বিএনপি ক্ষমতায় বসার পর সারাদেশে নারী-শিশু হত্যা ও ধর্ষণের মহোৎসব

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি; বরং গত কয়েকদিনে নরসিংদী, পাবনা ও চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া একের পর এক নৃশংস ধর্ষণ, হত্যা ও প্রকাশ্য গুলিবর্ষণের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর পৈশাচিক বর্বরতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নরসিংদীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা

গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নরসিংদীর মাধবদীতে এক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই অপহরণ করে নিয়ে যায় স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ নূরা ও তার চক্র। অপহরণের পর তাকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয় ফসলের জমিতে। পুলিশ এই ঘটনায় মূল আসামিসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেও এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পাবনায় দাদি-নাতনিকে পৈশাচিক কায়দায় খুন

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বর্বরতার সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ৬৫ বছর বয়সী সুফিয়া খাতুনকে বাড়ির উঠানেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার ১৫ বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তারকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর সরিষার ক্ষেতে ফেলে হত্যা করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এই ঘটনায় স্বজনদেরই সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১ মার্চ বোটানিক্যাল গার্ডেনের দুর্গম পাহাড়ে ৭-৮ বছরের এক কন্যাশিশুকে অত্যন্ত বীভৎস অবস্থায় পাওয়া যায়। শিশুটির শ্বাসনালি কাটা ছিল এবং পরনের কাপড় ছিল না। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ মার্চ রাতে শিশুটি মারা যায়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যেই গলা কেটে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনাটি চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশি পাহারার মধ্যেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলিবর্ষণ

এদিকে শুধু নারী-শিশু নির্যাতনই নয়, বেড়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দাপটও। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে পুলিশি পাহারার তোয়াক্কা না করেই সন্ত্রাসীরা মুহুর্মুহু গুলি চালায়। কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে এই দুঃসাহসিক হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খোদ পুলিশি পাহারার মধ্যে এমন হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম ভঙ্গুর দশাকেই স্পষ্ট করে।

জনমনে উদ্বেগ ও প্রশাসনের দাবি

সারাদেশে যখন এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তবে বাস্তবে সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি; বরং গত কয়েকদিনে নরসিংদী, পাবনা ও চট্টগ্রামে ঘটে যাওয়া একের পর এক নৃশংস ধর্ষণ, হত্যা ও প্রকাশ্য গুলিবর্ষণের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের ওপর পৈশাচিক বর্বরতা বেড়ে যাওয়ায় নতুন সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নরসিংদীতে কিশোরীকে তুলে নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা

গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নরসিংদীর মাধবদীতে এক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই অপহরণ করে নিয়ে যায় স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ নূরা ও তার চক্র। অপহরণের পর তাকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ শেষে হত্যার পর লাশ ফেলে রাখা হয় ফসলের জমিতে। পুলিশ এই ঘটনায় মূল আসামিসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেও এলাকায় এখনো চাপা উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পাবনায় দাদি-নাতনিকে পৈশাচিক কায়দায় খুন

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বর্বরতার সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ৬৫ বছর বয়সী সুফিয়া খাতুনকে বাড়ির উঠানেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার ১৫ বছর বয়সী নাতনি জামিলা আক্তারকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর সরিষার ক্ষেতে ফেলে হত্যা করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধারের পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এই ঘটনায় স্বজনদেরই সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১ মার্চ বোটানিক্যাল গার্ডেনের দুর্গম পাহাড়ে ৭-৮ বছরের এক কন্যাশিশুকে অত্যন্ত বীভৎস অবস্থায় পাওয়া যায়। শিশুটির শ্বাসনালি কাটা ছিল এবং পরনের কাপড় ছিল না। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ মার্চ রাতে শিশুটি মারা যায়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যেই গলা কেটে দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনাটি চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

পুলিশি পাহারার মধ্যেই ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলিবর্ষণ

এদিকে শুধু নারী-শিশু নির্যাতনই নয়, বেড়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দাপটও। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম নগরের চন্দনপুরায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে পুলিশি পাহারার তোয়াক্কা না করেই সন্ত্রাসীরা মুহুর্মুহু গুলি চালায়। কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে এই দুঃসাহসিক হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খোদ পুলিশি পাহারার মধ্যে এমন হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম ভঙ্গুর দশাকেই স্পষ্ট করে।

জনমনে উদ্বেগ ও প্রশাসনের দাবি

সারাদেশে যখন এমন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি, তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন যে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তবে বাস্তবে সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ