সয়াবিন তেল নেই, দাম আকাশছোঁয়া, আর ক্ষমতায় বিএনপি

বাজারে গেলে এখন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। দোকানে তেলের বোতল আছে, কিন্তু চাহিদামতো দেওয়া হচ্ছে না। যেন রেশনের দোকান। ডিলার থেকে পরিবেশক, পরিবেশক থেকে খুচরা, সব জায়গায় একই গল্প। তেল নেই, যা আছে তার দাম বেশি। পাঁচ লিটারের বোতলে এমআরপি ৯৫৫ টাকা লেখা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ৯৭৫-৯৮০ টাকায়। দুই লিটারের বোতলে ৩৯০ লেখা, বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। মানে বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, সেটাও এখন আর মানা হচ্ছে না।

এই সংকট হঠাৎ করে আসেনি। প্রায় দেড় মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো বাজারে কম তেল ছাড়ছে এবং সরকারের কাছে দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে। এর মাঝে খোলা সয়াবিন আর পাম তেলের দামও কেজিতে পাঁচ টাকা করে বেড়ে গেছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই দেশ চালাচ্ছে কারা এবং এই পরিস্থিতির দায় কার। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে যে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। জনগণের বড় একটা অংশ সেই ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সেই কথিত ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি। আর ক্ষমতায় বসার দেড় মাসের মাথায় সাধারণ মানুষ রান্নাঘরে গিয়ে তেলের বোতল খুঁজে পাচ্ছে না।

বিএনপির ইতিহাস যারা একটু মনে রাখেন, তারা জানেন এই দলের শাসনামলে জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ আর নিত্যপণ্যের সংকট একটা পরিচিত চেহারা নিয়ে আসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ব্যাংকে গেলে টাকা মেলে না, পাম্পে গেলে জ্বালানি পাওয়া ভার, আর এখন রান্নাঘরের তেলটুকুও রেশন হয়ে গেছে। এটাকে কেউ কেউ রসিকতা করে “জুলাই দাঙ্গার নতুন স্বাধীনতা” বলছেন। কিন্তু এই রসিকতার পেছনে যে কষ্ট আছে, সেটা বোঝার সময় এই সরকারের নেই বলেই মনে হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে কিন্তু মানুষের আয় বাড়ছে না। যে মানুষটা মাসে বিশ হাজার টাকা বেতন পায়, তার বেতন গত বছরও বিশ হাজার ছিল। কিন্তু সংসার চালাতে এখন আরও বেশি টাকা লাগছে। তেলের দাম বেড়েছে, চালের দাম বেড়েছে, গ্যাসের বিল বেড়েছে। মধ্যবিত্ত মানুষ এখন প্রতি মাসে একটু একটু করে গরিব হচ্ছে, আর সরকার তার নামসর্বস্ব মন্ত্রিসভা নিয়ে বিবৃতি আর চিঠি চালাচালিতে ব্যস্ত।

ভোজ্যতেল কোম্পানিগুলোর সংগঠন ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্যারিফ কমিশনে দাম বাড়ানোর দাবিতে চিঠি দিয়েছে। মানে সামনে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। সরকার যদি কোম্পানিগুলোর দাবিতে সায় দেয়, তাহলে যে মানুষটা এখন ৯৮০ টাকায় পাঁচ লিটার তেল কিনছেন, তাকে শিগগিরই আরও বেশি গুনতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করতে রাজি না। সরকারও নীরব। আর মানুষ দোকানে দোকানে ঘুরে রেশনের মতো করে তেল কিনছে। এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

বাজারে গেলে এখন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। দোকানে তেলের বোতল আছে, কিন্তু চাহিদামতো দেওয়া হচ্ছে না। যেন রেশনের দোকান। ডিলার থেকে পরিবেশক, পরিবেশক থেকে খুচরা, সব জায়গায় একই গল্প। তেল নেই, যা আছে তার দাম বেশি। পাঁচ লিটারের বোতলে এমআরপি ৯৫৫ টাকা লেখা থাকলেও বিক্রি হচ্ছে ৯৭৫-৯৮০ টাকায়। দুই লিটারের বোতলে ৩৯০ লেখা, বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। মানে বোতলের গায়ে যা লেখা আছে, সেটাও এখন আর মানা হচ্ছে না।

এই সংকট হঠাৎ করে আসেনি। প্রায় দেড় মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। কোম্পানিগুলো বাজারে কম তেল ছাড়ছে এবং সরকারের কাছে দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে। এর মাঝে খোলা সয়াবিন আর পাম তেলের দামও কেজিতে পাঁচ টাকা করে বেড়ে গেছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই দেশ চালাচ্ছে কারা এবং এই পরিস্থিতির দায় কার। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে যে নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি। জনগণের বড় একটা অংশ সেই ভোটকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সেই কথিত ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি। আর ক্ষমতায় বসার দেড় মাসের মাথায় সাধারণ মানুষ রান্নাঘরে গিয়ে তেলের বোতল খুঁজে পাচ্ছে না।

বিএনপির ইতিহাস যারা একটু মনে রাখেন, তারা জানেন এই দলের শাসনামলে জ্বালানি, সার, বিদ্যুৎ আর নিত্যপণ্যের সংকট একটা পরিচিত চেহারা নিয়ে আসে। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ব্যাংকে গেলে টাকা মেলে না, পাম্পে গেলে জ্বালানি পাওয়া ভার, আর এখন রান্নাঘরের তেলটুকুও রেশন হয়ে গেছে। এটাকে কেউ কেউ রসিকতা করে “জুলাই দাঙ্গার নতুন স্বাধীনতা” বলছেন। কিন্তু এই রসিকতার পেছনে যে কষ্ট আছে, সেটা বোঝার সময় এই সরকারের নেই বলেই মনে হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হলো, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে কিন্তু মানুষের আয় বাড়ছে না। যে মানুষটা মাসে বিশ হাজার টাকা বেতন পায়, তার বেতন গত বছরও বিশ হাজার ছিল। কিন্তু সংসার চালাতে এখন আরও বেশি টাকা লাগছে। তেলের দাম বেড়েছে, চালের দাম বেড়েছে, গ্যাসের বিল বেড়েছে। মধ্যবিত্ত মানুষ এখন প্রতি মাসে একটু একটু করে গরিব হচ্ছে, আর সরকার তার নামসর্বস্ব মন্ত্রিসভা নিয়ে বিবৃতি আর চিঠি চালাচালিতে ব্যস্ত।

ভোজ্যতেল কোম্পানিগুলোর সংগঠন ইতিমধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্যারিফ কমিশনে দাম বাড়ানোর দাবিতে চিঠি দিয়েছে। মানে সামনে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। সরকার যদি কোম্পানিগুলোর দাবিতে সায় দেয়, তাহলে যে মানুষটা এখন ৯৮০ টাকায় পাঁচ লিটার তেল কিনছেন, তাকে শিগগিরই আরও বেশি গুনতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের কাছে মন্তব্য করতে রাজি না। সরকারও নীরব। আর মানুষ দোকানে দোকানে ঘুরে রেশনের মতো করে তেল কিনছে। এটাই এখন বাংলাদেশের বাস্তবতা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ