Tuesday, February 24, 2026

সেভেন সিস্টার্সকে অস্থিতিশীল করতে বান্দরবানে হাসনাত!

ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে অস্থিতিশীল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র নিয়ে বান্দরবানে আকস্মিক সফর করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার পরপরই জঙ্গি কার্যক্রম তদারকির উদ্দেশ্যে তার এই গোপন সফর বলে জানা গেছে।

গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) হাসনাত আব্দুল্লাহকে বান্দরবানের লামা ও আলীকদম এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীল জিন্স প্যান্ট, কালো জার্সি এবং মুখে মাস্ক পরে তিনি অত্যন্ত গোপনে চলাফেরা করছিলেন। তাকে লামা বাজার, আলীকদম বাজার এবং মাতামুহুরী নদীতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। তার সাথে কয়েকজন সঙ্গী থাকলেও এই সংক্ষিপ্ত সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন বা সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারেনি।

সূত্র বলছে, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই সফরের মূল লক্ষ্য ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করা। বান্দরবানের সাথে ভারতের মিজোরামের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত বছর হাসনাত প্রকাশ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স আলাদা করার হুমকি দিয়েছিলেন। এবার তার এই সফরের পর সেই শঙ্কা আরও তীব্র হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং তুরস্কের গোয়েন্দাদের সরাসরি সমর্থনে হাসনাত এই অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। তদন্ত সংস্থা এনডিটিভি জানিয়েছে, এদের সাথে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতকে অস্থিতিশীল করতে এখন বাংলাদেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশে আরেক উগ্রবাদী নেতা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সম্প্রতি নেতাকর্মীদের গণঅভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই উসকানিমূলক বক্তব্য এবং হাসনাতের গোপন সফর একটি বড় দাঙ্গার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্রমতে, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় লুট করা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ইতিমধ্যে পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থানরত জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলে জঙ্গিদের এই তৎপরতা নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০২২ সালে জামায়াত আমিরের ছেলে ডা. রাফাতকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল সিটিটিসি। ডা. রাফাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘আনসার আল ইসলাম’-এর সিলেট অঞ্চলের সমন্বয়ক ছিলেন। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে, তার ছেলে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সাথে জড়িত। পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীন অরণ্যে এই জঙ্গি সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র প্রশিক্ষণ চালিয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই রহস্যজনক সফর এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর পুনরায় সক্রিয় হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য এক ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভারতের সেভেন সিস্টার্সকে অস্থিতিশীল করার এক গভীর ষড়যন্ত্র নিয়ে বান্দরবানে আকস্মিক সফর করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার পরপরই জঙ্গি কার্যক্রম তদারকির উদ্দেশ্যে তার এই গোপন সফর বলে জানা গেছে।

গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) হাসনাত আব্দুল্লাহকে বান্দরবানের লামা ও আলীকদম এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নীল জিন্স প্যান্ট, কালো জার্সি এবং মুখে মাস্ক পরে তিনি অত্যন্ত গোপনে চলাফেরা করছিলেন। তাকে লামা বাজার, আলীকদম বাজার এবং মাতামুহুরী নদীতে ভ্রমণ করতে দেখা গেছে। তার সাথে কয়েকজন সঙ্গী থাকলেও এই সংক্ষিপ্ত সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন বা সাধারণ মানুষ কিছুই জানতে পারেনি।

সূত্র বলছে, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই সফরের মূল লক্ষ্য ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো বা ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করা। বান্দরবানের সাথে ভারতের মিজোরামের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য বেছে নেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গত বছর হাসনাত প্রকাশ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স আলাদা করার হুমকি দিয়েছিলেন। এবার তার এই সফরের পর সেই শঙ্কা আরও তীব্র হচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং তুরস্কের গোয়েন্দাদের সরাসরি সমর্থনে হাসনাত এই অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। সম্প্রতি ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশিও রয়েছেন। তদন্ত সংস্থা এনডিটিভি জানিয়েছে, এদের সাথে পাকিস্তানের আইএসআই এবং বাংলাদেশের জঙ্গি গোষ্ঠীর সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। স্পষ্টভাবেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতকে অস্থিতিশীল করতে এখন বাংলাদেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশে আরেক উগ্রবাদী নেতা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সম্প্রতি নেতাকর্মীদের গণঅভ্যুত্থানের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই উসকানিমূলক বক্তব্য এবং হাসনাতের গোপন সফর একটি বড় দাঙ্গার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সূত্রমতে, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় লুট করা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ইতিমধ্যে পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থানরত জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলে জঙ্গিদের এই তৎপরতা নতুন কোনো বিষয় নয়। ২০২২ সালে জামায়াত আমিরের ছেলে ডা. রাফাতকে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল সিটিটিসি। ডা. রাফাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘আনসার আল ইসলাম’-এর সিলেট অঞ্চলের সমন্বয়ক ছিলেন। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে, তার ছেলে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সাথে জড়িত। পার্বত্য চট্টগ্রামের গহীন অরণ্যে এই জঙ্গি সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই সশস্ত্র প্রশিক্ষণ চালিয়ে আসছে।

সব মিলিয়ে, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই রহস্যজনক সফর এবং জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর পুনরায় সক্রিয় হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য এক ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ