Sunday, February 22, 2026

দেশকে অশান্তিতে ডুবিয়েছে শান্তিতে নোবেলজয়ী ইউনূস

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঘটনাবহুল ১৮ মাসের অবসান ঘটিয়ে বিদায় নিল ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০২৪ সালের আগস্টে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী উত্তাল সময়ে সংস্কার ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন এই নোবেল বিজয়ী। কিন্তু ১৮ মাস পর তার বিদায়লগ্নে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—তিনি দেশকে আসলে কী দিয়ে গেলেন?

ধুঁকছে অর্থনীতি, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

ড. ইউনূস ক্ষমতায় এসেই অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশকে ‘সিঙ্গাপুর’ বানানোর। কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো। বাংলাদেশকে বানানো হয়েছে সিসিমপুর। সমালোচকদের মতে, গত ১৮ মাসে দেশের অর্থনীতি প্রায় পঙ্গু হয়ে গেছে। শিল্প-কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিদেশি এজেন্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ—গ্যাস, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর বিক্রির চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার সরকারের বিরুদ্ধে।

বেসরকারি খাতকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ীরা বলছেন, একের পর এক হত্যা মামলা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে উদ্যোক্তাদের কোণঠাসা করা হয়েছে। অর্থনীতির সূচকগুলো বলছে, এই ১৮ মাসে দেড় কোটি নতুন বেকার এবং প্রায় দুই কোটি চরম দরিদ্র মানুষ সৃষ্টি হয়েছে।

‘মব কালচার’ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি

ড. ইউনূসের শাসনামলে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিল্প-কারখানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনেও বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। তুচ্ছ কারণে সংঘর্ষ ও ক্লাস বন্ধ থাকা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

মুক্ত গণমাধ্যমের কথা বললেও ড. ইউনূসের শাসনামলে সাংবাদিকরা ছিলেন চরম আতঙ্কে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বহু সাংবাদিককে হত্যা মামলার আসামি করে জেলে পাঠানো হয়েছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এই সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাসপোর্ট জটিলতার কারণে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়ার সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। অথচ প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ডক্টর ইউনূস রেকর্ডসংখ্যক বিদেশ সফর করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব সফরের অধিকাংশ ছিল ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ, যার কোনোটিই দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে ছিল না।

রাজনীতির উর্ধ্বে থাকা ক্রীড়াঙ্গনকেও এই সরকার মুক্ত রাখতে পারেনি। বিভেদের রাজনীতি খেলাধুলার পরিবেশকেও বিষিয়ে তুলেছে। শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য নোবেল পাওয়া ডক্টর ইউনূস শেষ পর্যন্ত একটি ‘অমানবিক ও ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পেলেও তার ১৮ মাসের শাসনামলে এদেশের মানুষ কতটা শান্তি পেয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন হাটে-ঘাটে, মাঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মুখে মুখে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঘটনাবহুল ১৮ মাসের অবসান ঘটিয়ে বিদায় নিল ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ২০২৪ সালের আগস্টে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী উত্তাল সময়ে সংস্কার ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন এই নোবেল বিজয়ী। কিন্তু ১৮ মাস পর তার বিদায়লগ্নে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—তিনি দেশকে আসলে কী দিয়ে গেলেন?

ধুঁকছে অর্থনীতি, দিশেহারা সাধারণ মানুষ

ড. ইউনূস ক্ষমতায় এসেই অর্থনীতি চাঙ্গা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশকে ‘সিঙ্গাপুর’ বানানোর। কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো। বাংলাদেশকে বানানো হয়েছে সিসিমপুর। সমালোচকদের মতে, গত ১৮ মাসে দেশের অর্থনীতি প্রায় পঙ্গু হয়ে গেছে। শিল্প-কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিদেশি এজেন্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ—গ্যাস, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দর বিক্রির চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার সরকারের বিরুদ্ধে।

বেসরকারি খাতকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ীরা বলছেন, একের পর এক হত্যা মামলা ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে উদ্যোক্তাদের কোণঠাসা করা হয়েছে। অর্থনীতির সূচকগুলো বলছে, এই ১৮ মাসে দেড় কোটি নতুন বেকার এবং প্রায় দুই কোটি চরম দরিদ্র মানুষ সৃষ্টি হয়েছে।

‘মব কালচার’ ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি

ড. ইউনূসের শাসনামলে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা গণপিটুনি ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শিল্প-কারখানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করা হয়েছে। শিক্ষাঙ্গনেও বিরাজ করছে চরম অস্থিরতা। তুচ্ছ কারণে সংঘর্ষ ও ক্লাস বন্ধ থাকা যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

মুক্ত গণমাধ্যমের কথা বললেও ড. ইউনূসের শাসনামলে সাংবাদিকরা ছিলেন চরম আতঙ্কে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বহু সাংবাদিককে হত্যা মামলার আসামি করে জেলে পাঠানো হয়েছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এই সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাসপোর্ট জটিলতার কারণে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়ার সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। অথচ প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ডক্টর ইউনূস রেকর্ডসংখ্যক বিদেশ সফর করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব সফরের অধিকাংশ ছিল ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ, যার কোনোটিই দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে ছিল না।

রাজনীতির উর্ধ্বে থাকা ক্রীড়াঙ্গনকেও এই সরকার মুক্ত রাখতে পারেনি। বিভেদের রাজনীতি খেলাধুলার পরিবেশকেও বিষিয়ে তুলেছে। শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য নোবেল পাওয়া ডক্টর ইউনূস শেষ পর্যন্ত একটি ‘অমানবিক ও ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।

ড. ইউনূস শান্তিতে নোবেল পেলেও তার ১৮ মাসের শাসনামলে এদেশের মানুষ কতটা শান্তি পেয়েছে, সেই প্রশ্ন এখন হাটে-ঘাটে, মাঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষের মুখে মুখে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ