১৯৭১ সালের ১২ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার চূড়ান্ত অভিযাত্রা

১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রতিটি দিন ছিল বাঙালি জাতির জন্য একেকটি অগ্নিপরীক্ষা। ৭ মার্চের সেই মহাকাব্যিক ভাষণের পর পুরো বাংলাদেশ তখন বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি হেলনে পরিচালিত একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছিল। আজ ১২ মার্চ; ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ কেবল ঢাকা সেনানিবাসের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

১২ মার্চ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের একাদশ দিন। এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক বিবৃতিতে শোষক গোষ্ঠীর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো শক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রকণ্ঠই ছিল বাঙালির একমাত্র আইন। তাঁর নির্দেশে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং প্রতিটি পাড়ায়-মহল্লায় ‘সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি সেদিন এক অবিচ্ছেদ্য সত্তায় পরিণত হয়েছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

১২ মার্চের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল সিভিল সার্ভিসের বাঙালি কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য সমর্থন। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে গিয়ে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। এর ফলে পাকিস্তান সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, বিশ্ব গণমাধ্যমে তখন বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হতে শুরু করেছে। বিদেশি সাংবাদিকরা ঢাকার রাজপথে বাঙালির অদম্য সাহস দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন প্রমাণ করেছিলেন, একটি জাতিকে বন্দুকের নল দিয়ে নয়, বরং ভালোবাসা ও আদর্শ দিয়ে শাসন করা যায়।

১৯৭১ সালের ১২ মার্চ ঢাকার আকাশে-বাতাসে কেবল একটিই ধ্বনি ছিল—”জয় বাংলা”। শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা রাজপথে নেমে এসে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু তখন কেবল সাত কোটি বাঙালির নেতা নন, তিনি হয়ে উঠেছিলেন শৃঙ্খলমুক্তির এক অবিনাশী প্রতীক। ১২ মার্চের এই গণজাগরণই ২৫ মার্চের কালো রাত এবং পরবর্তী নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।

১২ আজ ২০২৬ সালের এই ১২ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন একটি ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, তখন সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আমাদের প্রেরণা জোগায়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির যে আত্মত্যাগ, তার ফসল আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রতিটি দিন ছিল বাঙালি জাতির জন্য একেকটি অগ্নিপরীক্ষা। ৭ মার্চের সেই মহাকাব্যিক ভাষণের পর পুরো বাংলাদেশ তখন বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি হেলনে পরিচালিত একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছিল। আজ ১২ মার্চ; ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছিল যেখানে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ কেবল ঢাকা সেনানিবাসের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

১২ মার্চ ছিল অসহযোগ আন্দোলনের একাদশ দিন। এদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক বিবৃতিতে শোষক গোষ্ঠীর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছিলেন, বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো শক্তিই আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারবে না।

বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রকণ্ঠই ছিল বাঙালির একমাত্র আইন। তাঁর নির্দেশে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ রাখা হয়েছিল এবং প্রতিটি পাড়ায়-মহল্লায় ‘সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতি সেদিন এক অবিচ্ছেদ্য সত্তায় পরিণত হয়েছিল, যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

১২ মার্চের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল সিভিল সার্ভিসের বাঙালি কর্মকর্তাদের প্রকাশ্য সমর্থন। এদিন পূর্ব পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে গিয়ে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। এর ফলে পাকিস্তান সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, বিশ্ব গণমাধ্যমে তখন বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হতে শুরু করেছে। বিদেশি সাংবাদিকরা ঢাকার রাজপথে বাঙালির অদম্য সাহস দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন প্রমাণ করেছিলেন, একটি জাতিকে বন্দুকের নল দিয়ে নয়, বরং ভালোবাসা ও আদর্শ দিয়ে শাসন করা যায়।

১৯৭১ সালের ১২ মার্চ ঢাকার আকাশে-বাতাসে কেবল একটিই ধ্বনি ছিল—”জয় বাংলা”। শিল্পী, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবীরা রাজপথে নেমে এসে বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু তখন কেবল সাত কোটি বাঙালির নেতা নন, তিনি হয়ে উঠেছিলেন শৃঙ্খলমুক্তির এক অবিনাশী প্রতীক। ১২ মার্চের এই গণজাগরণই ২৫ মার্চের কালো রাত এবং পরবর্তী নয় মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিল।

১২ আজ ২০২৬ সালের এই ১২ মার্চে দাঁড়িয়ে আমরা যখন একটি ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, তখন সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা আমাদের প্রেরণা জোগায়। বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির যে আত্মত্যাগ, তার ফসল আজকের এই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ