Wednesday, February 4, 2026

ইউনূসের দুঃশাসন: দিনে গড়ে ৪১ জনের আত্মহত্যা

বাংলাদেশে আত্মহত্যার ঘটনা এখন কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং একটি ভয়াবহ জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর ও বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসেই সারাদেশে ১৩ হাজার ৪৯১ জন মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। অর্থাৎ, দেশে প্রতিদিন গড়ে ৪১ জন মানুষ প্রাণ দিচ্ছেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর পেছনে পারিবারিক ও মানসিক সংকটের পাশাপাশি উঠে আসছে ক্ষুদ্রঋণের মরণফাঁদ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রবর্তিত ‘সুদনির্ভর’ অর্থনৈতিক মডেলের চরম ব্যর্থতা।

সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি মাসেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক সব ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুরের পুবাইলে দুই সন্তানসহ মায়ের আত্মহনন কিংবা রাজধানীর মগবাজারে দাম্পত্য কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু—প্রতিটি ঘটনার গভীরে লুকিয়ে আছে সামাজিক ও আর্থিক অস্থিরতা। বিশেষ করে রাজশাহীর গ্রামগুলোতে ক্ষুদ্রঋণের যে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে, তা শিউরে ওঠার মতো।

জেলার পাঁচটি উপজেলার ২৪টি পরিবারের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতিটি পরিবার একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কিস্তির জালে বন্দি হয়ে আছে। এনজিওগুলো তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই ‘টার্গেট ঋণ’ দিচ্ছে, যা দরিদ্র মানুষকে উন্নয়নের বদলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মীর রুহুল আমিনের মতো সাধারণ মানুষ যখন ৯৯ হাজার টাকার কিস্তি শোধ করতে না পেরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন, তখন প্রশ্ন ওঠে এই ব্যবস্থার প্রবর্তকদের নিয়ে। যিনি দারিদ্র্য বিমোচনের নামে ক্ষুদ্রঋণ ছড়িয়ে দিয়ে নোবেল জয় করেছেন, সেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। অথচ তার আমলেই দেশের সাধারণ মানুষ ঋণের চাপে পিষ্ট হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিদেশি অর্থায়ন, নির্দিষ্ট কিছু জঙ্গি গোষ্ঠীর মদদ এবং সামরিক বাহিনীর সহায়তায় একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে তিনি ক্ষমতা দখল করেছেন। সমালোচকরা বলছেন, যিনি জীবনভর উচ্চ সুদের ব্যবসা করেছেন, তার শাসনামলে প্রান্তিক মানুষের মুক্তি মিলবে—এমনটা আশা করা বৃথা।

রাজশাহীর বাউসা গ্রামের ৬৫০টি পরিবারের মধ্যে ৪৫০টিই এখন ঋণগ্রস্ত। সাধারণ মানুষ এখন স্বাধীন নয়, বরং তারা কিস্তির দাসে পরিণত হয়েছে। ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পেরে আকবর হোসেনের মতো চাষিরা গলায় ফাঁস দিচ্ছেন, কিংবা শামসুদ্দিনের মতো ব্যক্তিরা সুইসাইড নোটে লিখে যাচ্ছেন, ‘সুদ দিও না, কিস্তি দিও না’। মিনারুল ইসলামের মতো অনেকে ঋণের জ্বালা সইতে না পেরে সপরিবারে আত্মহনন করছেন। এই মৃত্যুগুলো শুধু সংখ্যা নয়, বরং একটি পচা ও শোষণমূলক ব্যবস্থার জীবন্ত প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্র যখন সাধারণ মানুষের ন্যূনতম জীবনমান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় এবং রাষ্ট্রীয় মদদে এনজিওরা শোষণের জাল বিস্তার করে, তখন হতাশাই হয়ে ওঠে মানুষের একমাত্র সঙ্গী। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়গুলো যখন বলে তাদের কাছে কোনো অভিযোগ নেই, তখন বোঝা যায় সাধারণ মানুষের আর্তনাদ শোনার মতো কেউ আজ ক্ষমতায় নেই। যতদিন এই ‘সুদখোর মহাজন’ সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাবে, ততদিন সাধারণ মানুষের লাশের মিছিল থামবে না বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশে আত্মহত্যার ঘটনা এখন কেবল ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি নয়, বরং একটি ভয়াবহ জাতীয় সংকটে রূপ নিয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর ও বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ১১ মাসেই সারাদেশে ১৩ হাজার ৪৯১ জন মানুষ আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। অর্থাৎ, দেশে প্রতিদিন গড়ে ৪১ জন মানুষ প্রাণ দিচ্ছেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যুর পেছনে পারিবারিক ও মানসিক সংকটের পাশাপাশি উঠে আসছে ক্ষুদ্রঋণের মরণফাঁদ এবং বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রবর্তিত ‘সুদনির্ভর’ অর্থনৈতিক মডেলের চরম ব্যর্থতা।

সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত জানুয়ারি মাসেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মর্মান্তিক সব ঘটনা ঘটেছে। গাজীপুরের পুবাইলে দুই সন্তানসহ মায়ের আত্মহনন কিংবা রাজধানীর মগবাজারে দাম্পত্য কলহের জেরে গৃহবধূর মৃত্যু—প্রতিটি ঘটনার গভীরে লুকিয়ে আছে সামাজিক ও আর্থিক অস্থিরতা। বিশেষ করে রাজশাহীর গ্রামগুলোতে ক্ষুদ্রঋণের যে ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে, তা শিউরে ওঠার মতো।

জেলার পাঁচটি উপজেলার ২৪টি পরিবারের ওপর চালানো এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতিটি পরিবার একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে কিস্তির জালে বন্দি হয়ে আছে। এনজিওগুলো তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই ‘টার্গেট ঋণ’ দিচ্ছে, যা দরিদ্র মানুষকে উন্নয়নের বদলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মীর রুহুল আমিনের মতো সাধারণ মানুষ যখন ৯৯ হাজার টাকার কিস্তি শোধ করতে না পেরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন, তখন প্রশ্ন ওঠে এই ব্যবস্থার প্রবর্তকদের নিয়ে। যিনি দারিদ্র্য বিমোচনের নামে ক্ষুদ্রঋণ ছড়িয়ে দিয়ে নোবেল জয় করেছেন, সেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস এখন দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। অথচ তার আমলেই দেশের সাধারণ মানুষ ঋণের চাপে পিষ্ট হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিদেশি অর্থায়ন, নির্দিষ্ট কিছু জঙ্গি গোষ্ঠীর মদদ এবং সামরিক বাহিনীর সহায়তায় একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে তিনি ক্ষমতা দখল করেছেন। সমালোচকরা বলছেন, যিনি জীবনভর উচ্চ সুদের ব্যবসা করেছেন, তার শাসনামলে প্রান্তিক মানুষের মুক্তি মিলবে—এমনটা আশা করা বৃথা।

রাজশাহীর বাউসা গ্রামের ৬৫০টি পরিবারের মধ্যে ৪৫০টিই এখন ঋণগ্রস্ত। সাধারণ মানুষ এখন স্বাধীন নয়, বরং তারা কিস্তির দাসে পরিণত হয়েছে। ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পেরে আকবর হোসেনের মতো চাষিরা গলায় ফাঁস দিচ্ছেন, কিংবা শামসুদ্দিনের মতো ব্যক্তিরা সুইসাইড নোটে লিখে যাচ্ছেন, ‘সুদ দিও না, কিস্তি দিও না’। মিনারুল ইসলামের মতো অনেকে ঋণের জ্বালা সইতে না পেরে সপরিবারে আত্মহনন করছেন। এই মৃত্যুগুলো শুধু সংখ্যা নয়, বরং একটি পচা ও শোষণমূলক ব্যবস্থার জীবন্ত প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্র যখন সাধারণ মানুষের ন্যূনতম জীবনমান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় এবং রাষ্ট্রীয় মদদে এনজিওরা শোষণের জাল বিস্তার করে, তখন হতাশাই হয়ে ওঠে মানুষের একমাত্র সঙ্গী। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়গুলো যখন বলে তাদের কাছে কোনো অভিযোগ নেই, তখন বোঝা যায় সাধারণ মানুষের আর্তনাদ শোনার মতো কেউ আজ ক্ষমতায় নেই। যতদিন এই ‘সুদখোর মহাজন’ সংস্কৃতি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাবে, ততদিন সাধারণ মানুষের লাশের মিছিল থামবে না বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ