বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর পৈশাচিক বর্বরতা, গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাগুলো দেশে যেন এক ‘ধর্ষণের মহোৎসব’ শুরু করেছে। বর্তমান ২০২৬ সালের বিভীষিকাময় চিত্রটি ২০০১-২০০৬ সালের সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে, যা জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বর্তমান চিত্র: কুষ্টিয়া থেকে চট্টগ্রাম—রক্তাক্ত জনপদ

বিগত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নৃশংসতা নতুন সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঙ্কালসার রূপটি উন্মোচিত করেছে:

কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসায় শিশু ধর্ষণ: ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেলের আইসিইউতে মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছে।

নরসিংদীতে বাবার সামনে থেকে অপহরণ ও হত্যা: মাধবদীতে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে।

পাবনায় দাদি-নাতনি খুন: ঈশ্বরদীতে দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে সরিষার ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।

চট্টগ্রামে গলাকাটা লাশ: সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ে ৭-৮ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়, যে পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

ফিরে দেখা ২০০১: সংখ্যালঘু নারীদের ওপর পৈশাচিকতা

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশজুড়ে সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর একই কায়দায় ধর্ষণের তাণ্ডব চালানো হয়েছিল। সেই আমলের উল্লেখযোগ্য কিছু কলঙ্কিত অধ্যায়:

পূর্ণিমা রানী শীলের গণধর্ষণ (২০০১): সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ১৬ বছরের কিশোরী পূর্ণিমা রানী শীলকে তার বাবা-মায়ের সামনেই গণধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনাটি ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক চরম বহিঃপ্রকাশ।

ভোলার চরফ্যাশনে গণধর্ষণ: ২০০১ সালের নির্বাচনের পর এক রাতেই প্রায় ২০০ হিন্দু নারীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধূলিসাৎ করে দেয়।

রিতা রানী দাস (২০০২): ভোলার লালমোহনে ৮ বছরের শিশু রিতা রানী দাসকে বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্ট বখাটেরা গণধর্ষণ করে।

২০১১ সালে জমা দেওয়া এক জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয় যে, ২০০১ পরবর্তী সময়ে ২০০-এর বেশি সংখ্যালঘু নারীকে সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

সারাদেশে যখন এই বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিদ্যমান, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করছেন যে, “পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।” তবে নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

জনসাধারণের অভিযোগ, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী ও অপরাধী গোষ্ঠী নারী ও শিশুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। বর্তমানের এই পরিস্থিতি যদি এখনই কঠোর হাতে দমন করা না হয়, তবে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর পৈশাচিক বর্বরতা, গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাগুলো দেশে যেন এক ‘ধর্ষণের মহোৎসব’ শুরু করেছে। বর্তমান ২০২৬ সালের বিভীষিকাময় চিত্রটি ২০০১-২০০৬ সালের সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে, যা জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বর্তমান চিত্র: কুষ্টিয়া থেকে চট্টগ্রাম—রক্তাক্ত জনপদ

বিগত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নৃশংসতা নতুন সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঙ্কালসার রূপটি উন্মোচিত করেছে:

কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসায় শিশু ধর্ষণ: ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার মাওলানা সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। শিশুটি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেলের আইসিইউতে মৃত্যুযন্ত্রণা ভোগ করছে।

নরসিংদীতে বাবার সামনে থেকে অপহরণ ও হত্যা: মাধবদীতে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে।

পাবনায় দাদি-নাতনি খুন: ঈশ্বরদীতে দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করে সরিষার ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।

চট্টগ্রামে গলাকাটা লাশ: সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ে ৭-৮ বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করা হয়, যে পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

ফিরে দেখা ২০০১: সংখ্যালঘু নারীদের ওপর পৈশাচিকতা

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশজুড়ে সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর একই কায়দায় ধর্ষণের তাণ্ডব চালানো হয়েছিল। সেই আমলের উল্লেখযোগ্য কিছু কলঙ্কিত অধ্যায়:

পূর্ণিমা রানী শীলের গণধর্ষণ (২০০১): সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ১৬ বছরের কিশোরী পূর্ণিমা রানী শীলকে তার বাবা-মায়ের সামনেই গণধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনাটি ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার এক চরম বহিঃপ্রকাশ।

ভোলার চরফ্যাশনে গণধর্ষণ: ২০০১ সালের নির্বাচনের পর এক রাতেই প্রায় ২০০ হিন্দু নারীকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধূলিসাৎ করে দেয়।

রিতা রানী দাস (২০০২): ভোলার লালমোহনে ৮ বছরের শিশু রিতা রানী দাসকে বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্ট বখাটেরা গণধর্ষণ করে।

২০১১ সালে জমা দেওয়া এক জুডিশিয়াল কমিশনের রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয় যে, ২০০১ পরবর্তী সময়ে ২০০-এর বেশি সংখ্যালঘু নারীকে সুপরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল।

সারাদেশে যখন এই বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিদ্যমান, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করছেন যে, “পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।” তবে নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

জনসাধারণের অভিযোগ, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী ও অপরাধী গোষ্ঠী নারী ও শিশুদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। বর্তমানের এই পরিস্থিতি যদি এখনই কঠোর হাতে দমন করা না হয়, তবে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ