Sunday, March 1, 2026

পুলিশ হত্যার বিচার হবে শুনে কপালে ভাঁজ এনসিপি নেতাদের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হতেই কপালে ভাঁজ পড়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র শীর্ষ নেতাদের। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যে এনসিপি নেতৃত্বের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই দাঙ্গা চলাকালে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের অঙ্গীকার করেছেন। এদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার ঘটনা পুনঃতদন্ত ও বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, সেটিই সঠিক।

এদিকে পুলিশ হত্যার বিচারের কথা শুনে কপালে ভাঁজ পড়েছে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের। তিনি বলেছেন, পুলিশ হত্যার বিচারের আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিচার প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এনসিপির সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে কোনো কূল না পেয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে বিএনপি পুলিশ হত্যা করেছে।

এ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। তিনি চ্যানেল ওয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আমার কাছে এমনও ছবি আছে যে সন্দেহজনক যে এরা কারা এদের গঠন আমাদের মতো না। আমি বহিরাগত শব্দটা ব্যবহার করেছি আমাদের দেশে স্নাইপার আছে পুলিশের কাছে আছে সেনাবাহিনীর কাছেও রয়েছে কিন্তু এত ট্রেন স্নাইপার কয়েকজনকে তো দেখলাম হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের চেহারা গঠন তো আমাদের মত না। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের হলে তাদের নিয়ে তদন্ত হতো।

একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, জুলাই-আগস্টের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা, থানায় অগ্নিসংযোগ, অস্ত্র লুট ও হত্যার অভিযোগে যেসব মামলা রয়েছে—তার কোনোটিই এখনো পুরোপুরি বাতিল বা দায়মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং কিছু ক্ষেত্রে তদন্ত পুনরায় সক্রিয় করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এনসিপি নেতাদের মধ্যে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তা প্রকাশ্যে না এলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে—অনেকেই ‘রাজপথে নামার প্রস্তুতি’র কথা বললেও ভেতরে ভেতরে চাপ অনুভব করছেন।

পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জুলাইয়ের ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের ওপর নির্যাতন ও হত্যার কয়েকটি মামলা এখনো চলমান। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন করে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। এতে এনসিপির কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামও জড়িয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে—পুলিশ হত্যার বিচার প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হলে এনসিপি নেতৃত্ব কীভাবে মোকাবিলা করবে? দলটির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে নাহিদ ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ‘রাজপথে ফের নামার’ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে এ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশ সদস্য হত্যার ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হতেই কপালে ভাঁজ পড়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র শীর্ষ নেতাদের। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বশেষ অবস্থান নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যে এনসিপি নেতৃত্বের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জুলাই দাঙ্গা চলাকালে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের অঙ্গীকার করেছেন। এদিকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার ঘটনা পুনঃতদন্ত ও বিচার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, সেটিই সঠিক।

এদিকে পুলিশ হত্যার বিচারের কথা শুনে কপালে ভাঁজ পড়েছে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের। তিনি বলেছেন, পুলিশ হত্যার বিচারের আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বিচার প্রক্রিয়া ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এনসিপির সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে কোনো কূল না পেয়ে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে বিএনপি পুলিশ হত্যা করেছে।

এ প্রসঙ্গে বিস্ফোরক তথ্য দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। তিনি চ্যানেল ওয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আমার কাছে এমনও ছবি আছে যে সন্দেহজনক যে এরা কারা এদের গঠন আমাদের মতো না। আমি বহিরাগত শব্দটা ব্যবহার করেছি আমাদের দেশে স্নাইপার আছে পুলিশের কাছে আছে সেনাবাহিনীর কাছেও রয়েছে কিন্তু এত ট্রেন স্নাইপার কয়েকজনকে তো দেখলাম হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাদের চেহারা গঠন তো আমাদের মত না। তিনি আরও বলেছেন, ভারতের হলে তাদের নিয়ে তদন্ত হতো।

একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে, জুলাই-আগস্টের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা, থানায় অগ্নিসংযোগ, অস্ত্র লুট ও হত্যার অভিযোগে যেসব মামলা রয়েছে—তার কোনোটিই এখনো পুরোপুরি বাতিল বা দায়মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং কিছু ক্ষেত্রে তদন্ত পুনরায় সক্রিয় করার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে এনসিপি নেতাদের মধ্যে যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে, তা প্রকাশ্যে না এলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে—অনেকেই ‘রাজপথে নামার প্রস্তুতি’র কথা বললেও ভেতরে ভেতরে চাপ অনুভব করছেন।

পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জুলাইয়ের ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের ওপর নির্যাতন ও হত্যার কয়েকটি মামলা এখনো চলমান। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন করে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। এতে এনসিপির কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামও জড়িয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন উঠেছে—পুলিশ হত্যার বিচার প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হলে এনসিপি নেতৃত্ব কীভাবে মোকাবিলা করবে? দলটির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে নাহিদ ইসলামের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ‘রাজপথে ফের নামার’ ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহে এ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ