Sunday, February 22, 2026

আবার শুরু হলো বিএনপির অন্যতম রাজনৈতিক কর্মসূচি-চাঁদাবাজি!

সাভারের রেডিও কলোনিতে ফুটপাতে ডাব বিক্রি করে সংসার চালান নুর আলম। সকালে ভ্যান নিয়ে বসেছিলেন, বেলা ১১টার দিকে ৮-১০ জনের একটা দল এসে চাঁদা চাইলো। দিতে পারেননি। ফলাফল, ২০০ পিস ডাবসহ পুরো ভ্যানটাই গায়েব। আরেকজন ডাব বিক্রেতা সাজিবুল ইসলাম রনির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। এই ভদ্রলোকেরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা তোলেন। এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান হোসেন বাবু।

এখন প্রশ্নটা হলো, এটা কি আদৌ অবাক হওয়ার মতো কিছু?

বিএনপি একটা দল হিসেবে তৈরিই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাতে। গণতন্ত্রের সাথে তার সম্পর্ক জন্মের দিন থেকেই নামেমাত্র। যে দলের শুরুটাই হয়েছে বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, সেই দলের কর্মীরা ফুটপাতের ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে চাঁদা তুলবে, এটাই স্বাভাবিক। এটা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ, বিচ্যুতি নয়।

আরমান হোসেন বাবু নিজেকে পরিচয় দেন বিএনপি নেতা হিসেবে, দাবি করেন সাভারের এমপি ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনের আস্থাভাজন মানুষ তিনি। মাদক ব্যবসার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু তারপরও তিনি এলাকায় বহাল তবিয়তে আছেন। কারণটা সহজ, তিনি দলের কাজই করছেন।

এই ঘটনাটা ঘটেছে ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে। তারেক রহমান এখন দলের প্রধান, লন্ডনে থেকে এসে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার দখল করে। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন মানুষ, যিনি দেশে পা রাখতে পারেন নি বহু বছর, তিনি এখন দলের হাল ধরেছেন। আর তার দলের কর্মীরা মাঠে ডাব বিক্রেতার ভ্যান ছিনিয়ে নিচ্ছে। এই দুটো জিনিস আসলে একই সূত্রে গাঁথা।

বিএনপির সমস্যা নেতৃত্বের সংকট নয়, সমস্যা হলো দলটির মজ্জায় যে রাজনীতি আছে সেটা সবসময়ই এরকম ছিল। ক্ষমতায় থাকলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট, ক্ষমতার বাইরে থাকলে চাঁদাবাজি। ফুটপাতের ডাব বিক্রেতা থেকে বড় ব্যবসায়ী, সবাইকেই গুনতে হয় এই দলের লোকজনকে। এটা নতুন কিছু না, এটা ধারাবাহিকতা।

সাংবাদিকরা আরমান হোসেন বাবুকে ফোন করেছিলেন। পরিচয় পেয়ে ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন। এই একটা কাজেই বোঝা যায়, লোকটা কতটা জবাবদিহিতার মধ্যে আছেন। উত্তর দিতে হবে না, কারণ উপরে ছাদ আছে। ছাদটা দলীয়।

নুর আলমের ২০০টা ডাব আর একটা ভ্যান গেছে। এটা ছোট ঘটনা মনে হতে পারে। কিন্তু এই ছোট ঘটনাটাই বলে দেয়, ৫ আগস্টের পর বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি এসেছে, আর তার সাথে সাথে পুরনো অভ্যাসগুলোও ফিরে আসছে একে একে। কোনো লজ্জা নেই, কোনো জবাবদিহি নেই, কোনো পরিবর্তন নেই।

সাভারের রেডিও কলোনিতে ফুটপাতে ডাব বিক্রি করে সংসার চালান নুর আলম। সকালে ভ্যান নিয়ে বসেছিলেন, বেলা ১১টার দিকে ৮-১০ জনের একটা দল এসে চাঁদা চাইলো। দিতে পারেননি। ফলাফল, ২০০ পিস ডাবসহ পুরো ভ্যানটাই গায়েব। আরেকজন ডাব বিক্রেতা সাজিবুল ইসলাম রনির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা। এই ভদ্রলোকেরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা তোলেন। এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান হোসেন বাবু।

এখন প্রশ্নটা হলো, এটা কি আদৌ অবাক হওয়ার মতো কিছু?

বিএনপি একটা দল হিসেবে তৈরিই হয়েছিল সেনাছাউনিতে, জিয়াউর রহমানের হাতে। গণতন্ত্রের সাথে তার সম্পর্ক জন্মের দিন থেকেই নামেমাত্র। যে দলের শুরুটাই হয়েছে বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে, সেই দলের কর্মীরা ফুটপাতের ডাব বিক্রেতার কাছ থেকে চাঁদা তুলবে, এটাই স্বাভাবিক। এটা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ, বিচ্যুতি নয়।

আরমান হোসেন বাবু নিজেকে পরিচয় দেন বিএনপি নেতা হিসেবে, দাবি করেন সাভারের এমপি ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিনের আস্থাভাজন মানুষ তিনি। মাদক ব্যবসার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে। কিন্তু তারপরও তিনি এলাকায় বহাল তবিয়তে আছেন। কারণটা সহজ, তিনি দলের কাজই করছেন।

এই ঘটনাটা ঘটেছে ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে। তারেক রহমান এখন দলের প্রধান, লন্ডনে থেকে এসে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার দখল করে। দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন মানুষ, যিনি দেশে পা রাখতে পারেন নি বহু বছর, তিনি এখন দলের হাল ধরেছেন। আর তার দলের কর্মীরা মাঠে ডাব বিক্রেতার ভ্যান ছিনিয়ে নিচ্ছে। এই দুটো জিনিস আসলে একই সূত্রে গাঁথা।

বিএনপির সমস্যা নেতৃত্বের সংকট নয়, সমস্যা হলো দলটির মজ্জায় যে রাজনীতি আছে সেটা সবসময়ই এরকম ছিল। ক্ষমতায় থাকলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট, ক্ষমতার বাইরে থাকলে চাঁদাবাজি। ফুটপাতের ডাব বিক্রেতা থেকে বড় ব্যবসায়ী, সবাইকেই গুনতে হয় এই দলের লোকজনকে। এটা নতুন কিছু না, এটা ধারাবাহিকতা।

সাংবাদিকরা আরমান হোসেন বাবুকে ফোন করেছিলেন। পরিচয় পেয়ে ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন। এই একটা কাজেই বোঝা যায়, লোকটা কতটা জবাবদিহিতার মধ্যে আছেন। উত্তর দিতে হবে না, কারণ উপরে ছাদ আছে। ছাদটা দলীয়।

নুর আলমের ২০০টা ডাব আর একটা ভ্যান গেছে। এটা ছোট ঘটনা মনে হতে পারে। কিন্তু এই ছোট ঘটনাটাই বলে দেয়, ৫ আগস্টের পর বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি এসেছে, আর তার সাথে সাথে পুরনো অভ্যাসগুলোও ফিরে আসছে একে একে। কোনো লজ্জা নেই, কোনো জবাবদিহি নেই, কোনো পরিবর্তন নেই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ