দুদকের মামলা প্রত্যাহারের বিনিময়ে চাকরি বাগিয়েছেন সাবেক প্রেস উইং কর্মকর্তারা!

সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার নতুন কর্মসংস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সাবেক উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার দায়িত্ব ছাড়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় নতুন ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’-তে যোগ দিয়েছেন।

তবে এই নিয়োগের চেয়েও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সংবাদপত্রের নেপথ্যে থাকা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায়। এই গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই এক বিশাল দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পান।

মামলার প্রেক্ষাপট: ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে।

২০২৪ সালের মার্চ মাসে দুদক এই মামলার চার্জশিট অনুমোদন করেছিল, যেখানে ১৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সরকার ও দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

শফিকুল আলম ফেসবুকে জানিয়েছেন, তিনি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’র সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন এবং আজাদ মজুমদার হয়েছেন এর নির্বাহী সম্পাদক। সরকারের বিলুপ্তির পর একদিনও বেকার না থেকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া হাউজে যোগ দেওয়াকে অনেকেই ‘পুরস্কার’ বা ‘পূর্বনির্ধারিত সমঝোতা’ হিসেবে দেখছেন।

“সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মামলা প্রত্যাহারে প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের ভূমিকা ছিল কি না, এবং সেই সুবিধার বিনিময়েই এই উচ্চপদস্থ চাকরি কি না—সেই প্রশ্ন এখন জনমনে প্রবল।”

দুদক জানিয়েছিল, আনিস আহমেদ তদন্ত চলাকালে বড় অঙ্কের সম্পদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং মামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তবে সমালোচকরা বলছেন, যে মামলার চার্জশিট মার্চ মাসে অনুমোদিত হলো, অক্টোবর মাসে এসে সেই মামলা ‘তদন্তে তথ্য নেই’ বলে প্রত্যাহার করে নেওয়া কতটা বিধিসম্মত ছিল তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ওই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ শুরু করা এই সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে যে, তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে এমজিএইচ গ্রুপের কোনো ধরনের ‘লেনদেন’ বা ‘সমঝোতা’ হয়ে থাকতে পারে।

সদ্য বিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের শীর্ষ দুই কর্মকর্তার নতুন কর্মসংস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সাবেক উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার দায়িত্ব ছাড়ার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় নতুন ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’-তে যোগ দিয়েছেন।

তবে এই নিয়োগের চেয়েও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সংবাদপত্রের নেপথ্যে থাকা বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায়। এই গ্রুপের সিইও আনিস আহমেদ গোর্কি গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেই এক বিশাল দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি পান।

মামলার প্রেক্ষাপট: ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনিস আহমেদের বিরুদ্ধে ১৩৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে।

২০২৪ সালের মার্চ মাসে দুদক এই মামলার চার্জশিট অনুমোদন করেছিল, যেখানে ১৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পদের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সরকার ও দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন।

শফিকুল আলম ফেসবুকে জানিয়েছেন, তিনি ‘দ্য ডেইলি ওয়াদা’র সম্পাদক হিসেবে যোগ দিয়েছেন এবং আজাদ মজুমদার হয়েছেন এর নির্বাহী সম্পাদক। সরকারের বিলুপ্তির পর একদিনও বেকার না থেকে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া হাউজে যোগ দেওয়াকে অনেকেই ‘পুরস্কার’ বা ‘পূর্বনির্ধারিত সমঝোতা’ হিসেবে দেখছেন।

“সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোনো নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর মামলা প্রত্যাহারে প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের ভূমিকা ছিল কি না, এবং সেই সুবিধার বিনিময়েই এই উচ্চপদস্থ চাকরি কি না—সেই প্রশ্ন এখন জনমনে প্রবল।”

দুদক জানিয়েছিল, আনিস আহমেদ তদন্ত চলাকালে বড় অঙ্কের সম্পদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং মামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য নেই। তবে সমালোচকরা বলছেন, যে মামলার চার্জশিট মার্চ মাসে অনুমোদিত হলো, অক্টোবর মাসে এসে সেই মামলা ‘তদন্তে তথ্য নেই’ বলে প্রত্যাহার করে নেওয়া কতটা বিধিসম্মত ছিল তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বিশেষ করে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের ওই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অধীনে কাজ শুরু করা এই সন্দেহকে আরও ঘনীভূত করেছে যে, তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে এমজিএইচ গ্রুপের কোনো ধরনের ‘লেনদেন’ বা ‘সমঝোতা’ হয়ে থাকতে পারে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ