সারাদিন ভোট হলো। রাত পর্যন্ত গণনা চললো। সংসদের ফলাফল এসে গেছে। কিন্তু গণভোটের ফলাফল? ডিসিরা বাসায় চলে গেছেন।
নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নেত্রকোনার ডিসি সংসদের ফলাফল দিয়েছেন। গণভোটের দেননি। নির্বাচন কমিশন খোঁজ নিয়ে জানলো ডিসি সাহেবরা ঘুমাতে গেছেন। বলে গিয়েছিলেন শুক্রবার দেবেন। মানে কী? সংসদের ফলাফল রাতেই দিতে পারলেন, গণভোটের পারলেন না? নাকি গণভোটের ফলাফল তখনো তৈরি হয়নি?
চারটা আসনে ‘না’ জিতে গেছে। বান্দরবান, চট্টগ্রাম-১৩, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি। পাহাড়ের মানুষ ‘না’ বলেছে। বাকি দেশে কী হয়েছে সেটা ডিসিরা শুক্রবার জানিয়েছেন। হয়তো ঘুম থেকে উঠে প্রথমে চা খেয়েছেন, তারপর ভেবেছেন কী ফলাফল দেওয়া যায়।
ইসিকে জিজ্ঞেস করলে বলেছেন এটা ডিসির মর্জি। ডিসিকে জিজ্ঞেস করলে বলছেন আমি ঘুমাচ্ছিলাম। গণভোট নাকি নির্বাচনের সাথে একসাথে হয়েছে। একসাথে ভোট, একসাথে গণনা। কিন্তু ফলাফল? একটা রাতে, আরেকটা শুক্রবার সকালে।
কেন? কারণ গণভোটের ফলাফল আগে থেকে রেডি ছিল না। সংসদের ছিল, তাই রাতেই বের হয়ে গেছে। গণভোটেরটা কেমন বানানো যায়, তাই ডিসিরা বাসায় গিয়ে চিন্তা করেছেন সম্ভবত, কোন সংখ্যা দিলে ভালো হয় বিবেচনার দরকার তো আছেই! এই হলো ইউনুসের গণভোট। যেখানে ভোটাররা ভোট দেক আর না দেক, আর ফলাফল বানানো হয়েছে ডিসির বাসাতে বসেই!

