখ্যা। হত্যার প্রকৃত চিত্র গোপন করে যারা “নিরাপত্তার” গল্প বলে, তারা কেবল তথ্য বিকৃত করে না মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে।

বাংলাদেশে এখন প্রতিদিন ১১টি হত্যাকাণ্ড ঘটছে এটাই সরকারি পরিসংখ্যান। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসেই হত্যা মামলা হয়েছে ২ হাজার ৯১১টি। এই ভয়াবহ তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরও পুলিশের মুখে আত্মতুষ্টির হাসি—তাদের দাবি, “হত্যা বাড়েনি, মামলা বেড়েছে।” এই বক্তব্য শুনে মনে হয়, আমরা যেন এমন এক দেশে বাস করছি, যেখানে মানুষ মরছে প্রতিদিন, অথচ সরকারের চোখে সব ঠিক আছে!

মৃত্যুর শহরে পুলিশের মেকি শান্তি
পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যানের কাগজে দেখা যায় ২০২৪ সালে খুনের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪৩২টি, আর এই বছর সেই সংখ্যা ইতোমধ্যেই ছুঁয়েছে তিন হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি “নিয়ন্ত্রণে”। প্রশ্ন হলো, যখন প্রতিদিন ১১টি লাশ পড়ছে, তখন কোন মুখে তারা “নিরাপদ বাংলাদেশ”-এর গল্প বলে? এ যেন মৃতের সংখ্যা গণনা করে শান্তির জয়গান গাওয়ার এক ভয়াবহ প্রহসন।

খুন, রাজনীতি আর মিথ্যার জোট
২৫ মে, ঢাকার বাড্ডায় প্রকাশ্যে এক বিএনপি নেতাকে হত্যা করা হয়। শত মানুষ দেখল, কেউ এগিয়ে এলো না। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশের বিবৃতি “রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, ব্যক্তিগত বিরোধ।”

সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদপুরে দুই যুবককে ছিনতাইকারী বলে পেটানো হয়; মারা যায় একজন। পরে প্রকাশ পায়, সেটি ছিল পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রতিটি হত্যাই যেন এক নাটক, যেখানে পুলিশের ভূমিকা—চিত্রনাট্য ঢেকে রাখা।

নিরাপত্তাহীনতার দেশে পরিসংখ্যানের ভেলকি

আজ যারা পুলিশ সদর দপ্তরের বিবৃতি পড়ে “অপরাধ কমেছে” বলে প্রচার চালায়, তারা জানুক এই সংখ্যাগুলো জীবনের নয়, মৃত্যু লুকানোর কৌশল। বাংলাদেশে এখন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত মানে ফাইল গায়েব, সাক্ষী উধাও, আর প্রভাবশালীদের ফোন কল। যেখানে খুনি ধরা পড়ে না, সেখানে পুলিশ ব্যস্ত “গ্রাফ নিচে নামানোর” খেলায়।

মানুষ মরছে, রাষ্ট্র চুপ
একটি দেশে যখন প্রতিদিন গড়ে ১১ জন মানুষ খুন হয়, তখন সেটি আর সমাজ নয়, অরাজকতার রাজত্ব। কিন্তু বাংলাদেশে আজ হত্যাকাণ্ড হয়ে উঠেছে সংবাদপত্রের সাধারণ খবর। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, জমি দখল, নারী নির্যাতন, গ্যাং কালচার—সবকিছুর শেষে শুধু একটাই ফলাফল: মৃত্যু। রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তর আজ অসাড়; পুলিশ পরিসংখ্যান সাজায়, প্রশাসন মুখ বন্ধ রাখে, আর বিচার ব্যবস্থা দেখে “কাদের নাম আছে মামলায়”।

পুলিশের মুখে শান্তি, রাস্তায় লাশ
পুলিশ যদি সত্যিই বিশ্বাস করে যে “হত্যা কমেছে”, তবে তারা বাস্তবতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত আজ নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে মহামারির মতো। একদিকে লাশের সারি বাড়ছে, অন্যদিকে পুলিশের ভাষ্য যেন কোনো কৌতুক—“সব ঠিক আছে, জনগণ নিরাপদ।” এই ভণ্ডামি কেবল অবহেলা নয়, এটি রাষ্ট্রীয় অপরাধ।

বাংলাদেশ আজ এক পরিসংখ্যানের খাঁচায় বন্দি দেশ যেখানে প্রতিদিন ১১টি পরিবার শোকের আগুনে পুড়ছে, আর রাষ্ট্র গুনছে কাগজের সংখ্যা। হত্যার প্রকৃত চিত্র গোপন করে যারা “নিরাপত্তার” গল্প বলে, তারা কেবল তথ্য বিকৃত করে না মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ