দেশে তীব্র জ্বালানি সংকটেও নির্বিকার সরকার, লুটপাটের জন্য ঋণে চোখ বিএনপির!

নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম মাসেই তীব্র জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নতুন বিএনপি সরকার। একদিকে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের চড়া দামের অজুহাত দেখিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ২ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা) ঋণ খুঁজছে তারা।

রাজনৈতিক মহলে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘লুটপাটের নতুন প্রজেক্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বিশাল অংকের ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বন্ধের পথে পেট্রোল পাম্প, জনভোগান্তি চরমে

নিরাপত্তার অভাব এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

গত রবিবার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটি তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা অত্যন্ত করুণ। অয়েল কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

বিবৃতিতে পাম্প মালিকরা জানান, “দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। তেল দেওয়ার নজেল ম্যানরাও বিরক্ত, তারা গ্রাহকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি আর গণ্ডগোল করতে করতে আর পেরে উঠছেন না। এভাবে বিরামহীন ডিউটি করার অভ্যাসও তাদের নেই। সব মিলিয়ে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলো নিরাপত্তা এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”

চব্বিশের দাঙ্গার পর অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর পেরিয়ে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলেও দেশের অর্থনৈতিক অস্থিরতা কাটেনি। এই সংকটকে পুঁজি করে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির খাত দেখিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের সাথে ঋণ আলোচনা শুরু করেছে সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর শুক্রবার জানান, “আইএমএফ নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমরা তাদের জুলাইয়ের বদলে এখনই তহবিল ছাড় করার অনুরোধ জানাব। এছাড়া এডিবি ও বিশ্ব ব্যাংক থেকেও অতিরিক্ত বাজেট সহায়তার আশা করছি।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধীদের দাবি, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই যে বিশাল ঋণের বোঝা জনগণের ঘাড়ে চাপাচ্ছে, তা আসলে ‘লুটপাটের একটি নতুন প্রজেক্ট’। অর্থনীতিবিদদের মতেও, এভাবে বিদেশি ঋণের ওপর অতি-নির্ভরশীলতা দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতি এবং দেশকে একটি স্থায়ী ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে। জ্বালানির কৃত্রিম সংকটকে সামনে এনে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়ে সরকার জনগণের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন করছে বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

নির্বাচন-পরবর্তী রাষ্ট্র পরিচালনার প্রথম মাসেই তীব্র জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নতুন বিএনপি সরকার। একদিকে ধুঁকতে থাকা অর্থনীতি, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের চড়া দামের অজুহাত দেখিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ২ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা) ঋণ খুঁজছে তারা।

রাজনৈতিক মহলে সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘লুটপাটের নতুন প্রজেক্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। সমালোচকদের মতে, ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বিশাল অংকের ঋণের বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

বন্ধের পথে পেট্রোল পাম্প, জনভোগান্তি চরমে

নিরাপত্তার অভাব এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

গত রবিবার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটি তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থা অত্যন্ত করুণ। অয়েল কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ তেল পাওয়া যাচ্ছে, তা দিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।

বিবৃতিতে পাম্প মালিকরা জানান, “দেশে যে কোটি কোটি মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী আছেন, তারা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। তেল দেওয়ার নজেল ম্যানরাও বিরক্ত, তারা গ্রাহকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি আর গণ্ডগোল করতে করতে আর পেরে উঠছেন না। এভাবে বিরামহীন ডিউটি করার অভ্যাসও তাদের নেই। সব মিলিয়ে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলো নিরাপত্তা এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে।”

চব্বিশের দাঙ্গার পর অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর পেরিয়ে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এলেও দেশের অর্থনৈতিক অস্থিরতা কাটেনি। এই সংকটকে পুঁজি করে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির খাত দেখিয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বিশ্ব ব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের সাথে ঋণ আলোচনা শুরু করেছে সরকার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর শুক্রবার জানান, “আইএমএফ নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমরা তাদের জুলাইয়ের বদলে এখনই তহবিল ছাড় করার অনুরোধ জানাব। এছাড়া এডিবি ও বিশ্ব ব্যাংক থেকেও অতিরিক্ত বাজেট সহায়তার আশা করছি।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিরোধীদের দাবি, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতেই যে বিশাল ঋণের বোঝা জনগণের ঘাড়ে চাপাচ্ছে, তা আসলে ‘লুটপাটের একটি নতুন প্রজেক্ট’। অর্থনীতিবিদদের মতেও, এভাবে বিদেশি ঋণের ওপর অতি-নির্ভরশীলতা দীর্ঘমেয়াদে মুদ্রাস্ফীতি এবং দেশকে একটি স্থায়ী ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে। জ্বালানির কৃত্রিম সংকটকে সামনে এনে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়ে সরকার জনগণের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাচ্ছন্ন করছে বলে মনে করছেন সমালোচকরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ