Saturday, February 28, 2026

জাতীয় প্রেস ক্লাবে শ্লোগান দেওয়া কি অপরাধ?

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) খুলে দেওয়ার দাবি জানানোর সময় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের দখলদার অবৈধ কমিটি ৫ জন সহযোদ্ধা সাংবাদিককে ক্লাব চত্বরে নিষিদ্ধ করে নোটিশ দিয়েছে।

অতীতে দেখেছি জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জামায়াত-বিএনপিপন্থী সাংবাদিকরাও তাদের আদর্শগত শ্লোগান দিয়েছে। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকরা কমিটিতে থাকার পরও এরকম ঘৃণিত কাজ করেনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবে শ্লোগান দেওয়া কি অপরাধ?

ভিন্নমত দমনে জামায়াত-বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের এই হিংসাত্মক ও আক্রমণাত্মক রাজনীতি বন্ধ না করলে সামনে তাদের পরিনতি এর চেয়ে ভয়াবহ হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ভাঙচুর ও লুটপাটের পর তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত প্রায় ৩২০০ সংবাদকর্মীর এই বৃহত্তম সংগঠনের কার্যালয় বন্ধ থাকায় সাংবাদিক সমাজ কার্যত তাদের সাংগঠনিক আশ্রয় ও মতপ্রকাশের প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হারিয়েছে।

ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের কাছে ডিইউজে শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি পেশাগত অধিকার, ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক। এই কার্যালয় বন্ধ থাকা মানে সাধারণ সংবাদকর্মীদের কণ্ঠরোধ করা, তাদের ন্যায্য দাবি তোলার পথ সংকুচিত করা।

২১ ফেব্রুয়ারির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগানে ডিইউজে অফিস খুলে দেওয়ার দাবি জানান। আবেগ ও ঐতিহ্যের সেই মুহূর্তে স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এই কার্যালয় সাংবাদিকদের হৃদয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ কার্যালয় খুলে দেওয়ার উদ্যোগ না নিয়ে বরং যারা অফিস খোলার দাবি তুলেছেন, তাদেরই প্রেসক্লাব এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া’র সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিক সমাজে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তার ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) খুলে দেওয়ার দাবি জানানোর সময় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের দখলদার অবৈধ কমিটি ৫ জন সহযোদ্ধা সাংবাদিককে ক্লাব চত্বরে নিষিদ্ধ করে নোটিশ দিয়েছে।

অতীতে দেখেছি জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জামায়াত-বিএনপিপন্থী সাংবাদিকরাও তাদের আদর্শগত শ্লোগান দিয়েছে। তখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিকরা কমিটিতে থাকার পরও এরকম ঘৃণিত কাজ করেনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবে শ্লোগান দেওয়া কি অপরাধ?

ভিন্নমত দমনে জামায়াত-বিএনপিপন্থী সাংবাদিকদের এই হিংসাত্মক ও আক্রমণাত্মক রাজনীতি বন্ধ না করলে সামনে তাদের পরিনতি এর চেয়ে ভয়াবহ হতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ভাঙচুর ও লুটপাটের পর তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত প্রায় ৩২০০ সংবাদকর্মীর এই বৃহত্তম সংগঠনের কার্যালয় বন্ধ থাকায় সাংবাদিক সমাজ কার্যত তাদের সাংগঠনিক আশ্রয় ও মতপ্রকাশের প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হারিয়েছে।

ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকদের কাছে ডিইউজে শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি পেশাগত অধিকার, ঐক্য ও সংগ্রামের প্রতীক। এই কার্যালয় বন্ধ থাকা মানে সাধারণ সংবাদকর্মীদের কণ্ঠরোধ করা, তাদের ন্যায্য দাবি তোলার পথ সংকুচিত করা।

২১ ফেব্রুয়ারির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে সংবাদকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” স্লোগানে ডিইউজে অফিস খুলে দেওয়ার দাবি জানান। আবেগ ও ঐতিহ্যের সেই মুহূর্তে স্পষ্ট হয়ে ওঠে—এই কার্যালয় সাংবাদিকদের হৃদয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে জাতীয় প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ কার্যালয় খুলে দেওয়ার উদ্যোগ না নিয়ে বরং যারা অফিস খোলার দাবি তুলেছেন, তাদেরই প্রেসক্লাব এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে নোটিশ জারি করেছে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভুঁইয়া’র সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিক সমাজে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তার ভূমিকা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ