Saturday, February 28, 2026

বিএনপি: ক্ষুধাকে পুঁজি করে ধর্ষণ করে যে দলের নেতাকর্মীরা

ফ্যামিলি কার্ড দিতে এসে ফ্যামিলি বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। এটা রসিকতা না, এটা দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আসলে যা ঘটেছে তার সারসংক্ষেপ। উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইকবাল হোসেন ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিজের ভাতিজার বাড়িতে ঢুকে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ভাতিজার বউকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন।

গ্রামের মানুষ জানেন, ৯৫ ভাগ সত্য বলেও স্বীকার করছেন, কিন্তু মুখ খুলছেন না কারণ লোকটা এলাকার বড় নেতা। এটাই আসল সমস্যা। ঘটনাটা ধর্ষণচেষ্টার, কিন্তু যে কাঠামোর ভেতর থেকে এটা সম্ভব হলো সেই কাঠামোটা বিএনপির তৈরি করা।

একটু পরিষ্কার করে বলা দরকার। ফ্যামিলি কার্ড মানে টিসিবির রেশন, মানে চাল-ডাল-তেল। মানে একটা গরিব পরিবারের মাসের বাজার। এই অভাবটাকে, এই ক্ষুধাটাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে একজন নেতা একটা মেয়েকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছেন। এর চেয়ে নিকৃষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতি আর কী হতে পারে? ক্ষমতায় এসে মানুষের পেটের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল, তার বদলে পেটের অসহায়ত্বকেই ব্যবহার করা হচ্ছে শরীর কিনতে।

সদ্য লন্ডন ফেরত বিএনপি চেয়ারম্যানকে তার দলের নেতাকর্মীরা মাঠে কী করছেন সেটা তিনি জানেন কিনা প্রশ্ন করা যায়, কিন্তু তার না জানাটাও কোনো অজুহাত না। ইকবাল হোসেন শুধু ধর্ষণচেষ্টার আসামি না, তিনি নিজের স্কুলের প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছেন, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সাংবাদিকদের সাথে কুটক্তি করেছেন। এত কিছুর পরেও তিনি দলের পদে আছেন। এটা কি বিএনপি চেয়ারম্যানের অজানা? নাকি এটাই বিএনপির স্বাভাবিক চেহারা?

বিএনপি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে উপর যা করেছে, সেই ইতিহাস এই দেশের মানুষ ভোলেনি। সেই সময়টায় ধর্ষণ ছিল রাজনৈতিক হাতিয়ার, এলাকা দখলের পদ্ধতি। হাওয়া ভবনের ছায়ায় বসে কীভাবে সন্ত্রাস পরিচালিত হতো সেটা নিয়ে তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট আছে, সাংবাদিকদের লেখা আছে, ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য আছে। সেই দলটাই এখন আবার ক্ষমতার কাছাকাছি, এবং তাদের নেতারা সেই পুরনো অভ্যাসেই ফিরে গেছেন, শুধু পদ্ধতিটা একটু বদলেছে। আগে ভয় দেখানো হতো, এখন ফ্যামিলি কার্ড দেখানো হচ্ছে।

আর ১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে, সেটার কথাও এখানে আসে। বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বয়কটের মুখে, নিজেরা নিজেরা ভাগ করে নেওয়া একটা ভোটের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় বসেছেন, তাদের বৈধতার প্রশ্নটা তো আছেই। কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই অবৈধ বৈধতার আড়ালে কতজন ইকবাল হোসেন এখন মাঠে মাঠে ঘুরছেন। কতজন ফ্যামিলি কার্ড হাতে নিয়ে দরজায় টোকা দিচ্ছেন। কতজন গরিব পরিবারের মেয়ে এখন ভয়ে চুপ করে আছেন কারণ অভিযুক্ত লোকটা দলের নেতা।

দলীয় সভায় এজেন্ডায় আসবে বলে বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন। এজেন্ডায় আসবে। একটা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এজেন্ডার বিষয়। এই বাক্যটা যখন স্বাভাবিকভাবে বলা যায়, তখন বুঝতে হয় দলটা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।

ফ্যামিলি কার্ড দিতে এসে ফ্যামিলি বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। এটা রসিকতা না, এটা দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে আসলে যা ঘটেছে তার সারসংক্ষেপ। উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইকবাল হোসেন ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিজের ভাতিজার বাড়িতে ঢুকে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে ভাতিজার বউকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন।

গ্রামের মানুষ জানেন, ৯৫ ভাগ সত্য বলেও স্বীকার করছেন, কিন্তু মুখ খুলছেন না কারণ লোকটা এলাকার বড় নেতা। এটাই আসল সমস্যা। ঘটনাটা ধর্ষণচেষ্টার, কিন্তু যে কাঠামোর ভেতর থেকে এটা সম্ভব হলো সেই কাঠামোটা বিএনপির তৈরি করা।

একটু পরিষ্কার করে বলা দরকার। ফ্যামিলি কার্ড মানে টিসিবির রেশন, মানে চাল-ডাল-তেল। মানে একটা গরিব পরিবারের মাসের বাজার। এই অভাবটাকে, এই ক্ষুধাটাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে একজন নেতা একটা মেয়েকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছেন। এর চেয়ে নিকৃষ্ট রাজনৈতিক সংস্কৃতি আর কী হতে পারে? ক্ষমতায় এসে মানুষের পেটের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ছিল, তার বদলে পেটের অসহায়ত্বকেই ব্যবহার করা হচ্ছে শরীর কিনতে।

সদ্য লন্ডন ফেরত বিএনপি চেয়ারম্যানকে তার দলের নেতাকর্মীরা মাঠে কী করছেন সেটা তিনি জানেন কিনা প্রশ্ন করা যায়, কিন্তু তার না জানাটাও কোনো অজুহাত না। ইকবাল হোসেন শুধু ধর্ষণচেষ্টার আসামি না, তিনি নিজের স্কুলের প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছেন, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সাংবাদিকদের সাথে কুটক্তি করেছেন। এত কিছুর পরেও তিনি দলের পদে আছেন। এটা কি বিএনপি চেয়ারম্যানের অজানা? নাকি এটাই বিএনপির স্বাভাবিক চেহারা?

বিএনপি ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে উপর যা করেছে, সেই ইতিহাস এই দেশের মানুষ ভোলেনি। সেই সময়টায় ধর্ষণ ছিল রাজনৈতিক হাতিয়ার, এলাকা দখলের পদ্ধতি। হাওয়া ভবনের ছায়ায় বসে কীভাবে সন্ত্রাস পরিচালিত হতো সেটা নিয়ে তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট আছে, সাংবাদিকদের লেখা আছে, ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য আছে। সেই দলটাই এখন আবার ক্ষমতার কাছাকাছি, এবং তাদের নেতারা সেই পুরনো অভ্যাসেই ফিরে গেছেন, শুধু পদ্ধতিটা একটু বদলেছে। আগে ভয় দেখানো হতো, এখন ফ্যামিলি কার্ড দেখানো হচ্ছে।

আর ১২ ফেব্রুয়ারির যে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে, সেটার কথাও এখানে আসে। বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বয়কটের মুখে, নিজেরা নিজেরা ভাগ করে নেওয়া একটা ভোটের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় বসেছেন, তাদের বৈধতার প্রশ্নটা তো আছেই। কিন্তু তার চেয়েও বড় প্রশ্ন হলো এই অবৈধ বৈধতার আড়ালে কতজন ইকবাল হোসেন এখন মাঠে মাঠে ঘুরছেন। কতজন ফ্যামিলি কার্ড হাতে নিয়ে দরজায় টোকা দিচ্ছেন। কতজন গরিব পরিবারের মেয়ে এখন ভয়ে চুপ করে আছেন কারণ অভিযুক্ত লোকটা দলের নেতা।

দলীয় সভায় এজেন্ডায় আসবে বলে বিএনপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন। এজেন্ডায় আসবে। একটা ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এজেন্ডার বিষয়। এই বাক্যটা যখন স্বাভাবিকভাবে বলা যায়, তখন বুঝতে হয় দলটা আসলে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ