নারায়ণগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালের পরিচালকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন খোদ ভুক্তভোগী পরিচালক নিজেই। মামলায় এজহারভুক্ত সব আসামী বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী বলে জানা গেছে। এছাড়াও বিএনপির অভিযুক্ত চাঁদাবাজ নেতারা গত ১৮ ফেব্রুয়ারী ঐ হাসপাতালের কেয়ারটেকারকে পিটিয়ে নগদ দেড় লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এটি নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মদনপুর ফুলহর এলাকার মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালের ঘটনা।
এর আগে, গতবছর জুলাই মাসে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল প্রাঙ্গনে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন, যুবদলের সন্ত্রাসীরা একজন ব্যবসায়ীকে চাঁদা অনাদায়ে পাথর দিয়ে মাথা থেতলে নৃশংস ভাবে প্রকাশ্যে হত্যা করে। এ ঘটনার পর সারাদেশে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হলেও হত্যাকান্ডে অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনেনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং; বরং হত্যাকারীদের বিভিন্ন সময় বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় দেখা গিয়েছে।
৫ আগস্টের পর থেকেই বিএনপির চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের ফলে অতিষ্ট দেশের মানুষ। বর্তমানে ক্ষমতায় এসে বিএনপির নৈরাজ্য যেন আরও লাগামহীন রূপ ধারণ করছে। চাঁদাবাজিকে ক্ষমতার চেয়ারে বসে আজকাল সমঝোতার তকমাও দেয়া হচ্ছে অবলীলাক্রমে। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির সকল সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, নৈরাজ্য আর শোষণ থেকে মুক্তি চায়।

