Friday, February 20, 2026

দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস

বাংলাদেশের অর্থনীতির আকাশে এখন কালো মেঘের ঘনঘটা। গত ১৮ মাসে দেশের ঋণের বোঝা যে হারে বেড়েছে, তার বিপরীতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯.২৩ লক্ষ কোটি টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে দেশ ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকার নতুন ঋণের জালে জড়িয়েছে।

ঋণ বাড়লেও উন্নয়ন কোথায়?

বিগত সরকারের আমলে নেওয়া ঋণের বিপরীতে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল বা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান ছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই বিশাল অংকের ঋণের টাকা কোথায় ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। গত ১৮ মাসে নতুন কোনো বড় অবকাঠামো, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা শিল্পকারখানা গড়ে উঠতে দেখা যায়নি। বিনিয়োগকারীদের মতে, উন্নয়নের চাকা কার্যত স্থবির হয়ে আছে, অথচ ঋণের পাল্লা দিন দিন ভারী হচ্ছে।

রিজার্ভ নিয়ে ধূম্রজাল

ক্ষমতা গ্রহণের আগে ও পরে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল যে, বিগত সরকারের আমলে প্রতি বছর ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। যদি পাচার বন্ধ হয়ে থাকে, তবে গাণিতিক হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০.৫ বিলিয়ন ডলার (বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী) রিজার্ভ বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে (নেট রিজার্ভ)। এই বিশাল অংকের ডলার কোথায় গেল? সমালোচকদের দাবি, যদি পাচার বন্ধই হয়ে থাকে, তবে রিজার্ভ কমার এই হার কি সুপরিকল্পিত কোনো অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা নাকি গোপন পাচারের ফল?

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত

বর্তমানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথায় ঋণের যে বোঝা চেপেছে, তা পরিশোধে আগামী কয়েক প্রজন্মকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে হারে রিজার্ভ কমছে এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ বাড়ছে, তাতে রাষ্ট্রকোষ দ্রুতই শূন্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না করে শুধু প্রশাসনিক ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ে ঋণের টাকা খরচ করায় দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ছে।

জুলাই ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। জনগণের দাবি, এই ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকা কোন খাতে খরচ হলো এবং রিজার্ভের ঘাটতি কেন দেখা দিল, তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায়, ঋণের এই পাহাড় বাংলাদেশকে এক দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির আকাশে এখন কালো মেঘের ঘনঘটা। গত ১৮ মাসে দেশের ঋণের বোঝা যে হারে বেড়েছে, তার বিপরীতে দৃশ্যমান উন্নয়ন নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় যেখানে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯.২৩ লক্ষ কোটি টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ, মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে দেশ ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকার নতুন ঋণের জালে জড়িয়েছে।

ঋণ বাড়লেও উন্নয়ন কোথায়?

বিগত সরকারের আমলে নেওয়া ঋণের বিপরীতে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল বা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো মেগা প্রকল্পগুলো দৃশ্যমান ছিল। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই বিশাল অংকের ঋণের টাকা কোথায় ব্যয় হয়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। গত ১৮ মাসে নতুন কোনো বড় অবকাঠামো, বিদ্যুৎকেন্দ্র বা শিল্পকারখানা গড়ে উঠতে দেখা যায়নি। বিনিয়োগকারীদের মতে, উন্নয়নের চাকা কার্যত স্থবির হয়ে আছে, অথচ ঋণের পাল্লা দিন দিন ভারী হচ্ছে।

রিজার্ভ নিয়ে ধূম্রজাল

ক্ষমতা গ্রহণের আগে ও পরে বারবার অভিযোগ করা হয়েছিল যে, বিগত সরকারের আমলে প্রতি বছর ১৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। যদি পাচার বন্ধ হয়ে থাকে, তবে গাণিতিক হিসেবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০.৫ বিলিয়ন ডলার (বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী) রিজার্ভ বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩ বিলিয়ন ডলারের আশেপাশে (নেট রিজার্ভ)। এই বিশাল অংকের ডলার কোথায় গেল? সমালোচকদের দাবি, যদি পাচার বন্ধই হয়ে থাকে, তবে রিজার্ভ কমার এই হার কি সুপরিকল্পিত কোনো অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা নাকি গোপন পাচারের ফল?

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত

বর্তমানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের মাথায় ঋণের যে বোঝা চেপেছে, তা পরিশোধে আগামী কয়েক প্রজন্মকে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে হারে রিজার্ভ কমছে এবং অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ বাড়ছে, তাতে রাষ্ট্রকোষ দ্রুতই শূন্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। কোনো উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ না করে শুধু প্রশাসনিক ও আনুষঙ্গিক ব্যয়ে ঋণের টাকা খরচ করায় দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ছে।

জুলাই ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান চিত্র বলছে ভিন্ন কথা। জনগণের দাবি, এই ২.২৬ লক্ষ কোটি টাকা কোন খাতে খরচ হলো এবং রিজার্ভের ঘাটতি কেন দেখা দিল, তার শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায়, ঋণের এই পাহাড় বাংলাদেশকে এক দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পঙ্গুত্বের দিকে ঠেলে দেবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ