Saturday, January 24, 2026

ইউনূসের বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের নতুন বসন্ত : বাংলাদেশ কি আরেকটি সিরিয়া হতে চলেছে?

কেরাণীগঞ্জের উম্মুল কুরা মাদ্রাসায় যে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। দুইশ লিটার হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ষাট লিটার নাইট্রিক এসিড আর দশ কেজি বিস্ফোরক পাউডার রাখা হয় রসায়ন গবেষণার জন্য নাকি গণহত্যার প্রস্তুতি হিসেবে? মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই জেএমজেবির সাথে যুক্ততার পাঁচটা মামলা ছিল। তাহলে এই লোক মাদ্রাসা চালানোর অনুমতি পেল কীভাবে? জবাবটা সহজ। জুলাইয়ের পর থেকে বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে জঙ্গিরা শত্রু নয়, সহযোগী।

হলি আর্টিজানের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনে যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, সেটা ভেঙে দেওয়া হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গি মামলার আসামিরা হয় জামিন পেয়ে বেরিয়ে এসেছে, নয়তো জেল ভেঙে পালিয়ে গেছে। ইউনূস সরকারের পাঁচ মাসে জঙ্গিবাদ দমনে একটা গ্রেপ্তার বা অভিযানের কথা শোনা যায়নি। বরং জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে। যে সংগঠন একাত্তরে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল, যাদের নেতারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি পেয়েছিল, তাদেরকে এখন মন্ত্রণালয়ে জায়গা দেওয়া হচ্ছে। এটা কাকতালীয় নয়, এটা পরিকল্পনা।

জাজিরায় পঁয়তাল্লিশটা ককটেল উদ্ধারের ঘটনাকে স্থানীয় দ্বন্দ্ব বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতগুলো বোমা বানানোর উপাদান একটা গ্রামে জমা হয় কীভাবে? পুলিশ, প্রশাসন কোথায় ছিল? নাকি তারা চোখ বুজে বসে ছিল? নির্বাচনের আগে সারাদেশে ককটেল আর বোমার মজুদ তৈরি হচ্ছে, এটা পরিষ্কার। উদ্দেশ্য একটাই, নির্বাচনকে ব্যর্থ করা, দেশে অরাজকতা তৈরি করা। কারণ ইউনূস আর তার প্রভুরা জানে, অবাধ নির্বাচন হলে তাদের হারানো নিশ্চিত।

যে দেশে একসময় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি ছিল, সেই দেশে এখন মাদ্রাসায় বোমা বানানো হচ্ছে। নূর খান লিটন যথার্থই বলেছেন, পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গিরা ব্রিদিং স্পেস পেয়েছে। শুধু ব্রিদিং স্পেস নয়, তারা পেয়েছে রাষ্ট্রীয় আশ্রয়। কেরাণীগঞ্জের মূল আসামি শেখ আল আমিন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। কেন? কারণ তাকে ধরতে সরকারের আগ্রহ নেই। আর যাদের ধরা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনার কথা। মানে হলি আর্টিজানের মতো আরেকটা হামলার প্রস্তুতি চলছিল।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সাথে বাংলাদেশের জঙ্গিদের সংযোগ আছে, এটা নতুন কথা নয়। আইএসআইএস, আল কায়েদা, এসব সংগঠনের ভগ্নাংশ এখনো সক্রিয়। আর এখন বাংলাদেশে তাদের জন্য উর্বর জমি তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ের ক্যুতে বিদেশি শক্তির মদদ ছিল, সেটা এখন আর গোপন বিষয় নয়। যে দেশগুলো বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ দেখতে চায়, তারাই ইউনূসকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। আর ইউনূস তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে নিষ্ঠার সাথে।

সিরিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, এসব দেশে কী হয়েছে? ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রথমে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছে, তারপর রাষ্ট্র দখল করেছে। বাংলাদেশে এখন ঠিক সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জামায়াত, হেফাজত, জেএমজেবি, এরা সবাই এখন প্রকাশ্যে তৎপর। আর সরকার কী করছে? কিছুই না। বরং জঙ্গি মামলার আসামিদের ছেড়ে দিচ্ছে, তাদের পুনর্বাসিত করছে।

পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট কেরাণীগঞ্জের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে। কিন্তু তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে না তো? মূল আসামি ধরা পড়ছে না কেন? বাকি আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে যা বেরিয়ে এসেছে, সেই তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? কারণ প্রকাশ করলে পুরো নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হবে। আর সেই নেটওয়ার্কের সুতো গিয়ে ঠেকবে সরকারের ভেতরে। যেখানে জঙ্গি সংগঠনের লোকেরা মন্ত্রণালয়ে বসে আছে, সেখানে জঙ্গিবাদ দমন হবে কীভাবে?

বাংলাদেশ এখন একটা ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে। হয় এই জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান রুখে দেওয়া যাবে, নয়তো দেশ তলিয়ে যাবে অরাজকতায়। কিন্তু যারা ক্ষমতায় আছে, তারাই যখন এই অরাজকতার স্থপতি, তখন আশার জায়গা কোথায়? নির্বাচন এলে হয়তো পরিবর্তনের সুযোগ আসবে। কিন্তু ততদিনে কত মাদ্রাসা বোমার কারখানায় পরিণত হবে? কতগুলো জাজিরা তৈরি হবে? কতগুলো হলি আর্টিজান দেখতে হবে?

ইউনূস আর তার সহযোগীরা যে বাংলাদেশ তৈরি করতে চাইছে, সেটা হবে জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য। যেখানে শরিয়া আইনের নামে মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলবে, যেখানে নারী, সংখ্যালঘু, প্রগতিশীল মানুষদের জীবন হবে নরক। সিরিয়ায় যেমন হয়েছে, আফগানিস্তানে যেমন হয়েছে, ঠিক তেমন। আর এই পরিণতির দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে। বিদেশি প্রভুদের টাকায়, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে, জঙ্গিদের রক্তাক্ত হাত ধরে।

কেরাণীগঞ্জের উম্মুল কুরা মাদ্রাসায় যে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা কোনো দুর্ঘটনা নয়। দুইশ লিটার হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ষাট লিটার নাইট্রিক এসিড আর দশ কেজি বিস্ফোরক পাউডার রাখা হয় রসায়ন গবেষণার জন্য নাকি গণহত্যার প্রস্তুতি হিসেবে? মাদ্রাসার পরিচালক শেখ আল আমিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই জেএমজেবির সাথে যুক্ততার পাঁচটা মামলা ছিল। তাহলে এই লোক মাদ্রাসা চালানোর অনুমতি পেল কীভাবে? জবাবটা সহজ। জুলাইয়ের পর থেকে বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে জঙ্গিরা শত্রু নয়, সহযোগী।

হলি আর্টিজানের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ দমনে যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, সেটা ভেঙে দেওয়া হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গি মামলার আসামিরা হয় জামিন পেয়ে বেরিয়ে এসেছে, নয়তো জেল ভেঙে পালিয়ে গেছে। ইউনূস সরকারের পাঁচ মাসে জঙ্গিবাদ দমনে একটা গ্রেপ্তার বা অভিযানের কথা শোনা যায়নি। বরং জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হচ্ছে। যে সংগঠন একাত্তরে গণহত্যায় অংশ নিয়েছিল, যাদের নেতারা যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসি পেয়েছিল, তাদেরকে এখন মন্ত্রণালয়ে জায়গা দেওয়া হচ্ছে। এটা কাকতালীয় নয়, এটা পরিকল্পনা।

জাজিরায় পঁয়তাল্লিশটা ককটেল উদ্ধারের ঘটনাকে স্থানীয় দ্বন্দ্ব বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতগুলো বোমা বানানোর উপাদান একটা গ্রামে জমা হয় কীভাবে? পুলিশ, প্রশাসন কোথায় ছিল? নাকি তারা চোখ বুজে বসে ছিল? নির্বাচনের আগে সারাদেশে ককটেল আর বোমার মজুদ তৈরি হচ্ছে, এটা পরিষ্কার। উদ্দেশ্য একটাই, নির্বাচনকে ব্যর্থ করা, দেশে অরাজকতা তৈরি করা। কারণ ইউনূস আর তার প্রভুরা জানে, অবাধ নির্বাচন হলে তাদের হারানো নিশ্চিত।

যে দেশে একসময় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি ছিল, সেই দেশে এখন মাদ্রাসায় বোমা বানানো হচ্ছে। নূর খান লিটন যথার্থই বলেছেন, পাঁচই আগস্টের পর জঙ্গিরা ব্রিদিং স্পেস পেয়েছে। শুধু ব্রিদিং স্পেস নয়, তারা পেয়েছে রাষ্ট্রীয় আশ্রয়। কেরাণীগঞ্জের মূল আসামি শেখ আল আমিন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। কেন? কারণ তাকে ধরতে সরকারের আগ্রহ নেই। আর যাদের ধরা হয়েছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে ঢাকায় নাশকতার পরিকল্পনার কথা। মানে হলি আর্টিজানের মতো আরেকটা হামলার প্রস্তুতি চলছিল।

আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সাথে বাংলাদেশের জঙ্গিদের সংযোগ আছে, এটা নতুন কথা নয়। আইএসআইএস, আল কায়েদা, এসব সংগঠনের ভগ্নাংশ এখনো সক্রিয়। আর এখন বাংলাদেশে তাদের জন্য উর্বর জমি তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ের ক্যুতে বিদেশি শক্তির মদদ ছিল, সেটা এখন আর গোপন বিষয় নয়। যে দেশগুলো বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিবাদ দেখতে চায়, তারাই ইউনূসকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। আর ইউনূস তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে নিষ্ঠার সাথে।

সিরিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, এসব দেশে কী হয়েছে? ধর্মীয় উগ্রবাদ প্রথমে রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছে, তারপর রাষ্ট্র দখল করেছে। বাংলাদেশে এখন ঠিক সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জামায়াত, হেফাজত, জেএমজেবি, এরা সবাই এখন প্রকাশ্যে তৎপর। আর সরকার কী করছে? কিছুই না। বরং জঙ্গি মামলার আসামিদের ছেড়ে দিচ্ছে, তাদের পুনর্বাসিত করছে।

পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট কেরাণীগঞ্জের ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে। কিন্তু তদন্তের নামে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে না তো? মূল আসামি ধরা পড়ছে না কেন? বাকি আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে যা বেরিয়ে এসেছে, সেই তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন? কারণ প্রকাশ করলে পুরো নেটওয়ার্ক উন্মোচিত হবে। আর সেই নেটওয়ার্কের সুতো গিয়ে ঠেকবে সরকারের ভেতরে। যেখানে জঙ্গি সংগঠনের লোকেরা মন্ত্রণালয়ে বসে আছে, সেখানে জঙ্গিবাদ দমন হবে কীভাবে?

বাংলাদেশ এখন একটা ক্রসরোডে দাঁড়িয়ে। হয় এই জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান রুখে দেওয়া যাবে, নয়তো দেশ তলিয়ে যাবে অরাজকতায়। কিন্তু যারা ক্ষমতায় আছে, তারাই যখন এই অরাজকতার স্থপতি, তখন আশার জায়গা কোথায়? নির্বাচন এলে হয়তো পরিবর্তনের সুযোগ আসবে। কিন্তু ততদিনে কত মাদ্রাসা বোমার কারখানায় পরিণত হবে? কতগুলো জাজিরা তৈরি হবে? কতগুলো হলি আর্টিজান দেখতে হবে?

ইউনূস আর তার সহযোগীরা যে বাংলাদেশ তৈরি করতে চাইছে, সেটা হবে জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য। যেখানে শরিয়া আইনের নামে মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলবে, যেখানে নারী, সংখ্যালঘু, প্রগতিশীল মানুষদের জীবন হবে নরক। সিরিয়ায় যেমন হয়েছে, আফগানিস্তানে যেমন হয়েছে, ঠিক তেমন। আর এই পরিণতির দিকে বাংলাদেশকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে। বিদেশি প্রভুদের টাকায়, সামরিক বাহিনীর সমর্থনে, জঙ্গিদের রক্তাক্ত হাত ধরে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ