বিএনপির আগের আমলের মত কৃষকের উপর বন্দুক ঠেকাতে কয়দিন বাকি?

বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। আবার অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহ নাগাদ সিইউএফএল-কাফকো চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ করতে না পারলে তার কারখানাটিও বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে গ্যাস সংকটে ২৭ দিন বন্ধ ছিলো নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানার সার উৎপাদন।

সরকার সংকট নেই বললেও তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে গোটা দেশ। এর ফলশ্রুতিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সার কারখানা, প্রভাব পড়ছে অন্যান্য শিল্পকারখানার উৎপাদনেও। বিদ্যুৎ খাতেও চাপ বেড়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরেই দেশ ও জাতি গ্যাস সংকটে ভুগছে, অথচ অথর্ব ইউনূসের অবৈধ সরকারের মতই বিএনপি সরকারও সংকট মোকাবেলায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি।

আমাদের মনে পড়ে, ১৯৯৫ সালে কৃষকদের সার না দিয়ে কালোবাজারের মাধ্যমে সার বিক্রি করে দেশে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সে সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। কৃষককে সুলভ মূল্যে সার না দিতে পারলে তা নিয়ে কালোবাজারির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকরা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯৫ সালের ১৫ মার্চ সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়ে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়। নির্মম বুলেটের আঘাতে কৃষকদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন দমন করার অপচেষ্টা এ জাতি ভোলেনি।

বিএনপি ২০০১-২০০৬ শাসনামলেও সারের দাবিতে কৃষক হত্যার মত জঘন্য অপরাধ করেছে। সারের অভাবে চাষাবাদ করতে না পেরে সাতক্ষীরা, নড়াইল, মেহেরপুর, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহীতে কৃষকরা কফিন ও কাফন নিয়ে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। কিন্তু নির্দয় বিএনপি সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে সাধারণ কৃষকদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে আন্দোলন দমনের অপচেষ্টা চালায়। তৎকালীন বিএনপি সরকার কুড়িগ্রাম ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১২ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছে সেসময়; ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল বোরো এবং ইরি চাষ।

সেবারে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক ও তার সহযোগীদের দ্বারা গঠিত একটি সিন্ডিকেট। এমনকি বিএনপির দুর্বৃত্তরা ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা থেকে লাখ লাখ বস্তা সার লুট করেছিল। টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ছাত্রদলের এক নেতা নিহত হন। 

এবার আগে থেকেই দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং ও এদেরকে প্রশ্রয় দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত সমর্থন। গ্যাস, তেল ও বিদ্যুতের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে সার সংকটও। সংকট মোকাবেলায় বিএনপির সফলতার ছিটেফোঁটাও দেখেনি বাংলাদেশ। বিএনপি কি আদৌও চায় সংকট নিরসন, নাকি সংকটের আড়ালে সেই স্বভাব সুলভ হরিলুট চলছেই?

কৃষক যদি সারের অভাবে দুর্ভোগে পড়ে তবে স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিবারের ন্যায় এবারও আন্দোলন হবে। ‘ধানের শীষ’ দেখিয়ে রাজনীতি করা দল বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে প্রতিবারই কৃষক হত্যার মত কালীমা নিজের গায়ে মেখেছে— বিষয়টা ভাবলে সত্যিই হতবাক লাগে। আবারও সেই সার সংকটের দিকে বাংলাদেশ, তবে কি এবারও কৃষকের বুকে গুলি চালাবে বিএনপি সরকার?

বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। আবার অ্যামোনিয়া সংকটে বন্ধ হওয়ার পথে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)।

ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহ নাগাদ সিইউএফএল-কাফকো চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ করতে না পারলে তার কারখানাটিও বন্ধ হয়ে যাবে। এদিকে গ্যাস সংকটে ২৭ দিন বন্ধ ছিলো নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানার সার উৎপাদন।

সরকার সংকট নেই বললেও তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে গোটা দেশ। এর ফলশ্রুতিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সার কারখানা, প্রভাব পড়ছে অন্যান্য শিল্পকারখানার উৎপাদনেও। বিদ্যুৎ খাতেও চাপ বেড়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরেই দেশ ও জাতি গ্যাস সংকটে ভুগছে, অথচ অথর্ব ইউনূসের অবৈধ সরকারের মতই বিএনপি সরকারও সংকট মোকাবেলায় কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি।

আমাদের মনে পড়ে, ১৯৯৫ সালে কৃষকদের সার না দিয়ে কালোবাজারের মাধ্যমে সার বিক্রি করে দেশে কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সে সময়ের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। কৃষককে সুলভ মূল্যে সার না দিতে পারলে তা নিয়ে কালোবাজারির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় কৃষকরা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে। ১৯৯৫ সালের ১৫ মার্চ সারের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়ে ১৮ জন কৃষককে হত্যা করা হয়। নির্মম বুলেটের আঘাতে কৃষকদের ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন দমন করার অপচেষ্টা এ জাতি ভোলেনি।

বিএনপি ২০০১-২০০৬ শাসনামলেও সারের দাবিতে কৃষক হত্যার মত জঘন্য অপরাধ করেছে। সারের অভাবে চাষাবাদ করতে না পেরে সাতক্ষীরা, নড়াইল, মেহেরপুর, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহীতে কৃষকরা কফিন ও কাফন নিয়ে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। কিন্তু নির্দয় বিএনপি সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে সাধারণ কৃষকদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়ে আন্দোলন দমনের অপচেষ্টা চালায়। তৎকালীন বিএনপি সরকার কুড়িগ্রাম ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১২ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছে সেসময়; ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছিল বোরো এবং ইরি চাষ।

সেবারে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি করে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক ও তার সহযোগীদের দ্বারা গঠিত একটি সিন্ডিকেট। এমনকি বিএনপির দুর্বৃত্তরা ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা থেকে লাখ লাখ বস্তা সার লুট করেছিল। টাকা ভাগাভাগি নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ছাত্রদলের এক নেতা নিহত হন। 

এবার আগে থেকেই দেশকে সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং ও এদেরকে প্রশ্রয় দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত সমর্থন। গ্যাস, তেল ও বিদ্যুতের পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে সার সংকটও। সংকট মোকাবেলায় বিএনপির সফলতার ছিটেফোঁটাও দেখেনি বাংলাদেশ। বিএনপি কি আদৌও চায় সংকট নিরসন, নাকি সংকটের আড়ালে সেই স্বভাব সুলভ হরিলুট চলছেই?

কৃষক যদি সারের অভাবে দুর্ভোগে পড়ে তবে স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিবারের ন্যায় এবারও আন্দোলন হবে। ‘ধানের শীষ’ দেখিয়ে রাজনীতি করা দল বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে প্রতিবারই কৃষক হত্যার মত কালীমা নিজের গায়ে মেখেছে— বিষয়টা ভাবলে সত্যিই হতবাক লাগে। আবারও সেই সার সংকটের দিকে বাংলাদেশ, তবে কি এবারও কৃষকের বুকে গুলি চালাবে বিএনপি সরকার?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ