বিএনপির ক্ষমতার ট্যাংক ভরা, জনগণের পেট্রোল পাম্প খালি

দেশের পেট্রল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এই খবর এখন আর কারো কাছে বিশেষ চমকের না। কারণ এই সরকারের আমলে যা-ই ঘটছে, সবকিছুতেই একটা “যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে” ভাব আছে। বিদ্যুৎ যায়, পানি যায়, এখন তেলও যাচ্ছে। শুধু যাচ্ছে না বিএনপির ক্ষমতার লোভ।

বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে, কোম্পানি থেকে যে তেল আসছে তা দিয়ে চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। ঈদের আগের রাতে পাম্পে ভিড় এতটাই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছিল যে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্যও ২০০ লিটার অকটেন আলাদা রাখা যায়নি। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ লোকজন পাম্প জোর করে খুলিয়ে তেল নিয়ে গেছে। ট্যাংকার লুটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাম্পে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। এটা একটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতার সরাসরি ছবি।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ব্যর্থতার দায় কার? বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে যে নির্বাচন করেছে, সেটা নিয়ে একটু কথা বলা দরকার। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনে, নিজেরা নিজেরা একটা নির্বাচনের আয়োজন করে তারা ক্ষমতায় বসেছে। সেই নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে যায়নি, কারণ মানুষ বুঝেছিল এটা একটা সাজানো নাটক। কিন্তু বিএনপি পরোয়া করেনি। তারা ক্ষমতায় বসেছে, মন্ত্রিসভা বানিয়েছে, এবং এখন সেই মন্ত্রিসভা দেশ চালাচ্ছে বলে দাবি করছে।

সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া এই দলটির ইতিহাস কখনো জনগণের ভেতর থেকে উঠে আসার না। জিয়াউর রহমান সামরিক শক্তির জোরে রাজনীতিতে এসে একটি দল বানিয়েছিলেন, আর সেই দলের মূল চরিত্র আজও একই আছে। ক্ষমতাকে নিজের মনে করা, জনগণকে উপেক্ষা করা, আর নিজেদের সুবিধামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করা।

তেলের সংকট, পাম্পে নিরাপত্তাহীনতা, এগুলো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না। এগুলো প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার ফল। জেলা প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টা উপেক্ষা করছে বলে পাম্প মালিকরা নিজেরাই বলছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নেই। ডিপো থেকে তেল আনার সময় ট্যাংকার লুটের ভয় আছে। এই পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকরা বলছেন তেল তোলাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। এরপরও সরকার নীরব।

বিএনপির মন্ত্রীরা এখন কী করছেন? বিবৃতি দিচ্ছেন, সংবাদ সম্মেলন করছেন, আর পরস্পরকে পিঠ চাপড়াচ্ছেন। মাঠের বাস্তবতার সাথে এই সরকারের দূরত্ব এতটাই বেশি যে, পাম্প মালিকরা যখন বলছেন “লুটতরাজ হচ্ছে”, তখন মন্ত্রণালয়ে সম্ভবত কেউ কেউ এখনো বুঝতেই পারছেন না আসলে কী হচ্ছে।

একটা সরকার যখন বৈধতার সংকটে থাকে, তখন তার পক্ষে শাসন করাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ মানুষ তাকে মানে না, প্রশাসন তাকে সম্পূর্ণভাবে আস্থায় নেয় না, আর সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও থাকে না। বিএনপি ঠিক এই জায়গাটায় আছে। একটা ভোটবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের নৈতিক জোর থাকে না, আর নৈতিক জোর ছাড়া সংকটের সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। সবেমাত্র তো ফুলফুলানী, পরে হবে গোপাল গাদানী!

দেশের পেট্রল পাম্পগুলো যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এই খবর এখন আর কারো কাছে বিশেষ চমকের না। কারণ এই সরকারের আমলে যা-ই ঘটছে, সবকিছুতেই একটা “যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে” ভাব আছে। বিদ্যুৎ যায়, পানি যায়, এখন তেলও যাচ্ছে। শুধু যাচ্ছে না বিএনপির ক্ষমতার লোভ।

বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানাচ্ছে, কোম্পানি থেকে যে তেল আসছে তা দিয়ে চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। ঈদের আগের রাতে পাম্পে ভিড় এতটাই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছিল যে অ্যাম্বুল্যান্সের জন্যও ২০০ লিটার অকটেন আলাদা রাখা যায়নি। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ লোকজন পাম্প জোর করে খুলিয়ে তেল নিয়ে গেছে। ট্যাংকার লুটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাম্পে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। এটা একটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতার সরাসরি ছবি।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ব্যর্থতার দায় কার? বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে যে নির্বাচন করেছে, সেটা নিয়ে একটু কথা বলা দরকার। দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনে, নিজেরা নিজেরা একটা নির্বাচনের আয়োজন করে তারা ক্ষমতায় বসেছে। সেই নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে যায়নি, কারণ মানুষ বুঝেছিল এটা একটা সাজানো নাটক। কিন্তু বিএনপি পরোয়া করেনি। তারা ক্ষমতায় বসেছে, মন্ত্রিসভা বানিয়েছে, এবং এখন সেই মন্ত্রিসভা দেশ চালাচ্ছে বলে দাবি করছে।

সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া এই দলটির ইতিহাস কখনো জনগণের ভেতর থেকে উঠে আসার না। জিয়াউর রহমান সামরিক শক্তির জোরে রাজনীতিতে এসে একটি দল বানিয়েছিলেন, আর সেই দলের মূল চরিত্র আজও একই আছে। ক্ষমতাকে নিজের মনে করা, জনগণকে উপেক্ষা করা, আর নিজেদের সুবিধামতো রাষ্ট্র পরিচালনা করা।

তেলের সংকট, পাম্পে নিরাপত্তাহীনতা, এগুলো কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না। এগুলো প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার ফল। জেলা প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টা উপেক্ষা করছে বলে পাম্প মালিকরা নিজেরাই বলছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নেই। ডিপো থেকে তেল আনার সময় ট্যাংকার লুটের ভয় আছে। এই পরিস্থিতিতে পাম্প মালিকরা বলছেন তেল তোলাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। এরপরও সরকার নীরব।

বিএনপির মন্ত্রীরা এখন কী করছেন? বিবৃতি দিচ্ছেন, সংবাদ সম্মেলন করছেন, আর পরস্পরকে পিঠ চাপড়াচ্ছেন। মাঠের বাস্তবতার সাথে এই সরকারের দূরত্ব এতটাই বেশি যে, পাম্প মালিকরা যখন বলছেন “লুটতরাজ হচ্ছে”, তখন মন্ত্রণালয়ে সম্ভবত কেউ কেউ এখনো বুঝতেই পারছেন না আসলে কী হচ্ছে।

একটা সরকার যখন বৈধতার সংকটে থাকে, তখন তার পক্ষে শাসন করাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ মানুষ তাকে মানে না, প্রশাসন তাকে সম্পূর্ণভাবে আস্থায় নেয় না, আর সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও থাকে না। বিএনপি ঠিক এই জায়গাটায় আছে। একটা ভোটবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকারের নৈতিক জোর থাকে না, আর নৈতিক জোর ছাড়া সংকটের সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। সবেমাত্র তো ফুলফুলানী, পরে হবে গোপাল গাদানী!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ