এবার সালামির নামে ত্রাণের টাকা মেরে খাচ্ছে বিএনপি

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশজুড়ে এক নজিরবিহীন অরাজকতা ও লুটপাটের চিত্র সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের বিপদে সহায়তার জন্য সংরক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ এখন দরিদ্রদের বদলে ছাত্রদল নেতাদের ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে বণ্টন করা হচ্ছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার এই ধরনের “অসাধারণ দলীয় ব্যবহার” নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাতে সরকারি খামের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় এই তহবিল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, ঈদ উপলক্ষে দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে এটি বিলি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রাণ তহবিলের টাকা যখন রাজনৈতিক ক্যাডারদের পকেটে যায়, তখন বুঝতে হবে সুশাসনের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। এটি কেবল রাজনৈতিক অনৈতিকতা নয়, বরং জনগণের আমানতের চরম খেয়ানত। ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি মফস্বলে চলছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের চাল চুরির মহোৎসব।

গাইবান্ধা: গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকালে বিএনপি নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী জোরপূর্বক কয়েকশ স্লিপ কেড়ে নেন। বাধা দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “বিএনপি জোর করে সব কেড়ে নিয়েছে, আমি গরিবের হক রক্ষা করতে পারলাম না।”

সাতক্ষীরা: শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়নে ১০ কেজি চালের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪.৫ থেকে ৫ কেজি। ডিজিটাল স্কেল বাদ দিয়ে বালতিতে করে চাল মেপে অর্ধেকই আত্মসাৎ করছে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা।

রাজধানীতে ছিনতাইকারীর কবলে প্রাণহানি

একদিকে যখন ত্রাণের টাকা ও চাল লুট হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে রাজধানীতে ঝরছে রক্ত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরার হাউজবিল্ডিং এলাকায় ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে অটোরিকশা থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন মুক্তা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ। ঈদের কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বামী লিমন হোসেন জানান, ব্যাগ ধরে টান দেওয়ায় মুক্তা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবহন খাতে ভাড়া সন্ত্রাস

ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি অনুযায়ী, পরিবহন মালিকদের নৈরাজ্যে গত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের ভাড়া সন্ত্রাস। যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের আশ্বাসের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাদের এমন উগ্র আচরণ ও জনগণের অর্থের অপব্যবহার প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার চেয়ে দলীয় স্বার্থই তাদের কাছে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশজুড়ে এক নজিরবিহীন অরাজকতা ও লুটপাটের চিত্র সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের বিপদে সহায়তার জন্য সংরক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ এখন দরিদ্রদের বদলে ছাত্রদল নেতাদের ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে বণ্টন করা হচ্ছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার এই ধরনের “অসাধারণ দলীয় ব্যবহার” নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাতে সরকারি খামের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় এই তহবিল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, ঈদ উপলক্ষে দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে এটি বিলি করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রাণ তহবিলের টাকা যখন রাজনৈতিক ক্যাডারদের পকেটে যায়, তখন বুঝতে হবে সুশাসনের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। এটি কেবল রাজনৈতিক অনৈতিকতা নয়, বরং জনগণের আমানতের চরম খেয়ানত। ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি মফস্বলে চলছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের চাল চুরির মহোৎসব।

গাইবান্ধা: গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকালে বিএনপি নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী জোরপূর্বক কয়েকশ স্লিপ কেড়ে নেন। বাধা দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “বিএনপি জোর করে সব কেড়ে নিয়েছে, আমি গরিবের হক রক্ষা করতে পারলাম না।”

সাতক্ষীরা: শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়নে ১০ কেজি চালের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪.৫ থেকে ৫ কেজি। ডিজিটাল স্কেল বাদ দিয়ে বালতিতে করে চাল মেপে অর্ধেকই আত্মসাৎ করছে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতপন্থীরা।

রাজধানীতে ছিনতাইকারীর কবলে প্রাণহানি

একদিকে যখন ত্রাণের টাকা ও চাল লুট হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে রাজধানীতে ঝরছে রক্ত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরার হাউজবিল্ডিং এলাকায় ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে অটোরিকশা থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন মুক্তা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ। ঈদের কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বামী লিমন হোসেন জানান, ব্যাগ ধরে টান দেওয়ায় মুক্তা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবহন খাতে ভাড়া সন্ত্রাস

ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি অনুযায়ী, পরিবহন মালিকদের নৈরাজ্যে গত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের ভাড়া সন্ত্রাস। যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে। বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের আশ্বাসের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাদের এমন উগ্র আচরণ ও জনগণের অর্থের অপব্যবহার প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার চেয়ে দলীয় স্বার্থই তাদের কাছে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ