আবারও রাজাকারের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল ‘ইনসাফের’ দল জামায়াত

পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম বহাল রেখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিতে বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) সংসদের অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

এই বিলে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর দেশীয় সহযোগীদের তালিকায় রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসের পাশাপাশি তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, দালাল ও শান্তি কমিটির নাম রাখা হয়েছে।

বিল পাসের সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আপত্তি জানিয়ে দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আল্লাহ ভালো জানেন একাত্তর সালের ওই চরম সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল। আল্লাহতালা তার নিখুঁত, পূর্ণাঙ্গ, একমাত্র সাক্ষী।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীসহ তৎকালীন সহযোগী দলগুলোর নাম সুনির্দিষ্টভাবে আইনে অন্তর্ভুক্ত করা ইতিহাসের এক অনিবার্য দায়মুক্তি। যদিও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, যে দলগুলোর ভূমিকা আইনি দলিলে ‘রাজাকার’ ও ‘হানাদার বাহিনীর সহযোগী’ হিসেবে স্বীকৃত হলো, তারা রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার হয়ে কতটুকু নৈতিকতা রক্ষা করতে পারবে? একদিকে রাজাকারের স্বীকৃতি, আর অন্যদিকে ক্ষমতার অংশীদারিত্ব—এই দ্বিচারিতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে কোন পথে নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলাম পার্টির নাম বহাল রেখে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিতে বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) সংসদের অধিবেশনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

এই বিলে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর দেশীয় সহযোগীদের তালিকায় রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসের পাশাপাশি তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, দালাল ও শান্তি কমিটির নাম রাখা হয়েছে।

বিল পাসের সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আপত্তি জানিয়ে দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আল্লাহ ভালো জানেন একাত্তর সালের ওই চরম সময়ে কার কী ভূমিকা ছিল। আল্লাহতালা তার নিখুঁত, পূর্ণাঙ্গ, একমাত্র সাক্ষী।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীসহ তৎকালীন সহযোগী দলগুলোর নাম সুনির্দিষ্টভাবে আইনে অন্তর্ভুক্ত করা ইতিহাসের এক অনিবার্য দায়মুক্তি। যদিও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দায় এড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, যে দলগুলোর ভূমিকা আইনি দলিলে ‘রাজাকার’ ও ‘হানাদার বাহিনীর সহযোগী’ হিসেবে স্বীকৃত হলো, তারা রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার হয়ে কতটুকু নৈতিকতা রক্ষা করতে পারবে? একদিকে রাজাকারের স্বীকৃতি, আর অন্যদিকে ক্ষমতার অংশীদারিত্ব—এই দ্বিচারিতা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে কোন পথে নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ