সংবাদ সম্মেলনে ভোট জালিয়াতির ইঙ্গিত প্রেস সচিবের!

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। প্রেস সচিব তাঁর বক্তব্যে যুক্তি দেখান যে, এ বছর সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গণভোট বা রেফারেন্ডাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক পোস্টাল ব্যালট যুক্ত হওয়ার কারণে ভোট গণনা সম্পন্ন করতে কিছুটা বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

তবে সরকারের এই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে জনমনে এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেমন—ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচনেও ভোট গণনায় অস্বাভাবিক দেরি করার নজির দেখা গেছে, যেখানে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনেও ভোট গণনায় বিলম্বের নেপথ্যে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে জেতানোর কৌশল বা জালিয়াতির পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক জোরালো হচ্ছে।

এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। দেশজুড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ মনোনয়ন সামান্য ত্রুটির অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, যা বিরোধী পক্ষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার একটি অপকৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিয়ম শিথিলের বিষয়টি সরকারের নিরপেক্ষতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয় বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব সদস্য নিহত হওয়া এবং অন্য এক সদস্যকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জননিরাপত্তার কঙ্কালসার অবস্থাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যেখানে খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই নিরাপদ নন, সেখানে সাধারণ ভোটারদের জন্য একটি উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, এমন ত্রুটিপূর্ণ ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে এবং এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি কেবল একটি প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়াকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবেই গণ্য হবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল ঘোষণায় বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। প্রেস সচিব তাঁর বক্তব্যে যুক্তি দেখান যে, এ বছর সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি একটি গণভোট বা রেফারেন্ডাম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুল সংখ্যক পোস্টাল ব্যালট যুক্ত হওয়ার কারণে ভোট গণনা সম্পন্ন করতে কিছুটা বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

তবে সরকারের এই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে জনমনে এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় যেমন—ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচনেও ভোট গণনায় অস্বাভাবিক দেরি করার নজির দেখা গেছে, যেখানে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচনেও ভোট গণনায় বিলম্বের নেপথ্যে কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে জেতানোর কৌশল বা জালিয়াতির পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক জোরালো হচ্ছে।

এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। দেশজুড়ে প্রায় ২৫ শতাংশ মনোনয়ন সামান্য ত্রুটির অজুহাতে বাতিল করা হয়েছে, যা বিরোধী পক্ষকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার একটি অপকৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর ক্ষেত্রে প্রশাসনের নিয়ম শিথিলের বিষয়টি সরকারের নিরপেক্ষতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয় বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব সদস্য নিহত হওয়া এবং অন্য এক সদস্যকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি জননিরাপত্তার কঙ্কালসার অবস্থাকেই ফুটিয়ে তুলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যেখানে খোদ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাই নিরাপদ নন, সেখানে সাধারণ ভোটারদের জন্য একটি উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, এমন ত্রুটিপূর্ণ ও নিরাপত্তাহীন পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে রাজনৈতিক সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে এবং এই অবস্থায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি কেবল একটি প্রশ্নবিদ্ধ প্রক্রিয়াকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবেই গণ্য হবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ