Sunday, January 25, 2026

নামসর্বস্ব নির্বাচনের নাটকে কোটিপতি ক্লাব: ইউনুসের অবৈধ শাসনের স্বরূপ

জুলাই মাসের রক্তাক্ত দাঙ্গার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যারা ক্ষমতায় বসেছে, তাদের হাতে এখন দেশ দেখছে এক হাস্যকর নির্বাচনী প্রহসন। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত সরকার বিদেশি প্রভুদের মদদে এবং সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় দেশ চালাচ্ছে, তাদের আয়োজিত এই নির্বাচন আসলে গণতন্ত্রের নামে আরেকটি প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা দেখলে পরিষ্কার হয়ে যায় এই নির্বাচন আসলে কাদের জন্য আয়োজিত। বিএনপির ২২৩ জন প্রার্থী কোটিপতি, জামায়াতে ইসলামীর ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন কোটিপতি, আর তথাকথিত জুলাই আন্দোলনের নেতা এনসিপিরও প্রার্থীরা কোটিপতিদের সারিতে। এটা কি সেই গণতন্ত্র, যার জন্য নাকি জুলাইয়ে হাজার হাজার তরুণ রক্ত দিয়েছিল? নাকি এটা আসলে একটা শ্রেণির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা?

ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলো জানে যে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন তাদের জন্য বিপজ্জনক। তাই দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেবল নিষিদ্ধই নয়, তাদের নেতাকর্মীদের ওপর চলছে নজিরবিহীন দমনপীড়ন। হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার, গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার। এই যে একটি দলকে পুরোপুরি রাজনীতির বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন, এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? এটা তো স্রেফ একটা সাজানো খেলা, যেখানে ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত।

দেশের মানুষ এখন হলফনামা দেখে বিস্মিত হচ্ছে যে ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকায় নাকি ডুপ্লেক্স বাড়ি পাওয়া যায়, আর ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় এক ভরি সোনা। এই যে প্রকাশ্য মিথ্যাচার, এই যে জনগণের সামনে চোখে আঙুল দিয়ে মিথ্যা তথ্য পেশ করার সাহস, এটা কোত্থেকে আসছে? এটা আসছে এই বিশ্বাস থেকে যে ইউনুসের পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলো এতটাই শক্তিশালী যে কোনো জবাবদিহিতার প্রয়োজন নেই। যে নির্বাচন কমিশন প্রকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিচ্ছে নানা অজুহাতে, সেই কমিশন কি এসব মিথ্যা হলফনামার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে?

এটা কি কাকতালীয়? নাকি এটা সুপরিকল্পিত যে কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষই এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?

আরপিও সংশোধন করে যেভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পথ প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেটাও একই উদ্দেশ্যের অংশ। এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহ করা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার সাংগঠনিক শক্তি, অর্থ এবং পেশিশক্তি। অর্থাৎ যাদের এসব আছে, কেবল তারাই প্রার্থী হতে পারবে। বাকিরা দর্শক হয়ে বসে থাকবে।

ইউনুস এবং তার দল যে বিদেশি অর্থায়নে চলে, সেটা আর গোপন কিছু নয়। মাইক্রোক্রেডিটের নামে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে সুদ আদায় করে যে সাম্রাজ্য গড়া, সেই ব্যক্তির হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দায়িত্ব কীভাবে এলো? জুলাইয়ের দাঙ্গায় যে ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, তাদের সাথে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের যোগসাজশ এখন আর অস্পষ্ট নয়। জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠন একাত্তরে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল, তারা এখন প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে, প্রার্থী দিচ্ছে। আর যে দল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর চেয়ে বড় বিদ্রূপ আর কী হতে পারে?

সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক বাহিনী রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকার কথা। কিন্তু জুলাই থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যা ঘটেছে, তাতে পরিষ্কার যে সামরিক বাহিনী এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের সাথে জড়িত। তারা এখন নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ইউনুস সরকারের একটি অংশ। এভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে দেশের কী ক্ষতি হবে, সেটা কি ভেবে দেখা হয়েছে?

এই নির্বাচন যদি সত্যিই অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে এর ফলাফল কী হবে? একটি সংসদ যেখানে থাকবে শুধু কোটিপতিরা, যাদের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সাথে কোনো সংযোগ নেই। তারা যে আইন তৈরি করবে, তা হবে তাদের নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য, দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নয়। হাসিনা সরকারের শেষ দিকে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেটারই পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে, কিন্তু ভিন্ন মোড়কে।

আসল সত্য হলো, সকল দলের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই প্রকৃত নির্বাচন নয়। যে দেশে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ, যেখানে লাখ লাখ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাদের পছন্দের দলকে নিষিদ্ধ করে, সেখানে যা হচ্ছে তা নির্বাচন নয়, সিলেকশন। আর এই সিলেকশনের মাধ্যমে ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষকরা চাচ্ছে তাদের পছন্দের মানুষদের ক্ষমতায় বসাতে।

বাংলাদেশের মানুষ বোকা নয়। তারা দেখছে এবং বুঝছে কী ঘটছে। জুলাইয়ের ঘটনার পর দেশে যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে, যে অর্থনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে, সবকিছুর দায় এই অবৈধ সরকারের। আর এখন তারা একটি নকল নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বৈধতা কোনো কাগজের টুকরোয় লেখা থাকে না, বৈধতা আসে জনগণের সমর্থন থেকে। আর জনগণ যখন দেখছে তাদের পছন্দের দল নিষিদ্ধ, তাদের পছন্দের নেতারা কারাগারে বা পলাতক, তখন এই নির্বাচনে তারা কী বৈধতা দেখবে?

ইউনুসের এই অ-সরকার যে কেবল দেশের বর্তমান ক্ষতি করছে তা নয়, ভবিষ্যতের জন্যও বিপজ্জনক নজির স্থাপন করছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে, আইনের শাসন বলে কিছু অবশিষ্ট নেই, এবং দেশ চলছে কয়েকজন অনির্বাচিত মানুষের ইচ্ছায়। এই পথে চলতে থাকলে বাংলাদেশ যে কোথায় পৌঁছাবে, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কিন্তু যারা ক্ষমতায় আছে, তাদের কাছে এসব প্রশ্নের কোনো মূল্য নেই। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ শুধু ক্ষমতায় থাকা, যেভাবেই হোক।

জুলাই মাসের রক্তাক্ত দাঙ্গার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যারা ক্ষমতায় বসেছে, তাদের হাতে এখন দেশ দেখছে এক হাস্যকর নির্বাচনী প্রহসন। মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন যে তথাকথিত সরকার বিদেশি প্রভুদের মদদে এবং সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় দেশ চালাচ্ছে, তাদের আয়োজিত এই নির্বাচন আসলে গণতন্ত্রের নামে আরেকটি প্রতারণা ছাড়া কিছু নয়।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা দেখলে পরিষ্কার হয়ে যায় এই নির্বাচন আসলে কাদের জন্য আয়োজিত। বিএনপির ২২৩ জন প্রার্থী কোটিপতি, জামায়াতে ইসলামীর ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন কোটিপতি, আর তথাকথিত জুলাই আন্দোলনের নেতা এনসিপিরও প্রার্থীরা কোটিপতিদের সারিতে। এটা কি সেই গণতন্ত্র, যার জন্য নাকি জুলাইয়ে হাজার হাজার তরুণ রক্ত দিয়েছিল? নাকি এটা আসলে একটা শ্রেণির হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা?

ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলো জানে যে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন তাদের জন্য বিপজ্জনক। তাই দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেবল নিষিদ্ধই নয়, তাদের নেতাকর্মীদের ওপর চলছে নজিরবিহীন দমনপীড়ন। হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার, গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার। এই যে একটি দলকে পুরোপুরি রাজনীতির বাইরে রেখে নির্বাচনের আয়োজন, এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? এটা তো স্রেফ একটা সাজানো খেলা, যেখানে ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত।

দেশের মানুষ এখন হলফনামা দেখে বিস্মিত হচ্ছে যে ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকায় নাকি ডুপ্লেক্স বাড়ি পাওয়া যায়, আর ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় এক ভরি সোনা। এই যে প্রকাশ্য মিথ্যাচার, এই যে জনগণের সামনে চোখে আঙুল দিয়ে মিথ্যা তথ্য পেশ করার সাহস, এটা কোত্থেকে আসছে? এটা আসছে এই বিশ্বাস থেকে যে ইউনুসের পৃষ্ঠপোষক শক্তিগুলো এতটাই শক্তিশালী যে কোনো জবাবদিহিতার প্রয়োজন নেই। যে নির্বাচন কমিশন প্রকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিচ্ছে নানা অজুহাতে, সেই কমিশন কি এসব মিথ্যা হলফনামার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেবে?

এটা কি কাকতালীয়? নাকি এটা সুপরিকল্পিত যে কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষই এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে?

আরপিও সংশোধন করে যেভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার পথ প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেটাও একই উদ্দেশ্যের অংশ। এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহ করা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য দরকার সাংগঠনিক শক্তি, অর্থ এবং পেশিশক্তি। অর্থাৎ যাদের এসব আছে, কেবল তারাই প্রার্থী হতে পারবে। বাকিরা দর্শক হয়ে বসে থাকবে।

ইউনুস এবং তার দল যে বিদেশি অর্থায়নে চলে, সেটা আর গোপন কিছু নয়। মাইক্রোক্রেডিটের নামে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে সুদ আদায় করে যে সাম্রাজ্য গড়া, সেই ব্যক্তির হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দায়িত্ব কীভাবে এলো? জুলাইয়ের দাঙ্গায় যে ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে, তাদের সাথে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের যোগসাজশ এখন আর অস্পষ্ট নয়। জামায়াতে ইসলামী, যে সংগঠন একাত্তরে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল, তারা এখন প্রকাশ্যে রাজনীতি করছে, প্রার্থী দিচ্ছে। আর যে দল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিল, তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর চেয়ে বড় বিদ্রূপ আর কী হতে পারে?

সামরিক বাহিনীর ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সামরিক বাহিনী রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকার কথা। কিন্তু জুলাই থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত যা ঘটেছে, তাতে পরিষ্কার যে সামরিক বাহিনী এই অবৈধ ক্ষমতা দখলের সাথে জড়িত। তারা এখন নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ইউনুস সরকারের একটি অংশ। এভাবে একটি প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণ করার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে দেশের কী ক্ষতি হবে, সেটা কি ভেবে দেখা হয়েছে?

এই নির্বাচন যদি সত্যিই অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে এর ফলাফল কী হবে? একটি সংসদ যেখানে থাকবে শুধু কোটিপতিরা, যাদের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সাথে কোনো সংযোগ নেই। তারা যে আইন তৈরি করবে, তা হবে তাদের নিজেদের স্বার্থরক্ষার জন্য, দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য নয়। হাসিনা সরকারের শেষ দিকে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেটারই পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে, কিন্তু ভিন্ন মোড়কে।

আসল সত্য হলো, সকল দলের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো নির্বাচনই প্রকৃত নির্বাচন নয়। যে দেশে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ, যেখানে লাখ লাখ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাদের পছন্দের দলকে নিষিদ্ধ করে, সেখানে যা হচ্ছে তা নির্বাচন নয়, সিলেকশন। আর এই সিলেকশনের মাধ্যমে ইউনুস এবং তার পৃষ্ঠপোষকরা চাচ্ছে তাদের পছন্দের মানুষদের ক্ষমতায় বসাতে।

বাংলাদেশের মানুষ বোকা নয়। তারা দেখছে এবং বুঝছে কী ঘটছে। জুলাইয়ের ঘটনার পর দেশে যে অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছে, যে অর্থনৈতিক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে, যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে, সবকিছুর দায় এই অবৈধ সরকারের। আর এখন তারা একটি নকল নির্বাচনের মাধ্যমে নিজেদের বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বৈধতা কোনো কাগজের টুকরোয় লেখা থাকে না, বৈধতা আসে জনগণের সমর্থন থেকে। আর জনগণ যখন দেখছে তাদের পছন্দের দল নিষিদ্ধ, তাদের পছন্দের নেতারা কারাগারে বা পলাতক, তখন এই নির্বাচনে তারা কী বৈধতা দেখবে?

ইউনুসের এই অ-সরকার যে কেবল দেশের বর্তমান ক্ষতি করছে তা নয়, ভবিষ্যতের জন্যও বিপজ্জনক নজির স্থাপন করছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা হচ্ছে, আইনের শাসন বলে কিছু অবশিষ্ট নেই, এবং দেশ চলছে কয়েকজন অনির্বাচিত মানুষের ইচ্ছায়। এই পথে চলতে থাকলে বাংলাদেশ যে কোথায় পৌঁছাবে, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কিন্তু যারা ক্ষমতায় আছে, তাদের কাছে এসব প্রশ্নের কোনো মূল্য নেই। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ শুধু ক্ষমতায় থাকা, যেভাবেই হোক।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ