বীরাঙ্গনা ও লাখ লাখ শহীদকে অপমান করে বাংলাদেশে ‘পাকিস্তান দিবস’ পালন

বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম, লাখো শহীদের রক্ত আর বীর বীরাঙ্গনাদের ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশে আবারও পালিত হলো ‘পাকিস্তান দিবস’। গত ২৩ মার্চ (সোমবার) ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়, যা দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকের মতে, মুক্তিযুদ্ধের অপরাধের জন্য ক্ষমা না চেয়ে এই ধরণের আয়োজন শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের স্মৃতির প্রতি চরম অসম্মান।

সোমবার সকালে ঢাকার গুলশানে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের চ্যান্সারিতে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশটির জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসরত পাকিস্তানি নাগরিক, শিক্ষার্থী, হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গুটিকয়েক স্থানীয় আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এবং পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনের ইতিহাস স্মরণ করা হয়।

হাইকমিশনের বাইরেও বাংলাদেশের ভেতরে কিছু নামসর্বস্ব ও অখ্যাত সংগঠনের পক্ষ থেকে দিবসটি ঘিরে কর্মসূচি পালনের খবর পাওয়া গেছে। তথাকথিত ‘জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ’সহ কয়েকটি ছোট গ্রুপ ঢাকায় পৃথক প্রার্থনা ও সভার আয়োজন করে। স্বাধীন বাংলাদেশে বসে উগ্র বা পাকিস্তানপন্থী মনোভাব নিয়ে এই ধরণের আয়োজনকে অনেকেই গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ১৯৭১ সালের গণহত্যা, লুণ্ঠন ও বীরাঙ্গনাদের ওপর চালানো পাশবিক নির্যাতনের জন্য পাকিস্তান রাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি। এই অমীমাংসিত ক্ষোভের মধ্যেই ঢাকার মাটিতে ঘটা করে পাকিস্তান দিবস উদযাপনকে অনেকেই বাঁকা চোখে দেখছেন।

অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, কূটনৈতিক শিষ্টাচারের দোহাই দিয়ে কতদিন এই ঐতিহাসিক ক্ষতকে উপেক্ষা করা হবে? বিশেষ করে স্থানীয় কিছু সংগঠনের এতে যোগ দেওয়াকে দেখছেন স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা হিসেবে।

বাঙালি জাতির মুক্তির সংগ্রাম, লাখো শহীদের রক্ত আর বীর বীরাঙ্গনাদের ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশে আবারও পালিত হলো ‘পাকিস্তান দিবস’। গত ২৩ মার্চ (সোমবার) ঢাকাস্থ পাকিস্তান হাইকমিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়, যা দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকের মতে, মুক্তিযুদ্ধের অপরাধের জন্য ক্ষমা না চেয়ে এই ধরণের আয়োজন শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের স্মৃতির প্রতি চরম অসম্মান।

সোমবার সকালে ঢাকার গুলশানে অবস্থিত পাকিস্তান হাইকমিশনের চ্যান্সারিতে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দেশটির জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসরত পাকিস্তানি নাগরিক, শিক্ষার্থী, হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গুটিকয়েক স্থানীয় আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এবং পাকিস্তান সৃষ্টির পেছনের ইতিহাস স্মরণ করা হয়।

হাইকমিশনের বাইরেও বাংলাদেশের ভেতরে কিছু নামসর্বস্ব ও অখ্যাত সংগঠনের পক্ষ থেকে দিবসটি ঘিরে কর্মসূচি পালনের খবর পাওয়া গেছে। তথাকথিত ‘জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ’সহ কয়েকটি ছোট গ্রুপ ঢাকায় পৃথক প্রার্থনা ও সভার আয়োজন করে। স্বাধীন বাংলাদেশে বসে উগ্র বা পাকিস্তানপন্থী মনোভাব নিয়ে এই ধরণের আয়োজনকে অনেকেই গভীর উদ্বেগের সাথে দেখছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫ দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ১৯৭১ সালের গণহত্যা, লুণ্ঠন ও বীরাঙ্গনাদের ওপর চালানো পাশবিক নির্যাতনের জন্য পাকিস্তান রাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি। এই অমীমাংসিত ক্ষোভের মধ্যেই ঢাকার মাটিতে ঘটা করে পাকিস্তান দিবস উদযাপনকে অনেকেই বাঁকা চোখে দেখছেন।

অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, কূটনৈতিক শিষ্টাচারের দোহাই দিয়ে কতদিন এই ঐতিহাসিক ক্ষতকে উপেক্ষা করা হবে? বিশেষ করে স্থানীয় কিছু সংগঠনের এতে যোগ দেওয়াকে দেখছেন স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা হিসেবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ