Saturday, January 17, 2026

হার্ট ফেইলিওরের নামে লাশ, কারাগারের ভেতরে নিঃশব্দ নিধন

দেশের বিভিন্ন কারাগারে আওয়ামী লীগের কারাবন্দি নেতাকর্মীদের হত্যা করতে মুখিয়ে আছে অবৈধ জামাতি ইউনুসের প্রশাসন । একের পর এক বন্দির মৃত্যুর কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে একই শব্দ—হার্ট ফেইলিওর, হার্ট অ্যাটাক, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। কিন্তু এই ধারাবাহিকতা কি কাকতালীয়, নাকি পরিকল্পিত?

কারাগার–সংশ্লিষ্ট একাধিক গোপন সূত্রের পাওয়া, রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি পরিকল্পিত অবহেলা ও নির্যাতনের পাশাপাশি এমন কিছু ওষুধ ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে, যেগুলো হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে তথাকথিত ডিজিটালিস গ্রুপের হৃদ্‌রোগের ওষুধ, যেগুলো চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া ব্যবহার হলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এই পদ্ধতিতে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুর কারণ হিসেবে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” লেখা যায়।

এটি যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত নিঃশব্দ নিধন অভিযান। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার রাজনৈতিক লক্ষ্য সামনে রেখে কারাগারকে পরিণত করেছে নির্যাতন ও মৃত্যুর পরীক্ষাগারে।

সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো, প্রতিটি মৃত্যুর পর একই নাটক: চিকিৎসার ঘাটতি, দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া, তারপর দায় এড়ানোর প্রস্তুত সার্টিফিকেট—হার্ট ফেইলিওর। কোনো স্বাধীন তদন্ত নেই, নেই ময়নাতদন্তের স্বচ্ছতা, নেই পরিবারের প্রশ্নের জবাব।

প্রশ্ন একটাই—কারাগারে বন্দিদের জীবন কি আর রাষ্ট্রের কাছে মূল্যহীন?

দেশের বিভিন্ন কারাগারে আওয়ামী লীগের কারাবন্দি নেতাকর্মীদের হত্যা করতে মুখিয়ে আছে অবৈধ জামাতি ইউনুসের প্রশাসন । একের পর এক বন্দির মৃত্যুর কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে একই শব্দ—হার্ট ফেইলিওর, হার্ট অ্যাটাক, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট। কিন্তু এই ধারাবাহিকতা কি কাকতালীয়, নাকি পরিকল্পিত?

কারাগার–সংশ্লিষ্ট একাধিক গোপন সূত্রের পাওয়া, রাজনৈতিক বন্দিদের প্রতি পরিকল্পিত অবহেলা ও নির্যাতনের পাশাপাশি এমন কিছু ওষুধ ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে, যেগুলো হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে তথাকথিত ডিজিটালিস গ্রুপের হৃদ্‌রোগের ওষুধ, যেগুলো চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়া ব্যবহার হলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে। এই পদ্ধতিতে শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন থাকে না, অথচ মৃত্যুর কারণ হিসেবে সহজেই “স্বাভাবিক হার্ট ফেইলিওর” লেখা যায়।

এটি যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত নিঃশব্দ নিধন অভিযান। অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকার আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার রাজনৈতিক লক্ষ্য সামনে রেখে কারাগারকে পরিণত করেছে নির্যাতন ও মৃত্যুর পরীক্ষাগারে।

সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো, প্রতিটি মৃত্যুর পর একই নাটক: চিকিৎসার ঘাটতি, দেরিতে হাসপাতালে নেওয়া, তারপর দায় এড়ানোর প্রস্তুত সার্টিফিকেট—হার্ট ফেইলিওর। কোনো স্বাধীন তদন্ত নেই, নেই ময়নাতদন্তের স্বচ্ছতা, নেই পরিবারের প্রশ্নের জবাব।

প্রশ্ন একটাই—কারাগারে বন্দিদের জীবন কি আর রাষ্ট্রের কাছে মূল্যহীন?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ