জুলাই দাঙ্গার ফাঁদে নারীরা, সংসদে আক্ষেপ ঝাড়লেন রুমিন

২০২৪ সালের জুলাইয়ের দাঙ্গার পর রাজনীতিতে নারীদের প্রান্তিকীকরণ নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ৫২ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়া সম্ভব নয় বলে তিনি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, “জুলাইতে আমরা একঝাঁক নতুন প্রজন্মের তরুণ মুখ দেখেছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এক বছর পার না হতেই সেই নারীরা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেলেন কেন?”

তিনি আরও যোগ করেন। “অস্থির সময় নারীর সাহায্য ছাড়া পার হওয়া যায় না; আর সবকিছু যখন ঠিক হয়, নারী তখন হয়ে যায় ট্রলের বস্তু। ৫২ শতাংশ মানুষকে পেছনে ফেলে যদি কেউ নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে, সেটি কোনোদিন সম্ভব হবে না।”

ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার যে নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করেছিল, সেখানে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানকে নতুন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে নোবেল জয় করেছিলেন, তার শাসনামলেই নারীরা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি অধিকারবঞ্চিত হয়েছেন।

রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, যে নির্বাচনে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সঠিক প্রতিনিধিত্ব নেই, সেই নির্বাচন কেবল একটি ‘সাজানো নাটক’ বা ‘প্রহসন’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশি অর্থায়ন আর সামরিক ছত্রছায়ায় গঠিত এই ব্যবস্থা নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের দাঙ্গার পর রাজনীতিতে নারীদের প্রান্তিকীকরণ নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ৫২ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠীকে পেছনে ফেলে ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়া সম্ভব নয় বলে তিনি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, “জুলাইতে আমরা একঝাঁক নতুন প্রজন্মের তরুণ মুখ দেখেছিলাম। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, এক বছর পার না হতেই সেই নারীরা রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেলেন কেন?”

তিনি আরও যোগ করেন। “অস্থির সময় নারীর সাহায্য ছাড়া পার হওয়া যায় না; আর সবকিছু যখন ঠিক হয়, নারী তখন হয়ে যায় ট্রলের বস্তু। ৫২ শতাংশ মানুষকে পেছনে ফেলে যদি কেউ নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে, সেটি কোনোদিন সম্ভব হবে না।”

ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকার যে নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করেছিল, সেখানে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। এই পরিসংখ্যানকে নতুন বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, যে মানুষটি ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করে নোবেল জয় করেছিলেন, তার শাসনামলেই নারীরা রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি অধিকারবঞ্চিত হয়েছেন।

রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেন, যে নির্বাচনে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর সঠিক প্রতিনিধিত্ব নেই, সেই নির্বাচন কেবল একটি ‘সাজানো নাটক’ বা ‘প্রহসন’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশি অর্থায়ন আর সামরিক ছত্রছায়ায় গঠিত এই ব্যবস্থা নারীদের অধিকার রক্ষায় ব্যর্থ হলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ