রাজনৈতিক স্বার্থে ৩০৪ কোটি টাকার ঋণ, হাজারো কর্মী ছাঁটাই, আর রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট—ড. মোমেন এবং অবৈধ ইউনুসের যুগে বিমান বাংলাদেশ।
যখন ড. এমএ মোমেন বাংলাদেশ বিমান–এর এমডি ছিলেন, তখন প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক চাপে, দুর্নীতি ও স্বার্থপরতার ফাঁদে পড়েছিল। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন অবৈধ ইউনুস আমলের কর্মকর্তারা, যারা রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে কর্মী ছাঁটাই, আর্থিক অনিয়ম এবং সম্পদের অপব্যবহারকে স্বাভাবিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
যখন ড. এমএ মোমেন বাংলাদেশ বিমান–এর এমডি ছিলেন, তখন প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক চাপে, অনিয়ম আর স্বার্থপরতার ফাঁদে পড়ে। বিশ্ব ব্যাংক থেকে ৩০৪ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরও—যার সুদ ও দায় এখনও বিমান বহন করছে—দায়ভার বহন করার বদলে তিনি ব্যবহার করেছেন তা শুধুমাত্র স্বীয় স্বার্থে।
ভলান্টারি রিটায়ারমেন্ট স্কিমের নামে ২১৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করা হয়, অথচ সংস্থার জনবল বা কার্যকারিতা কখনোই অতিরিক্ত ছিল না। অনৈতিকভাবে তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, পরে আবার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে জনবল ‘পরিকল্পিত’ভাবে পুনর্গঠন করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক কৌশল নয়, এটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী সিদ্ধান্তের লোপ।
২০০৮ সালের দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে—বিমান প্রকৌশল শাখা, লিজ চুক্তি, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, পেনাল্টি আদায় ও কোটি কোটি টাকা ক্ষতি। একের পর এক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও অনিয়মের জাল বিছিয়ে প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতির কবলে ফেলা হয়।
রাজনৈতিক কৌশল ও দলীয় স্বার্থে নেওয়া এসব পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ৩০৪ কোটি টাকা ঋণ এবং দায়িত্বে অতিরিক্ত ক্ষমতার অপব্যবহার স্পষ্ট করে—যে কোনো রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে স্বার্থসিদ্ধি কতটা ভয়াবহ হতে পারে।
ড. মোমেন এবং অবৈধ ইউনুসের যুগে বিমান বাংলাদেশ হয়ে ওঠে স্বার্থসিদ্ধি ও রাজনৈতিক লোভের কেন্দ্র। সাধারণ কর্মীর অধিকার, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং দেশের অর্থনীতি—সবই তাদের স্বার্থপর সিদ্ধান্তের শিকার হয়।
এ ঘটনা প্রমাণ করে, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দুর্নীতি কেবল ব্যক্তি নয়, পুরো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে।

