হামে নাকাল দেশ, বিএনপি সরকারে নড়বড়ে স্বাস্থ্যখাত

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বর্তমানে এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক বেশি শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই সংক্রামক ব্যাধি, যার মধ্যে চলতি মার্চ মাসেই মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ অন্তত সাতটি জেলায় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে হাম। স্বাস্থ্য খাতের এই নাজুক অবস্থার জন্য বিএনপি সরকারের অব্যাস্থাপনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে অবহেলাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে শিশু আইসিইউ সংকট এখন চরমে। তথ্যমতে, গত ১০ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১৮ দিনে আইসিইউ শয্যার অপেক্ষায় থাকতে থাকতেই ৫১টি শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। চিকিৎসকদের আক্ষেপ, সময়মতো আইসিইউ সেবা নিশ্চিত করা গেলে এদের একটি বড় অংশকে বাঁচানো সম্ভব ছিল। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অবহেলায় স্বাস্থ্যখাতের এই কঙ্কালসার দশা এখন সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পরিস্থিতি এখন হুলুস্থুল। হাসপাতালের মোট রোগীর একটি বড় অংশই শিশু, যার মধ্যে ৪০ শতাংশই হামে আক্রান্ত।

অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আইসোলেশন কর্নারের মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এক বিছানায় গাদাগাদি করে থাকছে দুজন করে রোগী। মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত ২৪৩ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছে। শুধুমাত্র ২৯ মার্চ একদিনেই ভর্তি হয়েছে ৪৬ জন। আইসিইউ ও সিসিইউ সুবিধা না থাকায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৮০ জন শিশুকে রাজশাহীতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও থামছে না হামের ঢল। চলতি মাসে সেখানে ১০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫টি শিশু মারা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিনটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করে ‘হাম কর্নার’ চালু করতে বাধ্য হয়েছে।

শিবগঞ্জের পলিয়ারা খাতুন বা তেলকুপির রুমি খাতুনের মতো শত শত মা এখন দিশেহারা। শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজ রায়হান জানান, টিকাদানের হার কম থাকায় পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে দেশে হামের যে ভয়াবহ বিস্তার দেখা যাচ্ছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতের কাঠামোগত ভঙ্গুরতার এক করুণ বহিঃপ্রকাশ।যখন একটি দেশে হামের মতো সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগে অর্ধশতাধিক শিশুর প্রাণ যায়, তখন বুঝতে হবে যে দেশের ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা’ ভেঙে পড়েছে।

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বর্তমানে এক ভয়াবহ ও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে। এ বছর এখন পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক বেশি শিশুর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এই সংক্রামক ব্যাধি, যার মধ্যে চলতি মার্চ মাসেই মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি। ঢাকা, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ অন্তত সাতটি জেলায় মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে হাম। স্বাস্থ্য খাতের এই নাজুক অবস্থার জন্য বিএনপি সরকারের অব্যাস্থাপনা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে অবহেলাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে শিশু আইসিইউ সংকট এখন চরমে। তথ্যমতে, গত ১০ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১৮ দিনে আইসিইউ শয্যার অপেক্ষায় থাকতে থাকতেই ৫১টি শিশু মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। চিকিৎসকদের আক্ষেপ, সময়মতো আইসিইউ সেবা নিশ্চিত করা গেলে এদের একটি বড় অংশকে বাঁচানো সম্ভব ছিল। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অবহেলায় স্বাস্থ্যখাতের এই কঙ্কালসার দশা এখন সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পরিস্থিতি এখন হুলুস্থুল। হাসপাতালের মোট রোগীর একটি বড় অংশই শিশু, যার মধ্যে ৪০ শতাংশই হামে আক্রান্ত।

অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আইসোলেশন কর্নারের মেঝেতে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এক বিছানায় গাদাগাদি করে থাকছে দুজন করে রোগী। মার্চ মাসে এখন পর্যন্ত ২৪৩ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছে। শুধুমাত্র ২৯ মার্চ একদিনেই ভর্তি হয়েছে ৪৬ জন। আইসিইউ ও সিসিইউ সুবিধা না থাকায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৮০ জন শিশুকে রাজশাহীতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও থামছে না হামের ঢল। চলতি মাসে সেখানে ১০৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫টি শিশু মারা গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিনটি বিশেষ মেডিকেল টিম গঠন করে ‘হাম কর্নার’ চালু করতে বাধ্য হয়েছে।

শিবগঞ্জের পলিয়ারা খাতুন বা তেলকুপির রুমি খাতুনের মতো শত শত মা এখন দিশেহারা। শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহফুজ রায়হান জানান, টিকাদানের হার কম থাকায় পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে দেশে হামের যে ভয়াবহ বিস্তার দেখা যাচ্ছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্যখাতের কাঠামোগত ভঙ্গুরতার এক করুণ বহিঃপ্রকাশ।যখন একটি দেশে হামের মতো সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগে অর্ধশতাধিক শিশুর প্রাণ যায়, তখন বুঝতে হবে যে দেশের ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা’ ভেঙে পড়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ