Monday, February 9, 2026

রাজনৈতিক দলগুলোর সংখ্যালঘুদের স্বার্থ উপেক্ষিত, ঐক্য পরিষদের তীব্র ক্ষোভ

বিএনপিসহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতকরণের বিষয়টি সামগ্রিকভাবে উপেক্ষিত থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংবিধানের রাষ্ট্রীয় মৌলনীতি থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বিলোপ এবং দেশের এক-দশমাংশ ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে স্থান না পাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক।

একই সাথে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্প্রতি আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ।

ওই সাক্ষাৎকারে সংখ্যালঘুদের ওপর পরিচালিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নিছক রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করে লঘু করে দেখার যে প্রবণতা দেখানো হয়েছে, তাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি। ঐক্য পরিষদ মনে করে, নির্বাচনী প্রচারণায় মৌখিকভাবে নিরাপত্তার অভয়দান বর্তমানে সংখ্যালঘু জনমনে কোনোভাবেই আস্থা বা আশা জাগাতে পারছে না।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহের এমন নির্মম উপেক্ষা ও অবহেলা ভবিষ্যতে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর এই উদাসীনতার নেতিবাচক প্রভাব যদি নির্বাচনে প্রতিফলিত হয়, তবে এর জন্য সংখ্যালঘুদের কোনোভাবেই দায়ী করা যাবে না। মূলত এই উপেক্ষা দেশের সংখ্যালঘু সমাজকে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

বিএনপিসহ দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর স্বার্থ ও অধিকার নিশ্চিতকরণের বিষয়টি সামগ্রিকভাবে উপেক্ষিত থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সংবিধানের রাষ্ট্রীয় মৌলনীতি থেকে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বিলোপ এবং দেশের এক-দশমাংশ ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে স্থান না পাওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক।

একই সাথে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সম্প্রতি আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ।

ওই সাক্ষাৎকারে সংখ্যালঘুদের ওপর পরিচালিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নিছক রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করে লঘু করে দেখার যে প্রবণতা দেখানো হয়েছে, তাকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেছে সংগঠনটি। ঐক্য পরিষদ মনে করে, নির্বাচনী প্রচারণায় মৌখিকভাবে নিরাপত্তার অভয়দান বর্তমানে সংখ্যালঘু জনমনে কোনোভাবেই আস্থা বা আশা জাগাতে পারছে না।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহের এমন নির্মম উপেক্ষা ও অবহেলা ভবিষ্যতে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। সংগঠনটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর এই উদাসীনতার নেতিবাচক প্রভাব যদি নির্বাচনে প্রতিফলিত হয়, তবে এর জন্য সংখ্যালঘুদের কোনোভাবেই দায়ী করা যাবে না। মূলত এই উপেক্ষা দেশের সংখ্যালঘু সমাজকে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ