দেশের ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলার নির্মম ছবি

ছিনতাইকারীর হাত থেকে অটোরিকশা বাঁচাতে গিয়ে ট্রাক চাপায় প্রাণ দিল ১৫ বছরের শান্ত। এই বয়সে কারো স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করার কথা, স্বপ্ন দেখার কথা। কিন্তু শান্তের জীবনে বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। সংসারের একটু সহায়তা করার আশায় বাবার অটোরিকশা নিয়ে সে বের হয়েছিল রাতে কিছু টাকা রোজগার করবে বলে।

সে জানত না, সেদিনের সেই যাত্রাই হবে তার জীবনের শেষ যাত্রা।

যাত্রীবেশে দুজন মানুষ তার অটোরিকশায় উঠেছিল। হয়তো শান্ত ভেবেছিল আজ ভালো ভাড়া পাওয়া যাবে। কিন্তু তারা যাত্রী ছিল না, তারা ছিল ছিনতাইকারী। নির্জন জায়গায় পৌঁছে তারা তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় রাস্তার পাশের ডোবায়, আর নিয়ে পালাতে থাকে তার বাবার একমাত্র সম্বল সেই অটোরিকশাটি।

একটা ১৫ বছরের ছেলে… ডোবা থেকে উঠে দাঁড়ায়। নিজের সবকিছু হারাতে বসেছে দেখে অটোরিকশার পেছনে দৌড়াতে শুরু করে।

ভাবুন একবার- সে দৌড়াচ্ছিল শুধু একটা গাড়ির জন্য না, দৌড়াচ্ছিল তার বাবার কষ্টের রোজগারের একমাত্র অবলম্বনের জন্য, তার পরিবারের জন্য। কিন্তু ভাগ্য যেন আরও নিষ্ঠুর ছিল। পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। রাস্তার ওপরই শেষ হয়ে যায় শান্তের ছোট্ট জীবনটা।

আজ ঘুরে ফিরে শুধু একটাই প্রশ্ন সামনে আসে… আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেন অকার্যকর হয়ে পরেছে? কেন ছিনতাইকারীরা এতটা বেপরোয়া?

বর্তমান বিএনপি সরকারের অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা যে কতটা ভেঙে পড়েছে, শান্ত কুমার সাহার মৃত্যু তার নির্মম উদাহরণ। যেখানে অপরাধীরা ভয় পায় না, সাধারণ মানুষই প্রতিদিন মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থাকে। অপরাধ করলে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়না, শাস্তি পেতে হয়না। বরং এখন সন্ত্রাসীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে। শান্ত শুধু একটা নাম না। শান্ত হলো এই দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিচ্ছবি।

ছিনতাইকারীর হাত থেকে অটোরিকশা বাঁচাতে গিয়ে ট্রাক চাপায় প্রাণ দিল ১৫ বছরের শান্ত। এই বয়সে কারো স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করার কথা, স্বপ্ন দেখার কথা। কিন্তু শান্তের জীবনে বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। সংসারের একটু সহায়তা করার আশায় বাবার অটোরিকশা নিয়ে সে বের হয়েছিল রাতে কিছু টাকা রোজগার করবে বলে।

সে জানত না, সেদিনের সেই যাত্রাই হবে তার জীবনের শেষ যাত্রা।

যাত্রীবেশে দুজন মানুষ তার অটোরিকশায় উঠেছিল। হয়তো শান্ত ভেবেছিল আজ ভালো ভাড়া পাওয়া যাবে। কিন্তু তারা যাত্রী ছিল না, তারা ছিল ছিনতাইকারী। নির্জন জায়গায় পৌঁছে তারা তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় রাস্তার পাশের ডোবায়, আর নিয়ে পালাতে থাকে তার বাবার একমাত্র সম্বল সেই অটোরিকশাটি।

একটা ১৫ বছরের ছেলে… ডোবা থেকে উঠে দাঁড়ায়। নিজের সবকিছু হারাতে বসেছে দেখে অটোরিকশার পেছনে দৌড়াতে শুরু করে।

ভাবুন একবার- সে দৌড়াচ্ছিল শুধু একটা গাড়ির জন্য না, দৌড়াচ্ছিল তার বাবার কষ্টের রোজগারের একমাত্র অবলম্বনের জন্য, তার পরিবারের জন্য। কিন্তু ভাগ্য যেন আরও নিষ্ঠুর ছিল। পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে চাপা দেয়। রাস্তার ওপরই শেষ হয়ে যায় শান্তের ছোট্ট জীবনটা।

আজ ঘুরে ফিরে শুধু একটাই প্রশ্ন সামনে আসে… আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেন অকার্যকর হয়ে পরেছে? কেন ছিনতাইকারীরা এতটা বেপরোয়া?

বর্তমান বিএনপি সরকারের অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা যে কতটা ভেঙে পড়েছে, শান্ত কুমার সাহার মৃত্যু তার নির্মম উদাহরণ। যেখানে অপরাধীরা ভয় পায় না, সাধারণ মানুষই প্রতিদিন মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে থাকে। অপরাধ করলে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়না, শাস্তি পেতে হয়না। বরং এখন সন্ত্রাসীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে। শান্ত শুধু একটা নাম না। শান্ত হলো এই দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিচ্ছবি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ