শত চেষ্টা করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি বাঙালিদের

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া সেই বজ্রকণ্ঠের ভাষণটি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। কিন্তু ২০২৬ সালের এই দিনে সেই ভাষণ ও স্মৃতিকে স্মরণ করার পথটি ছিল অবরুদ্ধ ও কড়াকড়িতে পূর্ণ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে দিনটি পালনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। তবে এত বাধা ও গ্রেপ্তার-আতঙ্ক সত্ত্বেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে দিনটি পালনের চেষ্টা করেছে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা।

দুপুরের দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল ও শাহবাগ সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাউন্ড বক্সে ভাষণটি প্রচার করার সময় পুলিশ বাধা দেয় এবং আসিফসহ মোট দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, বর্তমানে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কায় তাদের আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সাউন্ড সিস্টেমটিও জব্দ করা হয়।

ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা নিবেদনের চেষ্টা: ৪ জন গ্রেপ্তার

এদিকে সকাল থেকেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী। আওয়ামী লীগের কর্মীরা মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। এ সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের অভিমুখে যাওয়ার পথে তিন নারীসহ মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনে’ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ সূত্র।

সারাদেশে ব্যাপক গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া না গেলেও রাজধানী ঢাকার এই ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলগতভাবে কোনো কর্মসূচি পালনের অনুমতি ছিল না। তবুও “শত চেষ্টা করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি বাঙালিদের”—বঙ্গবন্ধুর ভাষণের এই অমর পঙক্তিটিকে ধারণ করে কিছু মানুষ সাহসের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানানোর চেষ্টা করেছেন।

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া সেই বজ্রকণ্ঠের ভাষণটি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। কিন্তু ২০২৬ সালের এই দিনে সেই ভাষণ ও স্মৃতিকে স্মরণ করার পথটি ছিল অবরুদ্ধ ও কড়াকড়িতে পূর্ণ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার ফলে দিনটি পালনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। তবে এত বাধা ও গ্রেপ্তার-আতঙ্ক সত্ত্বেও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে দিনটি পালনের চেষ্টা করেছে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা।

দুপুরের দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল ও শাহবাগ সংলগ্ন এলাকায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা ঘটে। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আসিফ আহমেদকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাউন্ড বক্সে ভাষণটি প্রচার করার সময় পুলিশ বাধা দেয় এবং আসিফসহ মোট দুজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, বর্তমানে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কায় তাদের আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সাউন্ড সিস্টেমটিও জব্দ করা হয়।

ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা নিবেদনের চেষ্টা: ৪ জন গ্রেপ্তার

এদিকে সকাল থেকেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী। আওয়ামী লীগের কর্মীরা মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। এ সময় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের অভিমুখে যাওয়ার পথে তিন নারীসহ মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনে’ মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ সূত্র।

সারাদেশে ব্যাপক গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া না গেলেও রাজধানী ঢাকার এই ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলগতভাবে কোনো কর্মসূচি পালনের অনুমতি ছিল না। তবুও “শত চেষ্টা করেও দাবিয়ে রাখা যায়নি বাঙালিদের”—বঙ্গবন্ধুর ভাষণের এই অমর পঙক্তিটিকে ধারণ করে কিছু মানুষ সাহসের সঙ্গে শ্রদ্ধা জানানোর চেষ্টা করেছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ