Sunday, February 8, 2026

নির্বাচিত সরকার উৎখাতের পর সন্ত্রাস: হিউম্যান রাইটস ওয়াচের চোখে ইউনূসের শাসন

ইউনূসের অবৈধ সরকার দেশকে যেভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তার চেয়ে বড় জাতীয় বিপর্যয় বাংলাদেশ সম্ভবত স্বাধীনতার পর আর দেখেনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন যা বলেছে, তা আসলে বাস্তবতার একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। পুরো চিত্র আরও ভয়াবহ।

ক্যু’র মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর ইউনূস এবং তার দোসররা যা করেছে, তা কোনো সভ্য দেশে কল্পনাও করা যায় না। প্রায় ৮ হাজার ৬০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শুধুমাত্র তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে। কোনো প্রমাণ নেই, কোনো সুষ্ঠু তদন্ত নেই, শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সংশ্লিষ্টতাই যথেষ্ট অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একটা মামলায় ৮ হাজার ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই অজ্ঞাতনামা। এর মানে হলো তারা জানেই না কাকে গ্রেপ্তার করতে হবে, কিন্তু সংখ্যাটা বাড়াতেই হবে, ভয় দেখাতেই হবে।

গোপালগঞ্জের ঘটনা একটা নিখুঁত উদাহরণ। জুলাইয়ে কিছু তথাকথিত শিক্ষার্থীদের সমাবেশের পর সহিংসতায় পাঁচজন মারা গেলেন। কিন্তু পুলিশ কী করলো? যারা সহিংসতা ঘটিয়েছে তাদের খোঁজার বদলে শুরু হলো নির্বিচার গ্রেপ্তার অভিযান। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ধরে ধরে জেলে পুরা হলো। এটাকে আইনশৃঙ্খলা বলে না, এটাকে বলে রাজনৈতিক প্রতিশোধ।

আর এই জামিন না দেওয়ার যে নীতি, এটা তো পুরোপুরি আইনের শাসনের ওপর থুতু মারা। বিচার হয়নি, প্রমাণ নেই, তদন্ত চলছে কিনা তাও পরিষ্কার না, কিন্তু জামিন পাবেন না। অভিনেতা, গায়ক, আইনজীবী, সাধারণ কর্মী, সবাই জেলে পচছেন মাসের পর মাস। এটা কোন ধরনের বিচারব্যবস্থা? একজন মানুষকে আটকে রাখার জন্য তো ন্যূনতম কিছু প্রমাণ লাগে, কিন্তু এখানে প্রমাণের দরকারই নেই। শুধু সন্দেহ আর রাজনৈতিক পরিচয়ই যথেষ্ট।

হেফাজতে মৃত্যুর যে পরিসংখ্যান এসেছে, সেটা আরও ভয়ংকর। ৪০ জন মানুষ মারা গেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে, যার মধ্যে ১৪ জনকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। নির্যাতন করে মানুষ মারা, এটা তো মধ্যযুগীয় বর্বরতা। ইউনূস আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা যখন মানবাধিকার সংস্কারের কথা বলেন, তখন এই ৪০টা মৃতদেহের কী জবাব দেবেন তারা?

অন্তর্বর্তী সরকার যে কথা বলে আর বাস্তবে যা করছে, তার মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। তারা বলছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করবেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বাস্তবে করছেন ঠিক উল্টোটা। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো, যে দলটি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংগঠন, যে দলের লাখ লাখ সমর্থক আছে। এই লোকগুলো কি রাতারাতি দেশের নাগরিকত্ব হারিয়ে ফেলেছে? তাদের কি রাজনীতি করার অধিকার নেই? একটা দল নিষিদ্ধ করে দিয়ে আবার গণতন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, এটা কেমন গণতন্ত্র?

সাইবার নিরাপত্তা আইনের যে ব্যবহার হচ্ছে, সেটাও চরম উদ্বেগজনক। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে যাকে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কেউ রেহাই পাচ্ছেন না। আর এই ধর্মীয় অনুভূতির কথা বলে যারা মামলা করছে, তাদের তো কোনো জবাবদিহিতা নেই। যে কেউ যেকোনো সময় যেকোনো লেখকের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিতে পারছে, আর পুলিশ সেই মামলা নিয়ে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হচ্ছে। এটা তো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ হত্যা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের যে প্রহসন চলছে, সেটা আরেকটা লজ্জাজনক অধ্যায়। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই বিচারের মান কী ছিল? আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মানা হয়েছে কি? যথাযথ আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে কি? এই ট্রাইব্যুনালকে এখন রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। একটা ট্রাইব্যুনাল, যার কাজ বিচার করা, সে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করবে? এটা কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা?

মবের সহিংসতার যে বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, সেটাও ইউনূস সরকারের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রমাণ। ১২৪ জন মানুষ গণপিটুনিতে মারা গেছেন। এটা কী ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি? সরকার তো মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। যে কেউ যেকোনো সময় রাস্তায় পিটিয়ে মারা যাচ্ছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেই। পুলিশ ব্যস্ত আওয়ামী লীগ কর্মী ধরতে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার সময় তাদের নেই।

নারীদের ওপর হামলা, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, এসবও বেড়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। বরং যারা এসব অপরাধ করছে, তারা অনেক ক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে বলে অভিযোগ।

ইউনূস ক্ষমতায় এসেছিলেন বিদেশি মদদে, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে, আর জঙ্গি উপাদানদের সহায়তায়। এটা এখন আর গোপন কিছু নেই। জুলাইয়ের সহিংসতা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার লক্ষ্য ছিল একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়া। আর এখন যা হচ্ছে, তা সেই ষড়যন্ত্রেরই ফলাফল। দেশ পরিচালিত হচ্ছে অগণতান্ত্রিক শক্তির হাতে, যাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই, কোনো বৈধতা নেই।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ইউনূস সরকার দেশটাকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, কিন্তু সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। তারা ব্যস্ত আছে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতে, দেশ চালানোর সময় তাদের নেই। প্রতিদিন যে হারে মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছে, জেলে পচছে, নির্যাতিত হচ্ছে, তাতে এটা পরিষ্কার যে এই সরকারের লক্ষ্য দেশের উন্নয়ন নয়, লক্ষ্য হলো একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটা সতর্কবার্তা হওয়া উচিত। বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা শুধু একটা দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নয়, এটা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

ইউনূসের অবৈধ সরকার দেশকে যেভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, তার চেয়ে বড় জাতীয় বিপর্যয় বাংলাদেশ সম্ভবত স্বাধীনতার পর আর দেখেনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন যা বলেছে, তা আসলে বাস্তবতার একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। পুরো চিত্র আরও ভয়াবহ।

ক্যু’র মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর ইউনূস এবং তার দোসররা যা করেছে, তা কোনো সভ্য দেশে কল্পনাও করা যায় না। প্রায় ৮ হাজার ৬০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে শুধুমাত্র তাদের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে। কোনো প্রমাণ নেই, কোনো সুষ্ঠু তদন্ত নেই, শুধু আওয়ামী লীগের সাথে সংশ্লিষ্টতাই যথেষ্ট অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একটা মামলায় ৮ হাজার ৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই অজ্ঞাতনামা। এর মানে হলো তারা জানেই না কাকে গ্রেপ্তার করতে হবে, কিন্তু সংখ্যাটা বাড়াতেই হবে, ভয় দেখাতেই হবে।

গোপালগঞ্জের ঘটনা একটা নিখুঁত উদাহরণ। জুলাইয়ে কিছু তথাকথিত শিক্ষার্থীদের সমাবেশের পর সহিংসতায় পাঁচজন মারা গেলেন। কিন্তু পুলিশ কী করলো? যারা সহিংসতা ঘটিয়েছে তাদের খোঁজার বদলে শুরু হলো নির্বিচার গ্রেপ্তার অভিযান। আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ধরে ধরে জেলে পুরা হলো। এটাকে আইনশৃঙ্খলা বলে না, এটাকে বলে রাজনৈতিক প্রতিশোধ।

আর এই জামিন না দেওয়ার যে নীতি, এটা তো পুরোপুরি আইনের শাসনের ওপর থুতু মারা। বিচার হয়নি, প্রমাণ নেই, তদন্ত চলছে কিনা তাও পরিষ্কার না, কিন্তু জামিন পাবেন না। অভিনেতা, গায়ক, আইনজীবী, সাধারণ কর্মী, সবাই জেলে পচছেন মাসের পর মাস। এটা কোন ধরনের বিচারব্যবস্থা? একজন মানুষকে আটকে রাখার জন্য তো ন্যূনতম কিছু প্রমাণ লাগে, কিন্তু এখানে প্রমাণের দরকারই নেই। শুধু সন্দেহ আর রাজনৈতিক পরিচয়ই যথেষ্ট।

হেফাজতে মৃত্যুর যে পরিসংখ্যান এসেছে, সেটা আরও ভয়ংকর। ৪০ জন মানুষ মারা গেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে, যার মধ্যে ১৪ জনকে নির্যাতন করে মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। নির্যাতন করে মানুষ মারা, এটা তো মধ্যযুগীয় বর্বরতা। ইউনূস আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা যখন মানবাধিকার সংস্কারের কথা বলেন, তখন এই ৪০টা মৃতদেহের কী জবাব দেবেন তারা?

অন্তর্বর্তী সরকার যে কথা বলে আর বাস্তবে যা করছে, তার মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। তারা বলছে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করবেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করবেন। কিন্তু বাস্তবে করছেন ঠিক উল্টোটা। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হলো, যে দলটি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সংগঠন, যে দলের লাখ লাখ সমর্থক আছে। এই লোকগুলো কি রাতারাতি দেশের নাগরিকত্ব হারিয়ে ফেলেছে? তাদের কি রাজনীতি করার অধিকার নেই? একটা দল নিষিদ্ধ করে দিয়ে আবার গণতন্ত্রের কথা বলা হচ্ছে, এটা কেমন গণতন্ত্র?

সাইবার নিরাপত্তা আইনের যে ব্যবহার হচ্ছে, সেটাও চরম উদ্বেগজনক। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বলে যাকে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কেউ রেহাই পাচ্ছেন না। আর এই ধর্মীয় অনুভূতির কথা বলে যারা মামলা করছে, তাদের তো কোনো জবাবদিহিতা নেই। যে কেউ যেকোনো সময় যেকোনো লেখকের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিতে পারছে, আর পুলিশ সেই মামলা নিয়ে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হচ্ছে। এটা তো মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সম্পূর্ণ হত্যা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের যে প্রহসন চলছে, সেটা আরেকটা লজ্জাজনক অধ্যায়। শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই বিচারের মান কী ছিল? আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মানা হয়েছে কি? যথাযথ আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে কি? এই ট্রাইব্যুনালকে এখন রাজনৈতিক সংগঠন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। একটা ট্রাইব্যুনাল, যার কাজ বিচার করা, সে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করবে? এটা কোন ধরনের আইনি ব্যবস্থা?

মবের সহিংসতার যে বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, সেটাও ইউনূস সরকারের সম্পূর্ণ ব্যর্থতার প্রমাণ। ১২৪ জন মানুষ গণপিটুনিতে মারা গেছেন। এটা কী ধরনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি? সরকার তো মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। যে কেউ যেকোনো সময় রাস্তায় পিটিয়ে মারা যাচ্ছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেই। পুলিশ ব্যস্ত আওয়ামী লীগ কর্মী ধরতে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার সময় তাদের নেই।

নারীদের ওপর হামলা, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন, এসবও বেড়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। বরং যারা এসব অপরাধ করছে, তারা অনেক ক্ষেত্রে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে বলে অভিযোগ।

ইউনূস ক্ষমতায় এসেছিলেন বিদেশি মদদে, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে, আর জঙ্গি উপাদানদের সহায়তায়। এটা এখন আর গোপন কিছু নেই। জুলাইয়ের সহিংসতা ছিল একটা সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র, যার লক্ষ্য ছিল একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়া। আর এখন যা হচ্ছে, তা সেই ষড়যন্ত্রেরই ফলাফল। দেশ পরিচালিত হচ্ছে অগণতান্ত্রিক শক্তির হাতে, যাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই, কোনো বৈধতা নেই।

সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ইউনূস সরকার দেশটাকে নিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, মানুষ চাকরি হারাচ্ছে, কিন্তু সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। তারা ব্যস্ত আছে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতে, দেশ চালানোর সময় তাদের নেই। প্রতিদিন যে হারে মানুষ গ্রেপ্তার হচ্ছে, জেলে পচছে, নির্যাতিত হচ্ছে, তাতে এটা পরিষ্কার যে এই সরকারের লক্ষ্য দেশের উন্নয়ন নয়, লক্ষ্য হলো একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটা সতর্কবার্তা হওয়া উচিত। বাংলাদেশে যা ঘটছে, তা শুধু একটা দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার নয়, এটা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ