Sunday, February 22, 2026

ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বৈধতা পেতে শর্ত, ইউনুসের দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন

বাংলাদেশের নীতি-স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন কেবল ক্ষমতার রদবদল নয়; এটি রাষ্ট্রের নীতি-স্বাধীনতা ও সার্বভৌম মর্যাদার প্রশ্নও সামনে এনেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসন বহিরাগত শক্তির প্রত্যাশা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল। তার আমলে সম্পাদিত আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো এমন কাঠামো তৈরি করেছে, যা দেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে বহিঃপ্রভাবের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত করেছে।

বিএনপির ক্ষমতায় আগমন ও চুক্তির ধারাবাহিকতা

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পূর্বেই ইউনূস প্রশাসনের করা সব চুক্তি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। ফলে সরকার পরিবর্তন হলেও নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা পেয়েছে; বরং রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু হয়েছে একটি পূর্বনির্ধারিত কাঠামোর মধ্য দিয়ে। এই অবস্থান রাজনৈতিক স্বাধীনতার বদলে অঙ্গীকারনির্ভর প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়। সমগ্র প্রক্রিয়াটি এমন এক বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে ত্রুটিপূর্ণ ও বিতর্কিত নির্বাচনী ফলাফলও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

বিদেশি শক্তিগুলো সেই প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিয়েছে, কারণ তাদের কৌশলগত স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। এতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেটের গুরুত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। দেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকট।

ড. ইউনূস প্রশাসনের প্রভাব ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি

ড. ইউনূসের প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণ ও সংসদীয় পর্যালোচনার পর্যাপ্ত সুযোগও প্রদান করেনি। এর ফলে রাষ্ট্রীয় চুক্তির গ্রহণযোগ্যতা ও বৈধতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এসব পদক্ষেপ দেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং সার্বভৌমতা উভয়কেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো—সব চুক্তি ও সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা, সংসদীয় পর্যালোচনা নিশ্চিত করা এবং নীতিগত স্বাধীনতার স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান। অন্যথায় রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক সন্দেহ এবং সার্বভৌমত্বের অবনতি আরও ঘনীভূত হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসনীয় দিক

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বহুমুখী ভারসাম্যের কৌশল অনুসরণ করেছিল। সেখানে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা হলেও সবকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে ছিল জাতীয় স্বার্থ এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতি। শেখ হাসিনার দৃঢ় নীতি ও দেশপ্রেমের কারণে বিদেশি চাপ ও প্রভাবকে সমন্বয় করে দেশের সার্বভৌমতা অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হয়েছিল।

অর্থাৎ, বৈদেশিক অংশীদারিত্বে জোর থাকলেও তা কখনো জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ছায়া ফেলতে পারেনি। এই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি দেশের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান অনিশ্চয়তার মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের এই নীতি বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। শেখ হাসিনার সময়ের দেশপ্রেমমূলক কূটনীতি প্রমাণ করেছে, নিরপেক্ষ এবং সুষম কৌশলই সার্বভৌমতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হতে পারে।

রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নীতিগত দৃঢ়তা অপরিহার্য। বাংলাদেশের সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে স্থিতিশীল ও সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করা যায়। চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হলে স্বাধীনতার উপর উল্লেখযোগ্য হুমকি তৈরি হতে পারে—এটি এখন যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু।

বাংলাদেশের নীতি-স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন কেবল ক্ষমতার রদবদল নয়; এটি রাষ্ট্রের নীতি-স্বাধীনতা ও সার্বভৌম মর্যাদার প্রশ্নও সামনে এনেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসন বহিরাগত শক্তির প্রত্যাশা পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল। তার আমলে সম্পাদিত আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলো এমন কাঠামো তৈরি করেছে, যা দেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে বহিঃপ্রভাবের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত করেছে।

বিএনপির ক্ষমতায় আগমন ও চুক্তির ধারাবাহিকতা

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পূর্বেই ইউনূস প্রশাসনের করা সব চুক্তি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে। ফলে সরকার পরিবর্তন হলেও নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা পেয়েছে; বরং রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু হয়েছে একটি পূর্বনির্ধারিত কাঠামোর মধ্য দিয়ে। এই অবস্থান রাজনৈতিক স্বাধীনতার বদলে অঙ্গীকারনির্ভর প্রশাসনিক ধারাবাহিকতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা যায়। সমগ্র প্রক্রিয়াটি এমন এক বাস্তবতা তৈরি করেছে, যেখানে ত্রুটিপূর্ণ ও বিতর্কিত নির্বাচনী ফলাফলও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

বিদেশি শক্তিগুলো সেই প্রক্রিয়াকে বৈধতা দিয়েছে, কারণ তাদের কৌশলগত স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। এতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার নৈতিক ভিত্তি দুর্বল হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেটের গুরুত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। দেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকট।

ড. ইউনূস প্রশাসনের প্রভাব ও রাষ্ট্রীয় চুক্তি

ড. ইউনূসের প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণ ও সংসদীয় পর্যালোচনার পর্যাপ্ত সুযোগও প্রদান করেনি। এর ফলে রাষ্ট্রীয় চুক্তির গ্রহণযোগ্যতা ও বৈধতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এসব পদক্ষেপ দেশের কূটনৈতিক ভারসাম্য এবং সার্বভৌমতা উভয়কেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো—সব চুক্তি ও সমঝোতার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করা, সংসদীয় পর্যালোচনা নিশ্চিত করা এবং নীতিগত স্বাধীনতার স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান। অন্যথায় রাজনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক সন্দেহ এবং সার্বভৌমত্বের অবনতি আরও ঘনীভূত হবে।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসনীয় দিক

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি বহুমুখী ভারসাম্যের কৌশল অনুসরণ করেছিল। সেখানে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করা হলেও সবকিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে ছিল জাতীয় স্বার্থ এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতি। শেখ হাসিনার দৃঢ় নীতি ও দেশপ্রেমের কারণে বিদেশি চাপ ও প্রভাবকে সমন্বয় করে দেশের সার্বভৌমতা অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হয়েছিল।

অর্থাৎ, বৈদেশিক অংশীদারিত্বে জোর থাকলেও তা কখনো জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ছায়া ফেলতে পারেনি। এই ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি দেশের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান অনিশ্চয়তার মধ্যে পূর্ববর্তী সরকারের এই নীতি বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। শেখ হাসিনার সময়ের দেশপ্রেমমূলক কূটনীতি প্রমাণ করেছে, নিরপেক্ষ এবং সুষম কৌশলই সার্বভৌমতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মর্যাদার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হতে পারে।

রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নীতিগত দৃঢ়তা অপরিহার্য। বাংলাদেশের সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে স্থিতিশীল ও সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করা যায়। চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হলে স্বাধীনতার উপর উল্লেখযোগ্য হুমকি তৈরি হতে পারে—এটি এখন যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ