Sunday, February 22, 2026

পাঠ্যপুস্তকে ‘সবচেয়ে বড় রাজাকার’ হিসেবে ড. ইউনূসের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস–কে নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না। তিনি ড. ইউনূসকে দেশের ইতিহাসে ‘প্রধানতম শত্রু ও বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে পাঠ্যপুস্তকে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এক বক্তব্যে মনজুরুল আলম পান্না বলেন, “৫৫ বছরের ইতিহাসে এই মাটি, মানুষ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম শত্রু এই ব্যক্তি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক ও রাজাকার হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে ড. ইউনূসের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি করছি।”

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিসরে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “পুরো বিশ্বের সামনে তাঁর মুখোশ উন্মোচনের দায় আমাদের সবার।”

মনজুরুল আলম পান্না ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক টক শোতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন। সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত বছরের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে তিনি একাধিক বক্তব্য দিয়েছেন।

এর আগে, মতপ্রকাশ ও সরকারের সমালোচনার অভিযোগে গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে মনজুরুল আলম পান্নাসহ কয়েকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ওই সময় গ্রেপ্তারের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

সাম্প্রতিক এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস–কে নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক মনজুরুল আলম পান্না। তিনি ড. ইউনূসকে দেশের ইতিহাসে ‘প্রধানতম শত্রু ও বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে পাঠ্যপুস্তকে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এক বক্তব্যে মনজুরুল আলম পান্না বলেন, “৫৫ বছরের ইতিহাসে এই মাটি, মানুষ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধানতম শত্রু এই ব্যক্তি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক ও রাজাকার হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে ড. ইউনূসের নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি করছি।”

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পরিসরে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “পুরো বিশ্বের সামনে তাঁর মুখোশ উন্মোচনের দায় আমাদের সবার।”

মনজুরুল আলম পান্না ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক টক শোতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন। সাম্প্রতিক সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত বছরের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে তিনি একাধিক বক্তব্য দিয়েছেন।

এর আগে, মতপ্রকাশ ও সরকারের সমালোচনার অভিযোগে গত বছরের আগস্টের শেষ দিকে মনজুরুল আলম পান্নাসহ কয়েকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ওই সময় গ্রেপ্তারের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।

সাম্প্রতিক এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ