Tuesday, February 10, 2026

আইনজীবীদের ক্ষোভ: আসন্ন নির্বাচন প্রহসনমূলক ও অগণতান্ত্রিক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের আইনজীবী সমাজের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। সুপ্রিম কোর্টসহ বিভিন্ন স্তরের শত শত আইনজীবী এক যৌথ বিবৃতিতে এই নির্বাচনকে “অগণতান্ত্রিক”, “প্রহসনমূলক” এবং “গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ভয়ংকর বিচ্যুতি” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানে নিশ্চিত ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার বাস্তবে অকার্যকর করা হয়েছে। প্রধান বিরোধী দলসহ বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজনকে সরাসরি সংবিধানের সঙ্গে প্রতারণা বলে মনে করা হচ্ছে। এটিকে “অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার কৃত্রিম আয়োজন” হিসেবে বর্ণনা করে আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন যে, ভয়-ভীতি, খুন-জুলুম, মিথ্যা মামলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের একতরফা ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ গুরুতরভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ প্রশাসকের পরিবর্তে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে, যা “level playing field” নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের সমতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভোটার তালিকায় ভুয়া ও মৃত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি, ডাকযোগে ব্যালটে কারসাজির অভিযোগসহ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যের সঙ্গে এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।

আইনজীবীরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ মানে অন্যায় ও অসাংবিধানিক কাজের প্রতি নীরব সম্মতি দেওয়া। তারা সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করলেও নীরবতাকে আরও কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন। নির্বাচন বর্জনকে রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়, বরং গণতন্ত্র, সংবিধান, জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার ন্যায়সংগত নাগরিক প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই বিবৃতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনজীবী সমাজের স্পষ্ট, দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থানের প্রতিফলন। এরকম উদ্বেগ শুধু আইনজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—পেশাজীবী সংগঠনসহ অন্যান্য মহল থেকেও একই ধরনের বয়কটের ডাক উঠেছে, যা আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের আইনজীবী সমাজের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে। সুপ্রিম কোর্টসহ বিভিন্ন স্তরের শত শত আইনজীবী এক যৌথ বিবৃতিতে এই নির্বাচনকে “অগণতান্ত্রিক”, “প্রহসনমূলক” এবং “গণতান্ত্রিক ইতিহাসে ভয়ংকর বিচ্যুতি” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানে নিশ্চিত ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের অধিকার বাস্তবে অকার্যকর করা হয়েছে। প্রধান বিরোধী দলসহ বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রক্রিয়ার বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজনকে সরাসরি সংবিধানের সঙ্গে প্রতারণা বলে মনে করা হচ্ছে। এটিকে “অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেওয়ার কৃত্রিম আয়োজন” হিসেবে বর্ণনা করে আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন যে, ভয়-ভীতি, খুন-জুলুম, মিথ্যা মামলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের একতরফা ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ গুরুতরভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষ প্রশাসকের পরিবর্তে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে, যা “level playing field” নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধানের সমতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভোটার তালিকায় ভুয়া ও মৃত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি, ডাকযোগে ব্যালটে কারসাজির অভিযোগসহ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যের সঙ্গে এটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।

আইনজীবীরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ মানে অন্যায় ও অসাংবিধানিক কাজের প্রতি নীরব সম্মতি দেওয়া। তারা সহিংসতা প্রত্যাখ্যান করলেও নীরবতাকে আরও কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছেন। নির্বাচন বর্জনকে রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়, বরং গণতন্ত্র, সংবিধান, জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় ঐক্য রক্ষার ন্যায়সংগত নাগরিক প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই বিবৃতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনজীবী সমাজের স্পষ্ট, দৃঢ় ও আপসহীন অবস্থানের প্রতিফলন। এরকম উদ্বেগ শুধু আইনজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—পেশাজীবী সংগঠনসহ অন্যান্য মহল থেকেও একই ধরনের বয়কটের ডাক উঠেছে, যা আসন্ন নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন তুলেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ