Sunday, March 1, 2026

মব আতঙ্কে সরকারি বাসভবন ছাড়তে চাইছেন না ইউনূসসহ মবের হোতারা

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টারা বারবার দলমত নির্বিশেষে নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ১৭-১৮ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিক নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। এই সময়ে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ জন। এ ছাড়া কারাগারে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।

বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই মব সহিংসতার আতঙ্কে আছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। দেশে আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থার কারণে তারা এখন জনরোষের কবলে পড়ার ভয় পাচ্ছেন।

এই নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তারা আপাতত সরকারি বাসভবন ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করছেন। তবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তাদের বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ আরও এক-দুই মাস থাকতে চাইলে তাকে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। আবাসন পরিদপ্তর ইতোমধ্যে মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডের বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্টগুলো খালি করে নতুন সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সাবেক এক উপদেষ্টা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভবন ভাঙচুর, আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর হামলা, নির্বিচারে মামলা, মাজার ভাঙচুর এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এসব ব্যর্থতার কারণে সাবেক উপদেষ্টাদের অনেকেই এখন দুশ্চিন্তায় আছেন।

তথ্যমতে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলতি মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে তার গুলশানের বাসভবনে ফিরে যাবেন। অন্যদিকে বর্তমান সরকারের ৪৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং অন্যান্য পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে আবাসন পরিদপ্তর দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করেছে যাতে মার্চের মধ্যেই নতুন বরাদ্দ সম্পন্ন করা যায়।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টারা বারবার দলমত নির্বিশেষে নাগরিকের মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, বিগত ১৭-১৮ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতা, মব ভায়োলেন্স, সাংবাদিক নির্যাতন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। এই সময়ে গণপিটুনি ও মব সহিংসতার ৪১৩টি ঘটনায় ২৫৯ জন নিহত হয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে ও নির্যাতনে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ জন। এ ছাড়া কারাগারে মৃত্যু হয়েছে ১২৭ জনের।

বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই মব সহিংসতার আতঙ্কে আছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা ও শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ। দেশে আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থার কারণে তারা এখন জনরোষের কবলে পড়ার ভয় পাচ্ছেন।

এই নিরাপত্তাহীনতার কারণেই তারা আপাতত সরকারি বাসভবন ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করছেন। তবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, চলতি ফেব্রুয়ারির মধ্যেই তাদের বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে কেউ আরও এক-দুই মাস থাকতে চাইলে তাকে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। আবাসন পরিদপ্তর ইতোমধ্যে মিন্টো রোড ও হেয়ার রোডের বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্টগুলো খালি করে নতুন সরকারের মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

সাবেক এক উপদেষ্টা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ভবন ভাঙচুর, আওয়ামী লীগ নেতাদের ওপর হামলা, নির্বিচারে মামলা, মাজার ভাঙচুর এবং আন্দোলনের সমন্বয়কদের চাঁদাবাজির মতো ঘটনায় জনগণের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। এসব ব্যর্থতার কারণে সাবেক উপদেষ্টাদের অনেকেই এখন দুশ্চিন্তায় আছেন।

তথ্যমতে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চলতি মাসের মধ্যেই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ছেড়ে তার গুলশানের বাসভবনে ফিরে যাবেন। অন্যদিকে বর্তমান সরকারের ৪৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং অন্যান্য পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে আবাসন পরিদপ্তর দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করেছে যাতে মার্চের মধ্যেই নতুন বরাদ্দ সম্পন্ন করা যায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ