বাংলার ইতিহাসে তাহলে কি নতুন যুগের সূচনা হলো যেখানে চাঁদাবাজি এখন একপ্রকার বৈধ পেশা? যেখানে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে টাকা তোলা হবে, আর তাকে বৈধতার মোড়ক পরিয়ে দেওয়া হবে?
আওয়ামী লীগবিহীন একতরফা, সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে না করতেই বিএনপি তার সেই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতির চেহারা দেখাতে শুরু করেছে। বিএনপির যোগাযোগ মন্ত্রী রবিউল আলম “চাঁদাবাজি”র নতুন নামকরণ করেছেন “সমঝোতা”! কী চমৎকার শব্দের কারসাজি!
যোগাযোগ মন্ত্রীর চেয়ারে বসা বিএনপি নেতা রবিউল আলম প্রকাশ্যে বলছেন, সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটাকে তিনি চাঁদা মনে করেন না। প্রশ্ন হলো, তাহলে এতদিন আমরা যাকে চাঁদাবাজি বলে জেনেছি, সেটাই কি এখন বৈধ? কাল থেকে যদি কেউ রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে টাকা নেয়, সে তো সহজেই বলবে “ভাই, এটা সমঝোতার ভিত্তিতে নিচ্ছি!” তাহলে আইন কোথায় দাঁড়াবে? পুলিশ কী করবে?
এটাই মূলত বিএনপির রাজনীতি। সারাদেশে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর চাঁদাবাজিকে বৈধতা দিতেই এই ঘোষণা দেওয়া দেওয়া হয়েছে।
এই বক্তব্য শুধু একটি মন্তব্য নয়, এটি বিএনপির এক ধরনের নীতিগত অবস্থান। আর সেই অবস্থান যদি হয় চাঁদাবাজিকে ‘স্বাভাবিক’ করে তোলা, তাহলে বুঝতে হবে বাংলাদেশ কোন পথে হাঁটছে। বিএনপির শাসনব্যবস্থায় চাঁদাবাজি আর অপরাধ নয়, বরং ‘সমঝোতা’। দখল আর জুলুম নয়, বরং ‘ব্যবস্থা’।

