Saturday, February 28, 2026

৪৫ হাজার কোটির গর্ত খুঁড়ে গেছে ইউনুস, ভরাট করবে কে?

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজের হিসাবেই দেশি বিদেশি কোম্পানির কাছে বকেয়া পড়ে আছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সাত আট মাস ধরে বিল পায়নি। মানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর থেকে একটা টাকাও পরিশোধ হয়নি। এই সময়টায় কী হচ্ছিল দেশে? ইউনুস সরকার তখন পুরোদমে ক্ষমতায়। সংস্কার সংস্কার বলে মাঠ গরম করছে। আর ভেতরে ভেতরে বিদ্যুৎ খাতের দেনার পাহাড় জমতে দিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এটা কি অক্ষমতা, নাকি উদাসীনতা, নাকি ইচ্ছাকৃত?

সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলছেন ইচ্ছাকৃত কিছু নেই, টাকার সংকটের কারণে বিল দেওয়া যায়নি। কিন্তু এই যুক্তিটা দাঁড়ায় না। কারণ টাকার সংকট থাকলে সেটা সামলানোর দায়িত্বও তো সরকারের। দেড় বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থেকে যদি বিদ্যুৎ খাতকে আরো গভীর সংকটে ঠেলে দিয়ে যাওয়াটাকেই ব্যর্থতা না বলি তাহলে কাকে বলব?

বেসরকারি উৎপাদনকারীরা বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে কিনা সেই সন্দেহও তাদের মাথায় ঘুরছে। এই সন্দেহটা তারা আকাশ থেকে পাড়েনি। জুলাইয়ের পর থেকে একটানা বিল বন্ধ, এলসি খুলতে বাধা, তেলের মজুদ কমতে থাকা, এগুলো একসাথে ঘটেছে। এই ঘটনাগুলোর সময়কাল এবং ধারা দেখলে সংশয় জাগাটা অস্বাভাবিক না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন পরিষ্কার বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার পুরোপুরি জ্বালানি আমদানি করেনি, শিল্পের চাহিদার তোয়াক্কা করেনি। মানে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে সেটা না ভেবেই চলেছে তারা। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৮৫ শতাংশ সক্ষমতায় চলার কথা, চলেছে ৫৫ শতাংশে। বাকি ৩০ শতাংশ গেল কোথায়? গেছে পরিকল্পনার অভাবে, গেছে অর্থায়নের অনিচ্ছায়।

এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসে দেখছে হাতে একটা জ্বলন্ত বোমা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রী নিজেই বলছেন “ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট” করতে হবে। রোজার মধ্যে বিদ্যুৎ চালু রাখতে হবে, সেচ মৌসুমে চালু রাখতে হবে, গরমে ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা মেটাতে হবে। কিন্তু কোষাগার খালি, বকেয়া পাহাড়প্রমাণ, তেলের মজুদ কমছে, এলসি খুলতে ব্যাংক নারাজ।

ইজাজ হোসেনের হিসাব অনুযায়ী সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলারের মতো লাগে। আমাদের কাছে এত টাকা নেই। এই বাস্তবতাটা ইউনুস সরকার জেনেশুনে এড়িয়ে গেছে। দীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনা করেনি, দেনা কমায়নি, উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগায়নি।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রায়ই বলা হয় আগের সরকার এটা করেনি, ওটা করেনি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সংখ্যাগুলো নিজেই কথা বলছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি, সাত মাস, একটা টাকাও বিল পরিশোধ হয়নি। এই তথ্যটা কেউ বানায়নি, বিদ্যুৎ বোর্ড নিজেই বলছে।

ইউনুস সরকারের সময়কার এই ক্ষতি কতটা সামলানো যাবে সেটা এখন দেখার বিষয়। কিন্তু যে অবস্থায় তারা বিদ্যুৎ খাত ছেড়ে গেছে, সেটা দেখে বোঝা যায় এই খাতটা তাদের অগ্রাধিকারে ছিলই না।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজের হিসাবেই দেশি বিদেশি কোম্পানির কাছে বকেয়া পড়ে আছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সাত আট মাস ধরে বিল পায়নি। মানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ের পর থেকে একটা টাকাও পরিশোধ হয়নি। এই সময়টায় কী হচ্ছিল দেশে? ইউনুস সরকার তখন পুরোদমে ক্ষমতায়। সংস্কার সংস্কার বলে মাঠ গরম করছে। আর ভেতরে ভেতরে বিদ্যুৎ খাতের দেনার পাহাড় জমতে দিচ্ছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এটা কি অক্ষমতা, নাকি উদাসীনতা, নাকি ইচ্ছাকৃত?

সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলছেন ইচ্ছাকৃত কিছু নেই, টাকার সংকটের কারণে বিল দেওয়া যায়নি। কিন্তু এই যুক্তিটা দাঁড়ায় না। কারণ টাকার সংকট থাকলে সেটা সামলানোর দায়িত্বও তো সরকারের। দেড় বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় থেকে যদি বিদ্যুৎ খাতকে আরো গভীর সংকটে ঠেলে দিয়ে যাওয়াটাকেই ব্যর্থতা না বলি তাহলে কাকে বলব?

বেসরকারি উৎপাদনকারীরা বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি করেছে কিনা সেই সন্দেহও তাদের মাথায় ঘুরছে। এই সন্দেহটা তারা আকাশ থেকে পাড়েনি। জুলাইয়ের পর থেকে একটানা বিল বন্ধ, এলসি খুলতে বাধা, তেলের মজুদ কমতে থাকা, এগুলো একসাথে ঘটেছে। এই ঘটনাগুলোর সময়কাল এবং ধারা দেখলে সংশয় জাগাটা অস্বাভাবিক না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন পরিষ্কার বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার পুরোপুরি জ্বালানি আমদানি করেনি, শিল্পের চাহিদার তোয়াক্কা করেনি। মানে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে সেটা না ভেবেই চলেছে তারা। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৮৫ শতাংশ সক্ষমতায় চলার কথা, চলেছে ৫৫ শতাংশে। বাকি ৩০ শতাংশ গেল কোথায়? গেছে পরিকল্পনার অভাবে, গেছে অর্থায়নের অনিচ্ছায়।

এখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসে দেখছে হাতে একটা জ্বলন্ত বোমা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রী নিজেই বলছেন “ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট” করতে হবে। রোজার মধ্যে বিদ্যুৎ চালু রাখতে হবে, সেচ মৌসুমে চালু রাখতে হবে, গরমে ১৮ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা মেটাতে হবে। কিন্তু কোষাগার খালি, বকেয়া পাহাড়প্রমাণ, তেলের মজুদ কমছে, এলসি খুলতে ব্যাংক নারাজ।

ইজাজ হোসেনের হিসাব অনুযায়ী সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলারের মতো লাগে। আমাদের কাছে এত টাকা নেই। এই বাস্তবতাটা ইউনুস সরকার জেনেশুনে এড়িয়ে গেছে। দীর্ঘমেয়াদী কোনো পরিকল্পনা করেনি, দেনা কমায়নি, উৎপাদন সক্ষমতাকে কাজে লাগায়নি।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রায়ই বলা হয় আগের সরকার এটা করেনি, ওটা করেনি। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সংখ্যাগুলো নিজেই কথা বলছে। জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি, সাত মাস, একটা টাকাও বিল পরিশোধ হয়নি। এই তথ্যটা কেউ বানায়নি, বিদ্যুৎ বোর্ড নিজেই বলছে।

ইউনুস সরকারের সময়কার এই ক্ষতি কতটা সামলানো যাবে সেটা এখন দেখার বিষয়। কিন্তু যে অবস্থায় তারা বিদ্যুৎ খাত ছেড়ে গেছে, সেটা দেখে বোঝা যায় এই খাতটা তাদের অগ্রাধিকারে ছিলই না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ