Tuesday, February 17, 2026

ইউনুসের অবৈধ সরকারের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা ও দেশ বিক্রির রাজনীতি

বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আগ্রাসন নতুন কিছু নয়। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশব্যাপী দাঙ্গা, নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা এবং দেশ বিক্রির প্রবণতা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি তারই প্রমাণ।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় বাজার। কিন্তু সেই বাজার ধরে রাখতে গিয়ে বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে অসম সুবিধা। যুক্তরাষ্ট্র মাত্র এক শতাংশ শুল্ক ছাড় দিচ্ছে, আর তার বিনিময়ে বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের এলএনজি, কৃষিপণ্য এবং তুলা আমদানির প্রতিশ্রুতি। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওপর চাপবে দীর্ঘমেয়াদী আমদানি ব্যয়, যা দেশের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। যুক্তরাষ্ট্রের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নীতি বিশ্বের সব দেশের জন্য একই রকম কঠোর, কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য তা আরো বেশি ক্ষতিকর।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই চুক্তিতে অসন্তুষ্ট, কারণ তারা দেখছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ১৮ শতাংশ শুল্ক ছাড় আদায় করতে পেরেছে, কিন্তু বাংলাদেশ পাচ্ছে মাত্র এক শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও, সেই তুলার দাম বেশি, এবং কেন্দ্রীয় মজুদাগার নির্মাণ, কাস্টমসের প্রস্তুতিসহ নানা জটিলতা রয়েছে। ফলে, এই সুবিধা পেতেও লাগবে লম্বা সময়।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি পোশাক রপ্তানির ভ্যালু চেইন কীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যাবে, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই চুক্তি কতটা ক্ষতিকর।

কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই চুক্তির পেছনে কে দায়ী? ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশব্যাপী দাঙ্গা, নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা এবং দেশ বিক্রির প্রবণতা এখন স্পষ্ট। সুদী মহাজন ইউনুস এবং তার অ-সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে তারা শেখ হাসিনার করা কোনো চুক্তিকেই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী প্রমাণ করতে পারেনি। কিন্তু তারা যে চুক্তিগুলো করছে, তার প্রায় সবই দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার চুক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, পাকিস্তান ছাড়া কোনো দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেনি এই সরকার। যুদ্ধপরাধী পাকিস্তানকে মাথায় করে রাখা এই সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল বৈশিষ্ট্য। এই সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আগ্রাসন আরো তীব্র হবে, এবং দেশ দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আগ্রাসন নতুন কিছু নয়। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশব্যাপী দাঙ্গা, নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা এবং দেশ বিক্রির প্রবণতা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি তারই প্রমাণ।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় বাজার। কিন্তু সেই বাজার ধরে রাখতে গিয়ে বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে অসম সুবিধা। যুক্তরাষ্ট্র মাত্র এক শতাংশ শুল্ক ছাড় দিচ্ছে, আর তার বিনিময়ে বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে কয়েক বিলিয়ন ডলারের এলএনজি, কৃষিপণ্য এবং তুলা আমদানির প্রতিশ্রুতি। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওপর চাপবে দীর্ঘমেয়াদী আমদানি ব্যয়, যা দেশের অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। যুক্তরাষ্ট্রের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ নীতি বিশ্বের সব দেশের জন্য একই রকম কঠোর, কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য তা আরো বেশি ক্ষতিকর।

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই চুক্তিতে অসন্তুষ্ট, কারণ তারা দেখছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ১৮ শতাংশ শুল্ক ছাড় আদায় করতে পেরেছে, কিন্তু বাংলাদেশ পাচ্ছে মাত্র এক শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেও, সেই তুলার দাম বেশি, এবং কেন্দ্রীয় মজুদাগার নির্মাণ, কাস্টমসের প্রস্তুতিসহ নানা জটিলতা রয়েছে। ফলে, এই সুবিধা পেতেও লাগবে লম্বা সময়।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ: যুক্তরাষ্ট্রের তুলায় তৈরি পোশাক রপ্তানির ভ্যালু চেইন কীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যাবে, বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই চুক্তি কতটা ক্ষতিকর।

কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, এই চুক্তির পেছনে কে দায়ী? ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশব্যাপী দাঙ্গা, নির্বাচিত সরকারকে উত্খাত এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে যে সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা এবং দেশ বিক্রির প্রবণতা এখন স্পষ্ট। সুদী মহাজন ইউনুস এবং তার অ-সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে তারা শেখ হাসিনার করা কোনো চুক্তিকেই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী প্রমাণ করতে পারেনি। কিন্তু তারা যে চুক্তিগুলো করছে, তার প্রায় সবই দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়ার চুক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দুর্বলতা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন দেখা যায়, পাকিস্তান ছাড়া কোনো দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেনি এই সরকার। যুদ্ধপরাধী পাকিস্তানকে মাথায় করে রাখা এই সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূল বৈশিষ্ট্য। এই সরকারের শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক আগ্রাসন আরো তীব্র হবে, এবং দেশ দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ