সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক

অবৈধ ইউনুস সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯–এর আওতায় একটি এসআরও (Statutory Regulatory Order) জারি করে আওয়ামী লীগ এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার সংসদে আইনের মাধ্যমে বৈধতা দিয়েছে। বিষয়টি দেশে আইন ও রাজনীতির অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ মূলত আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছে, বিশেষ করে September 11 attacks–এর পর। এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ দমন এবং তালেবান, আইএসআইএস, বোকো হারামসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম প্রতিরোধ করা।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯–এর ১৮ ধারার আওতায় কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আইনটির উদ্দেশ্য ও প্রয়োগের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনটি মূলত ৯/১১–এর ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। তাই একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এই আইনের আওতায় আনা অনুচিত।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ–এর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত চারটি শর্তই পূরণ করে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে সাংবিধানিক মানদণ্ড পূরণ করে না। তারা ধর্মতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং জনগণের সার্বভৌমত্বভিত্তিক আধুনিক সাংবিধানিক গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় (সংবিধান অনুচ্ছেদ ৭(২))।

জামায়াতের মতে, সার্বভৌমত্ব কোনো অতিপ্রাকৃত বা ঐশী উৎসে নিহিত—যা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ফলে, জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন এবং বাংলাদেশের সংবিধানের মধ্যে মৌলিক দ্বন্দ্ব বিদ্যমান, যা আগে নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। এই ইস্যুতে আইনজীবী তানিয়া আমির হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট মামলায় জয়লাভ করেছিলেন। তবে ৫ আগস্ট ২০২৪–এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আপিল বিভাগে রায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও বিচারিক পরিবেশ প্রয়োজন, যাতে সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যায়।

অবৈধ ইউনুস সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯–এর আওতায় একটি এসআরও (Statutory Regulatory Order) জারি করে আওয়ামী লীগ এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা আজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার সংসদে আইনের মাধ্যমে বৈধতা দিয়েছে। বিষয়টি দেশে আইন ও রাজনীতির অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ মূলত আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছে, বিশেষ করে September 11 attacks–এর পর। এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ দমন এবং তালেবান, আইএসআইএস, বোকো হারামসহ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের চিহ্নিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম প্রতিরোধ করা।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করাচ্ছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯–এর ১৮ ধারার আওতায় কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আইনটির উদ্দেশ্য ও প্রয়োগের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। আইনটি মূলত ৯/১১–এর ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছিল। তাই একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে এই আইনের আওতায় আনা অনুচিত।

সংবিধান বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ–এর রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে বর্ণিত চারটি শর্তই পূরণ করে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে সাংবিধানিক মানদণ্ড পূরণ করে না। তারা ধর্মতন্ত্রে বিশ্বাস করে এবং জনগণের সার্বভৌমত্বভিত্তিক আধুনিক সাংবিধানিক গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয় (সংবিধান অনুচ্ছেদ ৭(২))।

জামায়াতের মতে, সার্বভৌমত্ব কোনো অতিপ্রাকৃত বা ঐশী উৎসে নিহিত—যা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ফলে, জামায়াতের রাজনৈতিক দর্শন এবং বাংলাদেশের সংবিধানের মধ্যে মৌলিক দ্বন্দ্ব বিদ্যমান, যা আগে নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন। এই ইস্যুতে আইনজীবী তানিয়া আমির হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট মামলায় জয়লাভ করেছিলেন। তবে ৫ আগস্ট ২০২৪–এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আপিল বিভাগে রায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য একটি অনুকূল রাজনৈতিক ও বিচারিক পরিবেশ প্রয়োজন, যাতে সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ