নাটোরের হালসা ইউনিয়নের নবীন কৃষ্ণপুর গ্রামে চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকা সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমজীবী নিমাই চন্দ্র দাসের (৫০) মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অবৈধ জামাতি ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর থেকেই দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, হত্যা, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। কখনো নদী, কখনো পুকুর—এভাবে একের পর এক লাশ পাওয়া যাচ্ছে, অথচ রাষ্ট্র যেন নির্বিকার দর্শক। এই মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি সংখ্যালঘুদের ভয় দেখিয়ে কোণঠাসা করার ধারাবাহিক চিত্র।
নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ নয়—বরং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্রাহ্য করা হচ্ছে বলেই প্রশ্ন উঠছে সর্বত্র। যে দেশে একজন শ্রমজীবী মানুষ নিখোঁজ হয়ে চার দিন পর পুকুরে লাশ হয়ে ভেসে ওঠে, সেই দেশে সংখ্যালঘুদের জন্য রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই—এই বার্তাই বারবার দেওয়া হচ্ছে।
আজ নাটোর, কাল কোথায়? এই নীরবতা ভাঙতে না পারলে লাশের তালিকা আরও দীর্ঘ হবে—আর দায় এড়ানোর সুযোগ পাবে না কেউ।

