ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা

সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগে একসময় দলের পদ স্থগিত হয়েছিল। অথচ সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই এখন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বে বসিয়েছে বিএনপি। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ব্যক্তি হলেন বিলকিস জাহান শিরিন।

ভুক্তভোগী এবিএম সালাউদ্দিন খান দাবি করেছেন, বরিশাল নগরের ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে তাদের পারিবারিক সম্পত্তির মাত্র এক শতাংশ জমি কেনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুরো বাড়িটিই দখল করে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেই ভবনেই বসবাস করছেন বিলকিস জাহান শিরিন এবং তার পরিবারের সদস্যরা।

বিলকিস জাহান শিরিন প্রথমে জমির অংশ কিনে নিচতলা দখল নেয়। পরে তার ভাড়াটিয়াদের জোর করে বের করে দেওয়া হয় এবং বাধা দিতে গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।মাত্র এক শতাংশ জমির মালিকানা দেখিয়ে পুরো দুই শতাংশের বাড়ি এবং পরবর্তীতে তিনতলা ভবন নির্মাণ করে পুরো সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভবনের একাংশ ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং অন্য অংশে বসবাস করছেন অভিযুক্তদের পরিবার।

অভিযোগ আরও আছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার পরপরই এলাকায় একটি সরকারি পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করার ঘটনাতেও নাম জড়ায় বিলকিস জাহান শিরিনের।এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরিশালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল, ভয়ভীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার এখন একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। সরকারি পুকুর ভরাট থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সম্পত্তি দখল—সবকিছুর পেছনে রয়েছে একই ছায়া।

যার বিরুদ্ধে বারবার ভূমি দস্যুতার অভিযোগ, যার নাম দখলদারির সঙ্গে জড়িয়ে আছে—তাকেই যদি প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এটা শুধু একজন ব্যক্তির কাহিনি নয়; এটি এমন এক রাজনীতির প্রতিচ্ছবি, যেখানে ভূমি দস্যুরা ক্ষমতার ছত্রছায়ায় পুরস্কৃত হয় আর প্রকৃত মালিকরা নিজের ঘর হারিয়ে পথে পথে ঘোরে।

বরিশালের মানুষের এখন একটাই প্রশ্ন —দখলদারকে যদি প্রশাসক বানানো হয়, তাহলে ন্যায়বিচার চাইবে কার কাছে?

সরকারি পুকুর দখলের অভিযোগে একসময় দলের পদ স্থগিত হয়েছিল। অথচ সেই বিতর্কিত ব্যক্তিকেই এখন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্বে বসিয়েছে বিএনপি। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ব্যক্তি হলেন বিলকিস জাহান শিরিন।

ভুক্তভোগী এবিএম সালাউদ্দিন খান দাবি করেছেন, বরিশাল নগরের ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডে তাদের পারিবারিক সম্পত্তির মাত্র এক শতাংশ জমি কেনার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুরো বাড়িটিই দখল করে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সেই ভবনেই বসবাস করছেন বিলকিস জাহান শিরিন এবং তার পরিবারের সদস্যরা।

বিলকিস জাহান শিরিন প্রথমে জমির অংশ কিনে নিচতলা দখল নেয়। পরে তার ভাড়াটিয়াদের জোর করে বের করে দেওয়া হয় এবং বাধা দিতে গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।মাত্র এক শতাংশ জমির মালিকানা দেখিয়ে পুরো দুই শতাংশের বাড়ি এবং পরবর্তীতে তিনতলা ভবন নির্মাণ করে পুরো সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ভবনের একাংশ ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং অন্য অংশে বসবাস করছেন অভিযুক্তদের পরিবার।

অভিযোগ আরও আছে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার পরপরই এলাকায় একটি সরকারি পুকুর বালু দিয়ে ভরাট করার ঘটনাতেও নাম জড়ায় বিলকিস জাহান শিরিনের।এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরিশালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখল, ভয়ভীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার এখন একটি নিয়মে পরিণত হয়েছে। সরকারি পুকুর ভরাট থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত সম্পত্তি দখল—সবকিছুর পেছনে রয়েছে একই ছায়া।

যার বিরুদ্ধে বারবার ভূমি দস্যুতার অভিযোগ, যার নাম দখলদারির সঙ্গে জড়িয়ে আছে—তাকেই যদি প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এটা শুধু একজন ব্যক্তির কাহিনি নয়; এটি এমন এক রাজনীতির প্রতিচ্ছবি, যেখানে ভূমি দস্যুরা ক্ষমতার ছত্রছায়ায় পুরস্কৃত হয় আর প্রকৃত মালিকরা নিজের ঘর হারিয়ে পথে পথে ঘোরে।

বরিশালের মানুষের এখন একটাই প্রশ্ন —দখলদারকে যদি প্রশাসক বানানো হয়, তাহলে ন্যায়বিচার চাইবে কার কাছে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ