Wednesday, February 4, 2026

ভোট নয়, এটি সংবিধান ধ্বংসের নীলনকশা দেশ বাঁচাতে হলে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে

বাংলাদেশ আজ এক গভীর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। যে প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলা হচ্ছে, তা আদতে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ নয় বরং এটি রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সেই চেতনার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সংবিধানকে ধ্বংস করার একটি সুপরিকল্পিত নীলনকশা।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেরও বেশি সময় পর আজ আবার সক্রিয় হয়েছে সেই পরাজিত শক্তিগুলো, যারা ১৯৭১ সালে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল। পাকিস্তানি রাষ্ট্রদর্শন ও সামরিক মানসিকতায় বিশ্বাসী একটি গোষ্ঠী দেশীয় কিছু পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলের সহায়তায় এবং বর্তমান ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশকে আবারও একটি পরাধীন ও গণতন্ত্রবর্জিত রাজনৈতিক কাঠামোর দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

ইউনুস সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির একটি অংশ প্রকাশ্যেই স্বাধীন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভিত্তিকে অস্বীকার করছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রণীত সংবিধান বাতিলের অপচেষ্টা, সংবিধানবিরোধী গণভোটের ধারণা এবং এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন সবই একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। এর লক্ষ্য একটাই রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে দেওয়া।

এটি কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়। এটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, জাতীয় পরিচয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার রক্ষার প্রশ্ন। এই সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ নাগরিক অবস্থান। দেশকে বাঁচাতে হলে, স্বাধীনতার মূল্য রক্ষা করতে হলে, প্রতিটি সচেতন বাংলাদেশিকে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীলভাবে এই প্রহসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভূখণ্ড, সংবিধান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার সংগ্রামে জনগণই শেষ ভরসা। বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয় বাংলাদেশ একটি মুক্ত মানুষের রাষ্ট্র।

বাংলাদেশ আজ এক গভীর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। যে প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলা হচ্ছে, তা আদতে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ নয় বরং এটি রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সেই চেতনার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সংবিধানকে ধ্বংস করার একটি সুপরিকল্পিত নীলনকশা।

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেরও বেশি সময় পর আজ আবার সক্রিয় হয়েছে সেই পরাজিত শক্তিগুলো, যারা ১৯৭১ সালে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল। পাকিস্তানি রাষ্ট্রদর্শন ও সামরিক মানসিকতায় বিশ্বাসী একটি গোষ্ঠী দেশীয় কিছু পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দলের সহায়তায় এবং বর্তমান ইউনুস সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশকে আবারও একটি পরাধীন ও গণতন্ত্রবর্জিত রাজনৈতিক কাঠামোর দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

ইউনুস সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির একটি অংশ প্রকাশ্যেই স্বাধীন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ভিত্তিকে অস্বীকার করছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রণীত সংবিধান বাতিলের অপচেষ্টা, সংবিধানবিরোধী গণভোটের ধারণা এবং এই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন সবই একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। এর লক্ষ্য একটাই রাষ্ট্রের মৌলিক চরিত্র বদলে দেওয়া।

এটি কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়। এটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, জাতীয় পরিচয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার রক্ষার প্রশ্ন। এই সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ নাগরিক অবস্থান। দেশকে বাঁচাতে হলে, স্বাধীনতার মূল্য রক্ষা করতে হলে, প্রতিটি সচেতন বাংলাদেশিকে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও দায়িত্বশীলভাবে এই প্রহসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ভূখণ্ড, সংবিধান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার সংগ্রামে জনগণই শেষ ভরসা। বাংলাদেশ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয় বাংলাদেশ একটি মুক্ত মানুষের রাষ্ট্র।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ