Monday, February 9, 2026

জামাত আর ইউনুস : একই মুদ্রার দুই পিঠ, নতুন যুগের মীরজাফরদের দুই উত্তসূরী

ঢাকার শাহবাগে যা হলো শুক্রবার, সেটা দেখে যদি কারো মনে হয় এটা স্বতঃস্ফূর্ত কোনো আন্দোলন ছিল, তাহলে তার চোখে যে ছানি পড়েছে, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়! হাদী ইস্যু নিয়ে এত দিন কেউ মাথা ঘামায়নি, হঠাৎ করে এখন প্রাণ দিয়ে লড়াই করার মতো বিষয় হয়ে গেল কেন? কারণটা পরিষ্কার। নির্বাচন সামনে, আর জামাত টের পাচ্ছে তাদের জাহাজ ডুবতে চলেছে। সেনাবাহিনীর যে অংশটা তারা ম্যানেজ করতে পেরেছিল বলে মনে করছিল, সেখানেও জল ঢুকে যাচ্ছে। বিএনপির দিকে ঝোঁক থাকলেও পুরো বাহিনী তো আর তাদের পকেটে নেই। তাই দরকার ছিল আরেকটা লাশ, আরেকটা জুলাই, আরেকটা গণঅভ্যুত্থানের নাটক।

ইউনুস সাহেব গরীবদের ঋণ দিয়ে নোবেল পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু রাজনীতির মাঠে তিনি যে সুদ আদায় করছেন সেটা রক্তের সুদ। তার হিসেবটা সোজা ছিল। আরেকটা লাশ পড়লে আরও ছয় মাস ক্ষমতায় বসে থাকা যাবে। জুলাইয়ে যেভাবে হাজারখানেক তরুণের রক্ত ঝরিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন, সেই রেসিপি আবার কাজে লাগানোর চেষ্টা। গুলির গুজব রটানো হলো, পুলিশকে উস্কানি দেওয়া হলো, আর সামনে দাঁড় করানো হলো জাবির ছাত্রদের। এই ছেলেপেলেগুলো হয়তো জানতই না যে তাদের একজনকে শহীদ বানিয়ে আরেকটা জুলাই বানানোর চক্রান্ত চলছে। যখন টের পেয়েছে, তখনই আন্দোলন গুটিয়ে নিয়েছে।

জামাত যে কত নিচে নামতে পারে, সেটা আমরা ১৯৭১ সালেই দেখেছি। তখন তারা পাকিস্তানের হয়ে বাংলাদেশীদের মেরেছে, ধর্ষণ করিয়েছে, বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। ২০২৪ সালে এসে তারা আবার একই কাজ করল, শুধু পতাকা বদলে গেছে। এবার বিদেশি মদদ, বিশেষ করে পশ্চিমা কিছু শক্তির টাকায় আর ইসলামের নাম ভাঙিয়ে তারা সেই পুরনো খেলায় নেমেছে। জুলাইয়ের দাঙ্গা ছিল পরিকল্পিত ক্যু, আর সেই ক্যুয়ের মূল হোতা ছিল জামাত আর তাদের বন্ধুরা।

এখন নির্বাচন সামনে রেখে তাদের মাথায় হাত। ভুয়া নির্বাচন পর্যবেক্ষক আনা হচ্ছে, আনসারের ভিডিপি দিয়ে বুথ দখলের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গাজিপুরে ব্যালট বিতরণ স্থগিত করা হলো কেন? কারণ তারা জানে, সৎ নির্বাচনে তাদের কোনো আসন আসবে না। মানুষ এদের চেনে এখন। এরা যুদ্ধাপরাধী, এরা দেশদ্রোহী, এরা বিদেশি মদদপুষ্ট দালাল।

ইউনুস সাহেব যতই নোবেল পুরস্কার দেখান না কেন, তিনি একজন অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী। তার কোনো গণভিত্তি নেই, কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। আছে শুধু সামরিক বাহিনীর একটা অংশের সমর্থন আর জামাতের মতো জঙ্গি সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা। এই লোক গরীবদের ঋণের ফাঁদে ফেলে কোটিপতি হয়েছেন, এখন দেশকে ফাঁদে ফেলে ক্ষমতার মজা লুটছেন।

সেনাবাহিনীর যে অংশটা বিএনপি আর জামাতের দিকে ঝুঁকে গেছে, তারা তাদের সংবিধান আর শপথ ভুলে গেছে। তারা ভুলে গেছে তাদের দায়িত্ব দেশের প্রতি, কোনো দলের প্রতি নয়। জামাত এটা ভালোভাবেই জানে যে সেনাবাহিনী যদি নিরপেক্ষ থাকে, তাহলে তাদের খেলা শেষ। তাই তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যকে, ঠিক যেভাবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেছিল।

পুলিশকে উস্কে দেওয়া হয়েছিল গতকাল। তাদের বলা হয়েছিল সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ করতে। জুলাইয়ের পর পুলিশ অপমানিত, লাঞ্ছিত। তাদের সেই ক্ষোভকে কাজে লাগানোর চেষ্টা হয়েছে। একটা সংঘর্ষ বাধিয়ে লাশ ফেলার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সেটা পুরোপুরি সফল হয়নি।

জামাত নিজেদের স্বার্থের জন্য যে কোনো জঘন্য কাজ করতে পারে, এটা প্রমাণিত সত্য। ১৯৭১ সালে গণহত্যায় অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের নৃশংসতা, তারপর ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যা। প্রতিবার তারা ধর্মের নাম নিয়ে মানুষ মারে, প্রতিবার তারা বিদেশি প্রভুদের সেবা করে, প্রতিবার তারা বাংলাদেশের মানুষের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়।

এখন তারা বুঝতে পারছে ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন হলে তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে আসবে। মানুষ জানে এরা কারা, এরা কী করেছে। তাই শেষ চেষ্টা হিসেবে তারা নির্বাচনই বন্ধ করে দিতে চায়। ব্যালট ছিনতাই, নির্বাচনী সরঞ্জাম নষ্ট করা, কেন্দ্র দখল, এসবই তাদের পরিকল্পনার অংশ। কারণ গণতান্ত্রিক উপায়ে তারা কখনো ক্ষমতায় আসতে পারবে না, এটা তারা জানে।

ইউনুস আর জামাতের এই অপবিত্র জোট বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। একজন মহাজন সাহেব আর একদল যুদ্ধাপরাধী মিলে দেশ চালাচ্ছে, এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে? জুলাইয়ে যে হাজার তরুণের রক্ত ঝরেছে, তার দায় এই লোকগুলোর ঘাড়ে। আর এখন তারা আরও রক্তপাতের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কারণ রক্তই তাদের রাজনীতির ভিত্তি, মৃত্যুই তাদের ক্ষমতার উৎস।

ঢাকার শাহবাগে যা হলো শুক্রবার, সেটা দেখে যদি কারো মনে হয় এটা স্বতঃস্ফূর্ত কোনো আন্দোলন ছিল, তাহলে তার চোখে যে ছানি পড়েছে, তা নিশ্চিত করেই বলা যায়! হাদী ইস্যু নিয়ে এত দিন কেউ মাথা ঘামায়নি, হঠাৎ করে এখন প্রাণ দিয়ে লড়াই করার মতো বিষয় হয়ে গেল কেন? কারণটা পরিষ্কার। নির্বাচন সামনে, আর জামাত টের পাচ্ছে তাদের জাহাজ ডুবতে চলেছে। সেনাবাহিনীর যে অংশটা তারা ম্যানেজ করতে পেরেছিল বলে মনে করছিল, সেখানেও জল ঢুকে যাচ্ছে। বিএনপির দিকে ঝোঁক থাকলেও পুরো বাহিনী তো আর তাদের পকেটে নেই। তাই দরকার ছিল আরেকটা লাশ, আরেকটা জুলাই, আরেকটা গণঅভ্যুত্থানের নাটক।

ইউনুস সাহেব গরীবদের ঋণ দিয়ে নোবেল পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু রাজনীতির মাঠে তিনি যে সুদ আদায় করছেন সেটা রক্তের সুদ। তার হিসেবটা সোজা ছিল। আরেকটা লাশ পড়লে আরও ছয় মাস ক্ষমতায় বসে থাকা যাবে। জুলাইয়ে যেভাবে হাজারখানেক তরুণের রক্ত ঝরিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন, সেই রেসিপি আবার কাজে লাগানোর চেষ্টা। গুলির গুজব রটানো হলো, পুলিশকে উস্কানি দেওয়া হলো, আর সামনে দাঁড় করানো হলো জাবির ছাত্রদের। এই ছেলেপেলেগুলো হয়তো জানতই না যে তাদের একজনকে শহীদ বানিয়ে আরেকটা জুলাই বানানোর চক্রান্ত চলছে। যখন টের পেয়েছে, তখনই আন্দোলন গুটিয়ে নিয়েছে।

জামাত যে কত নিচে নামতে পারে, সেটা আমরা ১৯৭১ সালেই দেখেছি। তখন তারা পাকিস্তানের হয়ে বাংলাদেশীদের মেরেছে, ধর্ষণ করিয়েছে, বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছে। ২০২৪ সালে এসে তারা আবার একই কাজ করল, শুধু পতাকা বদলে গেছে। এবার বিদেশি মদদ, বিশেষ করে পশ্চিমা কিছু শক্তির টাকায় আর ইসলামের নাম ভাঙিয়ে তারা সেই পুরনো খেলায় নেমেছে। জুলাইয়ের দাঙ্গা ছিল পরিকল্পিত ক্যু, আর সেই ক্যুয়ের মূল হোতা ছিল জামাত আর তাদের বন্ধুরা।

এখন নির্বাচন সামনে রেখে তাদের মাথায় হাত। ভুয়া নির্বাচন পর্যবেক্ষক আনা হচ্ছে, আনসারের ভিডিপি দিয়ে বুথ দখলের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গাজিপুরে ব্যালট বিতরণ স্থগিত করা হলো কেন? কারণ তারা জানে, সৎ নির্বাচনে তাদের কোনো আসন আসবে না। মানুষ এদের চেনে এখন। এরা যুদ্ধাপরাধী, এরা দেশদ্রোহী, এরা বিদেশি মদদপুষ্ট দালাল।

ইউনুস সাহেব যতই নোবেল পুরস্কার দেখান না কেন, তিনি একজন অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী। তার কোনো গণভিত্তি নেই, কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। আছে শুধু সামরিক বাহিনীর একটা অংশের সমর্থন আর জামাতের মতো জঙ্গি সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা। এই লোক গরীবদের ঋণের ফাঁদে ফেলে কোটিপতি হয়েছেন, এখন দেশকে ফাঁদে ফেলে ক্ষমতার মজা লুটছেন।

সেনাবাহিনীর যে অংশটা বিএনপি আর জামাতের দিকে ঝুঁকে গেছে, তারা তাদের সংবিধান আর শপথ ভুলে গেছে। তারা ভুলে গেছে তাদের দায়িত্ব দেশের প্রতি, কোনো দলের প্রতি নয়। জামাত এটা ভালোভাবেই জানে যে সেনাবাহিনী যদি নিরপেক্ষ থাকে, তাহলে তাদের খেলা শেষ। তাই তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে সেনাবাহিনীর কিছু সদস্যকে, ঠিক যেভাবে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেছিল।

পুলিশকে উস্কে দেওয়া হয়েছিল গতকাল। তাদের বলা হয়েছিল সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ করতে। জুলাইয়ের পর পুলিশ অপমানিত, লাঞ্ছিত। তাদের সেই ক্ষোভকে কাজে লাগানোর চেষ্টা হয়েছে। একটা সংঘর্ষ বাধিয়ে লাশ ফেলার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু সেটা পুরোপুরি সফল হয়নি।

জামাত নিজেদের স্বার্থের জন্য যে কোনো জঘন্য কাজ করতে পারে, এটা প্রমাণিত সত্য। ১৯৭১ সালে গণহত্যায় অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরের নৃশংসতা, তারপর ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যা। প্রতিবার তারা ধর্মের নাম নিয়ে মানুষ মারে, প্রতিবার তারা বিদেশি প্রভুদের সেবা করে, প্রতিবার তারা বাংলাদেশের মানুষের শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়।

এখন তারা বুঝতে পারছে ক্ষমতা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন হলে তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে আসবে। মানুষ জানে এরা কারা, এরা কী করেছে। তাই শেষ চেষ্টা হিসেবে তারা নির্বাচনই বন্ধ করে দিতে চায়। ব্যালট ছিনতাই, নির্বাচনী সরঞ্জাম নষ্ট করা, কেন্দ্র দখল, এসবই তাদের পরিকল্পনার অংশ। কারণ গণতান্ত্রিক উপায়ে তারা কখনো ক্ষমতায় আসতে পারবে না, এটা তারা জানে।

ইউনুস আর জামাতের এই অপবিত্র জোট বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। একজন মহাজন সাহেব আর একদল যুদ্ধাপরাধী মিলে দেশ চালাচ্ছে, এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে? জুলাইয়ে যে হাজার তরুণের রক্ত ঝরেছে, তার দায় এই লোকগুলোর ঘাড়ে। আর এখন তারা আরও রক্তপাতের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কারণ রক্তই তাদের রাজনীতির ভিত্তি, মৃত্যুই তাদের ক্ষমতার উৎস।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ