Friday, February 13, 2026

গুলশানে শতকোটি টাকার জমি দখল করলেন উপদেষ্টা রিজওয়ানা

রাজধানীর গুলশানে শতকোটি টাকা মূল্যের প্রায় সাড়ে ২৫ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গুলশান নিকেতনের ২ নম্বর গেটের পাশে, হোটেল ‘সুইসসোটেল’-এর বিপরীতে অবস্থিত এই জমিটি (৪২.২৭ শতাংশ) ‘লেডিস ক্লাব ও পার্ক’ করার নামে দখল করা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ দাবি করেছে।

গত মঙ্গলবার এই কথিত পার্কের উদ্বোধন করেন রিজওয়ানা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জমির প্রকৃত মালিক আব্দুর রহমান সোহেল তার নানার দান সূত্রে এই জমির মালিকানা লাভ করেন। তবে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজউক সোহেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে, যার ফলে তিনি ও তার সহযোগীরা কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন। মালিকপক্ষের অভিযোগ, সমাধানের আশ্বাস দিলেও রাজউক চেয়ারম্যান পর্দার আড়ালে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের সাথে যোগসাজশে জমিটি দখলের পরিকল্পনা করেন।

অভিযোগ উঠেছে, এই দখল প্রক্রিয়ায় মূল সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন রাজউক কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা, যিনি নিজেকে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার নির্দেশেই গত সোমবার রাতে হঠাৎ বুলডোজার নিয়ে সেখানে থাকা সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উচ্ছেদের সময় সেখানে একদল বহিরাগত লাঠিয়াল বাহিনীও অবস্থান নেয়। অভিযোগ রয়েছে, পার্কের নাম দেওয়া হলেও মূলত সেখানে বাণিজ্যিক দোকান তৈরি করা হবে, যার একটি অংশ উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠজনদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জমির মালিক আব্দুর রহমান সোহেল জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি পুনরায় রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে গেলে চেয়ারম্যান তাকে সাফ জানিয়ে দেন, “উপদেষ্টা ও তার বান্ধবী যা করছেন করতে দিন, পরে আমি ভেঙে আপনাদের জমি বুঝিয়ে দেব।” তবে এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে মামলা দিয়ে পুনরায় গ্রেফতারের হুমকিও দেওয়া হয় তাকে। চেয়ারম্যানের এমন মারমুখী ও বিতর্কিত অবস্থানের কারণে মালিকপক্ষ বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভয় পাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী সোহেল আরও দাবি করেন, তিনি জমির সমস্ত বৈধ নথিপত্র উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ব্যক্তিগত মোবাইলে পাঠিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া মেলেনি। বরং সব প্রতিবাদ উপেক্ষা করেই আজ দখলকৃত জমিতে ঘটা করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে শতকোটি টাকা মূল্যের প্রায় সাড়ে ২৫ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গুলশান নিকেতনের ২ নম্বর গেটের পাশে, হোটেল ‘সুইসসোটেল’-এর বিপরীতে অবস্থিত এই জমিটি (৪২.২৭ শতাংশ) ‘লেডিস ক্লাব ও পার্ক’ করার নামে দখল করা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ দাবি করেছে।

গত মঙ্গলবার এই কথিত পার্কের উদ্বোধন করেন রিজওয়ানা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, জমির প্রকৃত মালিক আব্দুর রহমান সোহেল তার নানার দান সূত্রে এই জমির মালিকানা লাভ করেন। তবে গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজউক সোহেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে, যার ফলে তিনি ও তার সহযোগীরা কারাবরণ করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি জমির মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ মেটাতে রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন। মালিকপক্ষের অভিযোগ, সমাধানের আশ্বাস দিলেও রাজউক চেয়ারম্যান পর্দার আড়ালে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের সাথে যোগসাজশে জমিটি দখলের পরিকল্পনা করেন।

অভিযোগ উঠেছে, এই দখল প্রক্রিয়ায় মূল সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন রাজউক কর্মকর্তা রাজিয়া সুলতানা, যিনি নিজেকে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসানের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী পরিচয় দিয়ে থাকেন। তার নির্দেশেই গত সোমবার রাতে হঠাৎ বুলডোজার নিয়ে সেখানে থাকা সব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উচ্ছেদের সময় সেখানে একদল বহিরাগত লাঠিয়াল বাহিনীও অবস্থান নেয়। অভিযোগ রয়েছে, পার্কের নাম দেওয়া হলেও মূলত সেখানে বাণিজ্যিক দোকান তৈরি করা হবে, যার একটি অংশ উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠজনদের বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জমির মালিক আব্দুর রহমান সোহেল জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি পুনরায় রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে গেলে চেয়ারম্যান তাকে সাফ জানিয়ে দেন, “উপদেষ্টা ও তার বান্ধবী যা করছেন করতে দিন, পরে আমি ভেঙে আপনাদের জমি বুঝিয়ে দেব।” তবে এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে মামলা দিয়ে পুনরায় গ্রেফতারের হুমকিও দেওয়া হয় তাকে। চেয়ারম্যানের এমন মারমুখী ও বিতর্কিত অবস্থানের কারণে মালিকপক্ষ বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে ভয় পাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী সোহেল আরও দাবি করেন, তিনি জমির সমস্ত বৈধ নথিপত্র উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ব্যক্তিগত মোবাইলে পাঠিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত উপদেষ্টার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাড়া মেলেনি। বরং সব প্রতিবাদ উপেক্ষা করেই আজ দখলকৃত জমিতে ঘটা করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ