Wednesday, February 4, 2026

ভোটে জয় মানেই সরকার গঠন নয়

বাংলাদেশে এইবারের নির্বাচন আগের সব নির্বাচনের মতো নয়। ভোটে জয়লাভ করলেও সরাসরি সরকার গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হবে না। এবার নির্বাচনী জোট শুধুমাত্র গণপরিষদ গঠনের ভোটে অংশগ্রহণ করবে, যা দেশের নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করবে।

জয়ী জোটের দায়িত্ব হবে গণপরিষদ হিসেবে সংবিধান প্রণয়ন করা, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করা এবং ডঃ ইউনুসের সময়ের সকল বিচার ও আইনকে বৈধতা দেওয়া।

অর্থাৎ, এই নির্বাচন কেবল সরকার গঠনের ক্ষমতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরই পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এবং সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠনের ক্ষমতা নিশ্চিত হবে। তাই ভোটে জয় এখন আর সরাসরি ক্ষমতার প্রতীক নয়।

ডঃ ইউনুসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচন কেবল গণপরিষদ গঠনের ভোট, যা সংবিধানিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে। ড. ইউনুসের বিশেষ সরকারি বিশ্লেষক ড. আলি রিয়াজ জানিয়েছেন, নতুন সংবিধানে “গণপরিষদ টাইম” ধারা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মানে হলো, সংবিধান কার্যকর হওয়ার আগে যেকোনো সরকারের ক্ষমতা সীমিত থাকবে, এবং প্রধান দায়িত্ব হবে সংবিধান পাস করা, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে পরিচালনা করা।

জুলাই আন্দোলনই এই সময়ের রাজনৈতিক চিত্রের মূল চালিকা শক্তি। আন্দোলনের কারণে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরানো সম্ভব হয়েছে, এবং বিএনপি বা অন্যান্য জোট দল সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। অর্থাৎ, ভোটে জয় মানেই ক্ষমতা নয়—সংবিধান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা এখনও প্রধান। এবারের ভোট কেবল একটি ধাপ যার কার্যক্রমের উপর নির্ভর করবে আগামী সরকার গঠন।

বাংলাদেশে এইবারের নির্বাচন আগের সব নির্বাচনের মতো নয়। ভোটে জয়লাভ করলেও সরাসরি সরকার গঠনের ক্ষমতা দেওয়া হবে না। এবার নির্বাচনী জোট শুধুমাত্র গণপরিষদ গঠনের ভোটে অংশগ্রহণ করবে, যা দেশের নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু করবে।

জয়ী জোটের দায়িত্ব হবে গণপরিষদ হিসেবে সংবিধান প্রণয়ন করা, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করা এবং ডঃ ইউনুসের সময়ের সকল বিচার ও আইনকে বৈধতা দেওয়া।

অর্থাৎ, এই নির্বাচন কেবল সরকার গঠনের ক্ষমতা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। নতুন সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরই পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এবং সেই নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার গঠনের ক্ষমতা নিশ্চিত হবে। তাই ভোটে জয় এখন আর সরাসরি ক্ষমতার প্রতীক নয়।

ডঃ ইউনুসের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচন কেবল গণপরিষদ গঠনের ভোট, যা সংবিধানিক স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখবে। ড. ইউনুসের বিশেষ সরকারি বিশ্লেষক ড. আলি রিয়াজ জানিয়েছেন, নতুন সংবিধানে “গণপরিষদ টাইম” ধারা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মানে হলো, সংবিধান কার্যকর হওয়ার আগে যেকোনো সরকারের ক্ষমতা সীমিত থাকবে, এবং প্রধান দায়িত্ব হবে সংবিধান পাস করা, জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের দায়মুক্তি নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগতভাবে পরিচালনা করা।

জুলাই আন্দোলনই এই সময়ের রাজনৈতিক চিত্রের মূল চালিকা শক্তি। আন্দোলনের কারণে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরানো সম্ভব হয়েছে, এবং বিএনপি বা অন্যান্য জোট দল সম্ভাব্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে। অর্থাৎ, ভোটে জয় মানেই ক্ষমতা নয়—সংবিধান এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা এখনও প্রধান। এবারের ভোট কেবল একটি ধাপ যার কার্যক্রমের উপর নির্ভর করবে আগামী সরকার গঠন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ