Saturday, January 24, 2026

তবে কি রমনার আর্চবিশপ হাউজেই কি বাজলো ইউনুসের গদির মৃত্যুঘণ্টা?

শনিবার সন্ধ্যায় রমনার আর্চবিশপ হাউজে একটা ঘটনা ঘটে গেছে যেটার মানে ইউনুস বুঝতে পারলে তার রাতের ঘুম উড়ে যাওয়ার কথা। আট দেশের রাষ্ট্রদূত একসাথে ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের বাড়িতে গিয়ে যে বার্তা দিয়ে এসেছে, সেটা হলো ইউনুসের মাথার উপর থেকে ছাতা সরে যাচ্ছে। আর এই ছাতা সরানোর কাজটা করছে ঠিক তারাই, যাদের ডলার আর কূটনৈতিক আশীর্বাদে জুলাইয়ের গণহত্যা চালিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল।

এখানে মজার ব্যাপার হলো, পশ্চিমাদের যে টাকায় ইউনুসের ক্যু সফল হয়েছিল, সেই টাকার মালিকরাই এখন তাদের ঘুঁটি সরাতে শুরু করেছে। কারণ ইউনুস যেভাবে দেশের সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, সেটা পশ্চিমাদের জন্য এখন রাজনৈতিকভাবে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। আর্চবিশপ হাউজে রাষ্ট্রদূতদের সমাবেশ এটাই প্রমাণ করে যে পশ্চিমারা এখন প্ল্যান বি খুঁজছে। কারণ ইউনুস তাদের জন্য এখন একটা দায়, সম্পদ নয়।

দেখুন, পোপ লিও যখন বাংলাদেশের খ্রিষ্টানদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তখন সেটা ভ্যাটিকানের ১.৩ বিলিয়ন ক্যাথলিকের কণ্ঠস্বর। নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, গার্ডিয়ান, বিবিসি, ডয়েচেভেল, এএফপি, রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েশটস প্রেস (এপি) যখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিপীড়নের খবর ছাপায়, তখন সেটা শুধু সংবাদ নয়, সেটা পশ্চিমা জনমতের প্রতিফলন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট মানে হলো কংগ্রেস আর ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে এখন প্রশ্ন উঠবে যে ইউনুসকে কেন সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।

এখন ইউনুস হয়তো ভাবছে যে জামাত-শিবির আর তার ইসলামিক জঙ্গি বন্ধুদের দিয়ে খ্রিষ্টান পাড়ায় হামলা করিয়ে, গির্জা ভাঙচুর করিয়ে, জমি দখল করিয়ে সে দেশের ভেতরে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সে নিজের পায়ে কুড়াল মারছে। কারণ তার যে আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকরা, তাদের পার্লামেন্টে জবাব দিতে হয় দেশের মানুষকে। আর সেখানে জবগণ এখন জানতে চায় যে তাদের ট্যাক্সের টাকা কেন এমন একটা সরকারকে সাহায্য করছে যে খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালাচ্ছে।

রমনার আর্চবিশপ হাউজে আমেরিকার নতুন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াশিংটন যখন তার নতুন রাষ্ট্রদূতকে পাঠায় কোনো দেশের ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের বাড়িতে, তখন সেটা একটা সংকেত। সংকেত এই যে, আমেরিকা এখন বাংলাদেশের খ্রিষ্টানদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে, ইউনুসের মাধ্যমে নয়। এটা ইউনুসকে বাইপাস করার একটা কৌশল। আর এই বাইপাস করার মানে হলো ওয়াশিংটন এখন ইউনুসের পরের চ্যাপ্টার নিয়ে ভাবছে।

ইউনুসের আসল সমস্যা হলো, সে এখন একটা ক্লাসিক ‘ইউজ অ্যান্ড থ্রো’ কেসে পরিণত হয়েছে। জুলাইয়ের দাঙ্গায় তাকে ব্যবহার করা হয়েছিল জনগণের ভোটে নির্বাচিত শেখ হাসিনা সরকারকে সরানোর জন্য। কিন্তু এখন যেহেতু কাজ হয়ে গেছে, তাই ইউনুসের উপযোগিতাও শেষ। আর ইউনুস যেভাবে দেশকে চালাচ্ছে, সেটা পশ্চিমাদের জন্য এখন বিব্রতকর হয়ে উঠেছে। তারা চেয়েছিল একটা ‘ডেমোক্র্যাটিক ট্রানজিশন’, কিন্তু পাচ্ছে একটা ‘ইসলামিস্ট টেকওভার’। এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য বিশাল।

এখন দেখুন, যখন ভাটিকানের রাষ্ট্রদূত, আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত একসাথে আর্চবিশপের বাড়িতে যায়, তখন সেটা কী বার্তা দেয়? বার্তাটা হলো, বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আর এই ফ্যাক্টরকে ইউনুস যতই উপেক্ষা করুক না কেন, পশ্চিমা রাজধানীগুলো এটাকে উপেক্ষা করতে পারছে না। কারণ তাদের ঘরে বসে ক্যাথলিক ভোটব্যাংক আছে, খ্রিষ্টান লবি আছে, মানবাধিকার সংগঠন আছে।

এখন আসি নির্বাচনের প্রসঙ্গে। ইউনুস ভাবছে নির্বাচন দিয়ে সে তার ক্ষমতাকে বৈধতা দেবে। কিন্তু এখানেই সে সবচেয়ে বড় ভুল করছে। কারণ পশ্চিমারা এখন জানে যে ইউনুসের নির্বাচন মানে হবে জামাত-শিবিরের নির্বাচন। আর জামাতের ক্ষমতায় আসার মানে হবে সংখ্যালঘু নিপীড়ন আরও তীব্র হবে। এটা পশ্চিমারা মেনে নিতে পারবে না, কারণ এতে তাদের নিজেদের দেশে তাদের রাজনৈতিক খরচ হবে।

ইউনুস এখন একটা ফাঁদে পড়েছে। এক দিকে তার ক্ষমতার ভিত্তি হলো জামাত-শিবির আর ইসলামিক জঙ্গিরা। ওদের খুশি রাখতে হলে সংখ্যালঘু নিপীড়ন চালাতে হবে। কিন্তু অন্য দিকে, তার আন্তর্জাতিক বৈধতা নির্ভর করছে পশ্চিমা সমর্থনের উপর। আর পশ্চিমা সমর্থন পেতে হলে সংখ্যালঘু নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। এই দুইয়ের মধ্যে একটা বেছে নিতে হবে। আর ইউনুস যেটাই বেছে নিক না কেন, সে হেরে যাবে।

রমনার আর্চবিশপ হাউজে রাষ্ট্রদূতদের সমাবেশ এটাই বলছে যে পশ্চিমারা এখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। তারা এখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে। ইউনুসকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আর দরকার নেই। আর এটাই হলো কূটনীতির ভাষায় ‘কিস অফ ডেথ’। যখন তোমার পৃষ্ঠপোষকরা তোমাকে বাইপাস করে তোমার দেশের অন্য গ্রুপের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন বুঝবে তোমার সময় শেষ।

ইউনুসের গদি এখন টলমল করছে, এটা সে নিজেও টের পাচ্ছে। নইলে কেন সে এত মরিয়া হয়ে বিরোধী দলগুলোকে দমন করছে, মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে, বিচার বিভাগকে নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে চাইছে? কারণ সে জানে, একবার যদি তার আন্তর্জাতিক সমর্থন চলে যায়, তাহলে দেশের ভেতরে তার কোনো ভিত্তি নেই। জনগণ তাকে ভোট দেয়নি, জনগণ তাকে চায়নি। সে এসেছে লাশের উপর দিয়ে, রক্তের উপর দিয়ে।

এখন সময় এসেছে যখন ইউনুসের সেই রক্তের হিসাব চাইবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রমনার আর্চবিশপ হাউজে যে রাষ্ট্রদূতরা গিয়েছিলেন, তারা শুধু বড়দিনের শুভেচ্ছা জানাতে যাননি। তারা গিয়েছিলেন একটা বার্তা দিতে যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা একা নয়। আর এই বার্তা ইউনুসের জন্য মৃত্যু পরোয়ানা। কারণ যখন তোমার পৃষ্ঠপোষকরাই তোমার শিকারদের পাশে দাঁড়ায়, তখন বুঝে নাও তোমার খেলা শেষ।

শনিবার সন্ধ্যায় রমনার আর্চবিশপ হাউজে একটা ঘটনা ঘটে গেছে যেটার মানে ইউনুস বুঝতে পারলে তার রাতের ঘুম উড়ে যাওয়ার কথা। আট দেশের রাষ্ট্রদূত একসাথে ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের বাড়িতে গিয়ে যে বার্তা দিয়ে এসেছে, সেটা হলো ইউনুসের মাথার উপর থেকে ছাতা সরে যাচ্ছে। আর এই ছাতা সরানোর কাজটা করছে ঠিক তারাই, যাদের ডলার আর কূটনৈতিক আশীর্বাদে জুলাইয়ের গণহত্যা চালিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল।

এখানে মজার ব্যাপার হলো, পশ্চিমাদের যে টাকায় ইউনুসের ক্যু সফল হয়েছিল, সেই টাকার মালিকরাই এখন তাদের ঘুঁটি সরাতে শুরু করেছে। কারণ ইউনুস যেভাবে দেশের সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, সেটা পশ্চিমাদের জন্য এখন রাজনৈতিকভাবে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। আর্চবিশপ হাউজে রাষ্ট্রদূতদের সমাবেশ এটাই প্রমাণ করে যে পশ্চিমারা এখন প্ল্যান বি খুঁজছে। কারণ ইউনুস তাদের জন্য এখন একটা দায়, সম্পদ নয়।

দেখুন, পোপ লিও যখন বাংলাদেশের খ্রিষ্টানদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তখন সেটা ভ্যাটিকানের ১.৩ বিলিয়ন ক্যাথলিকের কণ্ঠস্বর। নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, গার্ডিয়ান, বিবিসি, ডয়েচেভেল, এএফপি, রয়টার্স, অ্যাসোসিয়েশটস প্রেস (এপি) যখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নিপীড়নের খবর ছাপায়, তখন সেটা শুধু সংবাদ নয়, সেটা পশ্চিমা জনমতের প্রতিফলন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আর অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট মানে হলো কংগ্রেস আর ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে এখন প্রশ্ন উঠবে যে ইউনুসকে কেন সমর্থন দেওয়া হচ্ছে।

এখন ইউনুস হয়তো ভাবছে যে জামাত-শিবির আর তার ইসলামিক জঙ্গি বন্ধুদের দিয়ে খ্রিষ্টান পাড়ায় হামলা করিয়ে, গির্জা ভাঙচুর করিয়ে, জমি দখল করিয়ে সে দেশের ভেতরে তার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সে নিজের পায়ে কুড়াল মারছে। কারণ তার যে আন্তর্জাতিক পৃষ্ঠপোষকরা, তাদের পার্লামেন্টে জবাব দিতে হয় দেশের মানুষকে। আর সেখানে জবগণ এখন জানতে চায় যে তাদের ট্যাক্সের টাকা কেন এমন একটা সরকারকে সাহায্য করছে যে খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচারের স্টিমরোলার চালাচ্ছে।

রমনার আর্চবিশপ হাউজে আমেরিকার নতুন রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতি এখানে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। ওয়াশিংটন যখন তার নতুন রাষ্ট্রদূতকে পাঠায় কোনো দেশের ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের বাড়িতে, তখন সেটা একটা সংকেত। সংকেত এই যে, আমেরিকা এখন বাংলাদেশের খ্রিষ্টানদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে, ইউনুসের মাধ্যমে নয়। এটা ইউনুসকে বাইপাস করার একটা কৌশল। আর এই বাইপাস করার মানে হলো ওয়াশিংটন এখন ইউনুসের পরের চ্যাপ্টার নিয়ে ভাবছে।

ইউনুসের আসল সমস্যা হলো, সে এখন একটা ক্লাসিক ‘ইউজ অ্যান্ড থ্রো’ কেসে পরিণত হয়েছে। জুলাইয়ের দাঙ্গায় তাকে ব্যবহার করা হয়েছিল জনগণের ভোটে নির্বাচিত শেখ হাসিনা সরকারকে সরানোর জন্য। কিন্তু এখন যেহেতু কাজ হয়ে গেছে, তাই ইউনুসের উপযোগিতাও শেষ। আর ইউনুস যেভাবে দেশকে চালাচ্ছে, সেটা পশ্চিমাদের জন্য এখন বিব্রতকর হয়ে উঠেছে। তারা চেয়েছিল একটা ‘ডেমোক্র্যাটিক ট্রানজিশন’, কিন্তু পাচ্ছে একটা ‘ইসলামিস্ট টেকওভার’। এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য বিশাল।

এখন দেখুন, যখন ভাটিকানের রাষ্ট্রদূত, আমেরিকার রাষ্ট্রদূত, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত একসাথে আর্চবিশপের বাড়িতে যায়, তখন সেটা কী বার্তা দেয়? বার্তাটা হলো, বাংলাদেশের খ্রিষ্টান সম্প্রদায় এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। আর এই ফ্যাক্টরকে ইউনুস যতই উপেক্ষা করুক না কেন, পশ্চিমা রাজধানীগুলো এটাকে উপেক্ষা করতে পারছে না। কারণ তাদের ঘরে বসে ক্যাথলিক ভোটব্যাংক আছে, খ্রিষ্টান লবি আছে, মানবাধিকার সংগঠন আছে।

এখন আসি নির্বাচনের প্রসঙ্গে। ইউনুস ভাবছে নির্বাচন দিয়ে সে তার ক্ষমতাকে বৈধতা দেবে। কিন্তু এখানেই সে সবচেয়ে বড় ভুল করছে। কারণ পশ্চিমারা এখন জানে যে ইউনুসের নির্বাচন মানে হবে জামাত-শিবিরের নির্বাচন। আর জামাতের ক্ষমতায় আসার মানে হবে সংখ্যালঘু নিপীড়ন আরও তীব্র হবে। এটা পশ্চিমারা মেনে নিতে পারবে না, কারণ এতে তাদের নিজেদের দেশে তাদের রাজনৈতিক খরচ হবে।

ইউনুস এখন একটা ফাঁদে পড়েছে। এক দিকে তার ক্ষমতার ভিত্তি হলো জামাত-শিবির আর ইসলামিক জঙ্গিরা। ওদের খুশি রাখতে হলে সংখ্যালঘু নিপীড়ন চালাতে হবে। কিন্তু অন্য দিকে, তার আন্তর্জাতিক বৈধতা নির্ভর করছে পশ্চিমা সমর্থনের উপর। আর পশ্চিমা সমর্থন পেতে হলে সংখ্যালঘু নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। এই দুইয়ের মধ্যে একটা বেছে নিতে হবে। আর ইউনুস যেটাই বেছে নিক না কেন, সে হেরে যাবে।

রমনার আর্চবিশপ হাউজে রাষ্ট্রদূতদের সমাবেশ এটাই বলছে যে পশ্চিমারা এখন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। তারা এখন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে। ইউনুসকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আর দরকার নেই। আর এটাই হলো কূটনীতির ভাষায় ‘কিস অফ ডেথ’। যখন তোমার পৃষ্ঠপোষকরা তোমাকে বাইপাস করে তোমার দেশের অন্য গ্রুপের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন বুঝবে তোমার সময় শেষ।

ইউনুসের গদি এখন টলমল করছে, এটা সে নিজেও টের পাচ্ছে। নইলে কেন সে এত মরিয়া হয়ে বিরোধী দলগুলোকে দমন করছে, মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে, বিচার বিভাগকে নিজের হাতের মুঠোয় রাখতে চাইছে? কারণ সে জানে, একবার যদি তার আন্তর্জাতিক সমর্থন চলে যায়, তাহলে দেশের ভেতরে তার কোনো ভিত্তি নেই। জনগণ তাকে ভোট দেয়নি, জনগণ তাকে চায়নি। সে এসেছে লাশের উপর দিয়ে, রক্তের উপর দিয়ে।

এখন সময় এসেছে যখন ইউনুসের সেই রক্তের হিসাব চাইবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। রমনার আর্চবিশপ হাউজে যে রাষ্ট্রদূতরা গিয়েছিলেন, তারা শুধু বড়দিনের শুভেচ্ছা জানাতে যাননি। তারা গিয়েছিলেন একটা বার্তা দিতে যে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা একা নয়। আর এই বার্তা ইউনুসের জন্য মৃত্যু পরোয়ানা। কারণ যখন তোমার পৃষ্ঠপোষকরাই তোমার শিকারদের পাশে দাঁড়ায়, তখন বুঝে নাও তোমার খেলা শেষ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ