রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নতুন এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমন যেন একটা বড় ধাক্কা! না, সংসদের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য নয়—বরং সংসদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ বানিয়ে দেওয়ার জন্য।

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনেই পয়েন্ট অব অর্ডার উঠাতে দাঁড়িয়ে গেলেন হাসনাত। হাসনাত পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্পিকার তাকে অনুমতি দেননি। এ নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্পিকার তাকে বোঝান যে পয়েন্ট অব অর্ডার কখন ও কীভাবে উত্থাপন করতে হয়!” কিন্তু হাসনাতের কানে কি ঢোকে? তিনি তো ভাবছেন এটা রাজু ভাস্কর্যের সামনে মাইক হাতে স্লোগান দেওয়ার মতো! এরইমধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

হাসনাতের নির্বুদ্ধিতার আরেক উদাহরণ ছিল তারপর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ভাষণের দিন। হাসনাত গর্জে উঠলেন, “ফ্যাসিস্টের নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনা গাদ্দারি!” ওয়াক আউট করলেন, বিরোধী দলের সাথে মিলে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।

সংসদ থেকে বেরোনোর সময় নাহিদ ইসলামরা ধরে নিয়ে গেলেন যেন রাজুতে মিছিল শুরু হয়ে গেছে!
শপথ গ্রহণের দিন? সেই বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি পরে হাজির! সংসদের মর্যাদা? কী সেটা? হাসনাতের কাছে তো সংসদ মানে রাজপথের এক্সটেনশন। জুলাই দাঙ্গার জার্সি এখন সংসদের ইউনিফর্ম!

আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার—৫ আগস্টের পর সংসদ ভবনে ভাঙচুর, সম্প্রতি আবার মবের চেষ্টা—এসবের সাথে হাসনাতের স্টাইল একদম মিলে যায়। কোনো ইস্যু হলেই তার একটাই ডাক ছিল, “সবাই রাজুতে আয়!”

হাসনাত এখনও রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস মনে করছেন, আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ! সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী ও নীতি-নির্ধারণী জনপ্রতিনিধিত্বমূলক এই সংস্থাকে প্রতিবাদের মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছেন তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদে এসেছেন রাজনীতি করতে নয়, রাজু ভাস্কর্যের স্টাইলে ‘প্রতিবাদ’ করতে! এবারের সংসদ ‘ইনসাফের সংসদ’ হবে বলেছিলেন—কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এটা আসলে ‘রাজু-সংসদ’! নির্বোধ না হলে কি এমন চিন্তা করা যায়?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে নতুন এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহর আগমন যেন একটা বড় ধাক্কা! না, সংসদের মর্যাদা বাড়ানোর জন্য নয়—বরং সংসদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ বানিয়ে দেওয়ার জন্য।

সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনেই পয়েন্ট অব অর্ডার উঠাতে দাঁড়িয়ে গেলেন হাসনাত। হাসনাত পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু স্পিকার তাকে অনুমতি দেননি। এ নিয়ে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, স্পিকার তাকে বোঝান যে পয়েন্ট অব অর্ডার কখন ও কীভাবে উত্থাপন করতে হয়!” কিন্তু হাসনাতের কানে কি ঢোকে? তিনি তো ভাবছেন এটা রাজু ভাস্কর্যের সামনে মাইক হাতে স্লোগান দেওয়ার মতো! এরইমধ্যে এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

হাসনাতের নির্বুদ্ধিতার আরেক উদাহরণ ছিল তারপর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ভাষণের দিন। হাসনাত গর্জে উঠলেন, “ফ্যাসিস্টের নিয়োগ দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনা গাদ্দারি!” ওয়াক আউট করলেন, বিরোধী দলের সাথে মিলে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।

সংসদ থেকে বেরোনোর সময় নাহিদ ইসলামরা ধরে নিয়ে গেলেন যেন রাজুতে মিছিল শুরু হয়ে গেছে!
শপথ গ্রহণের দিন? সেই বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি পরে হাজির! সংসদের মর্যাদা? কী সেটা? হাসনাতের কাছে তো সংসদ মানে রাজপথের এক্সটেনশন। জুলাই দাঙ্গার জার্সি এখন সংসদের ইউনিফর্ম!

আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার—৫ আগস্টের পর সংসদ ভবনে ভাঙচুর, সম্প্রতি আবার মবের চেষ্টা—এসবের সাথে হাসনাতের স্টাইল একদম মিলে যায়। কোনো ইস্যু হলেই তার একটাই ডাক ছিল, “সবাই রাজুতে আয়!”

হাসনাত এখনও রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস মনে করছেন, আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশ! সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী ও নীতি-নির্ধারণী জনপ্রতিনিধিত্বমূলক এই সংস্থাকে প্রতিবাদের মঞ্চ বানিয়ে ফেলেছেন তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ সংসদে এসেছেন রাজনীতি করতে নয়, রাজু ভাস্কর্যের স্টাইলে ‘প্রতিবাদ’ করতে! এবারের সংসদ ‘ইনসাফের সংসদ’ হবে বলেছিলেন—কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এটা আসলে ‘রাজু-সংসদ’! নির্বোধ না হলে কি এমন চিন্তা করা যায়?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ