Sunday, February 8, 2026

কারচুপির নির্বাচন জঙ্গিদের উত্থান ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: সজীব ওয়াজেদ

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সাংবিধানিক গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের মধ্যে এক ভার্চুয়ালি ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন সজীব ওয়াজেদ। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনকে একটি “পরিকল্পিত প্রহসন” হিসেবে অভিহিত করে তিনি সতর্ক করেছেন যে, এটি প্রগতিশীল শক্তিকে নির্মূল করে মৌলবাদী শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর একটি অপপ্রয়াস।

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও উগ্রবাদী শক্তির পুনরুত্থান বিষয়ক একটি বইয়ের আলোচনা সভায় সজীব ওয়াজেদ অভিযোগ করেন, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রগতিশীল কণ্ঠস্বরগুলোকে কোণঠাসা করছে। তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম ধর্মনিরপেক্ষ দল আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে ২০২৫ সালের মে মাসে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে নির্বাচনকে বিএনপি ও জামায়াত-ই-ইসলামীর একপেশে লড়াইয়ে পরিণত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নির্বাসনে আছেন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে একটি মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সজীব ওয়াজেদ দাবি করেন, আওয়ামী লীগের এখনও ১১ শতাংশ গোপন জনসমর্থন রয়েছে এবং আরও ১৫-২০ শতাংশ ভোটার হুমকির মুখে নীরব রয়েছেন।

সজীব ওয়াজেদ তাঁর বক্তব্যে জামায়াত-ই-ইসলামীকে শক্তিশালী করার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতের সমর্থন কম থাকলেও বর্তমান রাজনৈতিক শূন্যতায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। জামায়াতকে ‘মডারেট’ হিসেবে মানতে নারাজ জয় বলেন, নারী অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের বিরুদ্ধে দলটির অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট এবং বিপজ্জনক।

নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, প্রথমবারের মতো চালু হওয়া ‘পোস্টাল ব্যালট’ প্রথাটি মূলত জালিয়াতির একটি বড় হাতিয়ার। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে জামায়াত ও গণভোটের পক্ষে আগে থেকেই পূরণ করা ব্যালট পাঠানোর ভিডিওর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখিয়ে এই নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সজীব ওয়াজেদ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ‘জুলাই সনদ’-এর সংস্কারগুলোর মাধ্যমে ক্ষমতাকে খণ্ডিত করতে চায় যাতে কোনো একক দল শক্তিশালী হতে না পারে। তার মতে, বিএনপি নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে থাকা আইনি জটিলতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি “পুতুল সরকার” বসাতে চায়, যাকে তারা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের এক ভয়াবহ চিত্র অঙ্কন করে তিনি বলেন, একটি দুর্বল ও বিদেশি প্রভাবাধীন সরকার জামায়াত এবং পাকিস্তানের মতো বহিঃশক্তির জন্য অবাধ ক্ষেত্র তৈরি করবে। এর ফলে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সংখ্যালঘু নির্যাতন আরও তীব্র হতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের ক্ষমতায়ন ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে এবং পুনরায় বিদ্রোহ ও সন্ত্রাসবাদের পথ প্রশস্ত করবে। এটি আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলের স্থিতিশীলতাকে চিরতরে নস্যাৎ করে দেবে।

বক্তব্যের শেষে সজীব ওয়াজেদ জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ নয়’ বলে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আওয়ামী লীগ হারিয়ে যাবে না; এটি এখনো কোটি কোটি মানুষের প্রগতিশীলতার প্রতীক।” তবে আন্তর্জাতিক চাপ না থাকলে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সাংবিধানিক গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিভাজনের মধ্যে এক ভার্চুয়ালি ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন সজীব ওয়াজেদ। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচনকে একটি “পরিকল্পিত প্রহসন” হিসেবে অভিহিত করে তিনি সতর্ক করেছেন যে, এটি প্রগতিশীল শক্তিকে নির্মূল করে মৌলবাদী শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর একটি অপপ্রয়াস।

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও উগ্রবাদী শক্তির পুনরুত্থান বিষয়ক একটি বইয়ের আলোচনা সভায় সজীব ওয়াজেদ অভিযোগ করেন, নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রগতিশীল কণ্ঠস্বরগুলোকে কোণঠাসা করছে। তিনি বলেন, দেশের বৃহত্তম ধর্মনিরপেক্ষ দল আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দোহাই দিয়ে ২০২৫ সালের মে মাসে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে নির্বাচনকে বিএনপি ও জামায়াত-ই-ইসলামীর একপেশে লড়াইয়ে পরিণত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নির্বাসনে আছেন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে একটি মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সজীব ওয়াজেদ দাবি করেন, আওয়ামী লীগের এখনও ১১ শতাংশ গোপন জনসমর্থন রয়েছে এবং আরও ১৫-২০ শতাংশ ভোটার হুমকির মুখে নীরব রয়েছেন।

সজীব ওয়াজেদ তাঁর বক্তব্যে জামায়াত-ই-ইসলামীকে শক্তিশালী করার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে জামায়াতের সমর্থন কম থাকলেও বর্তমান রাজনৈতিক শূন্যতায় তারা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। জামায়াতকে ‘মডারেট’ হিসেবে মানতে নারাজ জয় বলেন, নারী অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধের বিরুদ্ধে দলটির অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট এবং বিপজ্জনক।

নির্বাচনী স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, প্রথমবারের মতো চালু হওয়া ‘পোস্টাল ব্যালট’ প্রথাটি মূলত জালিয়াতির একটি বড় হাতিয়ার। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে জামায়াত ও গণভোটের পক্ষে আগে থেকেই পূরণ করা ব্যালট পাঠানোর ভিডিওর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, কৃত্রিমভাবে ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখিয়ে এই নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যদিও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সজীব ওয়াজেদ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ‘জুলাই সনদ’-এর সংস্কারগুলোর মাধ্যমে ক্ষমতাকে খণ্ডিত করতে চায় যাতে কোনো একক দল শক্তিশালী হতে না পারে। তার মতে, বিএনপি নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে থাকা আইনি জটিলতাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি “পুতুল সরকার” বসাতে চায়, যাকে তারা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশের এক ভয়াবহ চিত্র অঙ্কন করে তিনি বলেন, একটি দুর্বল ও বিদেশি প্রভাবাধীন সরকার জামায়াত এবং পাকিস্তানের মতো বহিঃশক্তির জন্য অবাধ ক্ষেত্র তৈরি করবে। এর ফলে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সংখ্যালঘু নির্যাতন আরও তীব্র হতে পারে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতের জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদীদের ক্ষমতায়ন ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে এবং পুনরায় বিদ্রোহ ও সন্ত্রাসবাদের পথ প্রশস্ত করবে। এটি আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলের স্থিতিশীলতাকে চিরতরে নস্যাৎ করে দেবে।

বক্তব্যের শেষে সজীব ওয়াজেদ জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোকে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ নয়’ বলে প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আওয়ামী লীগ হারিয়ে যাবে না; এটি এখনো কোটি কোটি মানুষের প্রগতিশীলতার প্রতীক।” তবে আন্তর্জাতিক চাপ না থাকলে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের অন্ধকার যুগে নিমজ্জিত হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ